ঘোষণা:
আমাদের ওয়েবসাইটে স্বাগতম...

পলাশবাড়ীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে ভাঙচুর- মারধর

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪২ বার পঠিত
প্রকাশের সময়: রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩, ৯:২৫ অপরাহ্ন

নির্মাণ কাজে নিম্নমানের পণ্য ব্যবহারের অভিযোগ এনে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে ভাঙচুর ও শ্রমিক সর্দারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও এলাকার কতিপয় যু্বকের বিরুদ্ধে।রোববার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের রামপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে এ ঘটনা ঘটে।শ্রমিক সর্দার সাকোয়াত মিয়া জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আশ্রয়ণ প্রকল্পে আসেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য আশিকুর রহমান রাসেল। তিনি নির্মাণ কাজে নিম্নমানের বালু ও ইট ব্যবহার করা হচ্ছে দাবি করে লাথি মেরে কাঁচা ইটের দেওয়াল ভেঙে ফেলেন এবং কাজ বন্ধ করে দেন।পরে খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফোন করে আবার কাজ শুরু করতে বলেন। কাজ শুরুর আধাঘণ্টা পর এলাকার কয়েকজন যুবক মারমুখী হয়ে ঘটনাস্থলে এসে শ্রমিকদের মালামাল কেড়ে নেন। এ দৃশ্য মোবাইল ফোনে রেকর্ড করায় সাকোয়াতকে মারধর করে পরনের জামা-কাপড় ছিঁড়ে ফেলা হয়। এসময় এলাকার শতাধিক নারী-পুরুষ আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘিরে ফেলেন। খবর পেয়ে বিকেলে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এসএম ফয়েজ, উপজেলা প্রকৌশলী এলজিডি মো. শাহরিয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
তাৎক্ষণিক ইট ও বালু পরীক্ষা করে গুণগত মান সঠিক রয়েছে বলে জানান উপজেলা প্রকৌশলী।ইউএনও কামরুজ্জামান জানান, নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত পণ্য নিম্নমানের মনে হলে কর্তৃপক্ষ বরাবর অভিযোগ করতে হবে। অভিযোগ যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কিন্তু কাজ বন্ধ করে দেবে, ভাঙচুর-মারধর করবে, এটা অন্যায়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আশিকুর রহমান রাসেল বলেন, নির্মাণ কাজে গাঁথুনিতে যে ইট ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটা দুই-তিন নম্বরের এবং যে
বালু ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটা বিট বালু। যেটা আমরা মেঝে ভরাটে ব্যবহার করে থাকি। সে কারণে সকালে কাজ বন্ধ করতে বলে এসেছি। এরপর যা ঘটেছে, সেখানে আমি উপস্থিত ছিলাম না। এতে আমি কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই।

 Save as PDF


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর