শিরোনাম:
শিরোনাম:
তৃতীয় দিনের ন্যায় গাইবান্ধা সদরের মোল্লারচরের বন্যাতদের মাঝে ত্রান বিতরন গাইবান্ধা সদরের দুই ইউনিয়নের বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ ও শুকনো খাবার বিতরণ গোবিন্দগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি বুধবার গাইবান্ধায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরন বিজ্ঞাপনের জন্য ফি নিতে পারবে না বিআরটিএ: হাইকোর্ট নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ১৪ জনের প্রাণহানি তিস্তা প্রকল্পে ভারত-চীন একসঙ্গে কাজ করতে রাজি: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু গাইবান্ধায় গৃহবধূর গোসলের ভিডিও ধারণের সময় পুলিশ সদস্য আটক
ঘোষণা:
আমাদের ওয়েবসাইটে স্বাগতম...

সিলেটের বিশ্বনাথে প্রেমের টানে বিশ্বনাথে জার্মান শিক্ষিকা, বিয়েতে ১০ হাজার মেহমান

মো তানভীর রহমান / ৪৮ বার পঠিত
প্রকাশের সময়: শনিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৩, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন

‘মন আছে বলে ভালোবাসার খুব প্রয়োজন, স্বপ্ন আছে বলে ভালোবাসার এত আয়োজন। ’ মানুষ ভালোবাসার পাগল, একটুখানি ভালোবাসার জন্য অনেক কিছু করতে পারে।
যেমনটি করে দেখিয়েছেন জার্মান তরুণী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষিকা মারিয়া।
ভালোবাসার মানুষকে আপন পেতে সুদূর জার্মান থেকে সিলেটের বিশ্বনাথে ছুটে এসেছেন মারিয়া।
জার্মান থেকে এসে সরাসরি প্রেমিক সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার শ্রীধরপুর গ্রামের আরিছ আলীর ছেলে আব্রাহাম হাসান নাঈমের বাড়িতে ওঠেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) মুসলিম রীতিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বনাথের জনৈক ব্যক্তির মাধ্যমে নাঈমের সঙ্গে মারিয়ার পরিচয় হয়। এ পরিচয়ের সূত্র ধরে কথোপকথন, একে অন্যকে বুঝতে শুরু করেন। এরপর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে নাঈম ও মারিয়ার।
একপর্যায়ে মারিয়া জার্মান যেতে নাঈমকে আমন্ত্রণ জানায়। যদিও নাঈম মারিয়াকে বাংলাদেশে আসতে বলেন। উভয়ের পরিবার তাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
এর প্রেক্ষিতে গত ২৩ ডিসেম্বর সুদূর জার্মান থেকে বাংলাদেশে আসেন মারিয়া। এরপর বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে মুসলিম রীতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। রাজকীয় এ বিয়ের অনুষ্ঠানে পুরো গ্রামের মানুষকে দাওয়াত করা হয়। অন্তত ১০ হাজারের বেশি লোকজনকে আপ্যায়ন করানো হয়।
বিয়ের এ অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক আলোচনা পুরো বিশ্বনাথজুড়ে। আর জার্মানি তরুণীকে এক নজর দেখতে প্রতিদিন ওই বাড়িতে ভিড় করছেন লোকজন।নাঈমের চাচাতো ভাই আবদুল বাতিন বলেন, মারিয়া জার্মানির একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তিনি পিএইচডিও করছেন। আর নাইমও পেশায় কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার।এদিকে, নিজের দাম্পত্য জীবনের জন্য সবার শুভকামনা চেয়েছেন নাঈম-মারিয়া দম্পতি।
নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মারিয়া বলেন, প্রথমবার বাংলাদেশে এসে আমি খুব আপ্লুত। যদিও জার্মানের সঙ্গে এদেশের অনেক তফাৎ। তারপরও আমি এখানে এসে খুব খুশি। দারুণ অনুভূতি, সবাই আমার দেখভাল করছে। এখানের পরিবেশও অসাধারণ, এটা আমার পছন্দ হয়েছে।

 Save as PDF


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর