শিরোনাম:
শিরোনাম:
তৃতীয় দিনের ন্যায় গাইবান্ধা সদরের মোল্লারচরের বন্যাতদের মাঝে ত্রান বিতরন গাইবান্ধা সদরের দুই ইউনিয়নের বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ ও শুকনো খাবার বিতরণ গোবিন্দগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি বুধবার গাইবান্ধায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরন বিজ্ঞাপনের জন্য ফি নিতে পারবে না বিআরটিএ: হাইকোর্ট নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ১৪ জনের প্রাণহানি তিস্তা প্রকল্পে ভারত-চীন একসঙ্গে কাজ করতে রাজি: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু গাইবান্ধায় গৃহবধূর গোসলের ভিডিও ধারণের সময় পুলিশ সদস্য আটক
ঘোষণা:
আমাদের ওয়েবসাইটে স্বাগতম...

গোবিন্দগঞ্জে কেএসএস লিমিটেড অবৈধ হলেও সদস্য ৪০ হাজার! সঞ্চয় ফেরত নিতে শাখা ঘেরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪৩ বার পঠিত
প্রকাশের সময়: সোমবার, ১২ জুন, ২০২৩, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় সমবায় সমিতির নামে কাটাবাড়ী সঞ্চয় ও ক্ষণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড সংক্ষেপে কেএসএস লিমিটেডে (রেজি: ৩১। সংশোধিত রেজি: ৬/১৭) জমানো সঞ্চয় ফেরত নিতে হাজার হাজার সদস্যদের দ্বারা ফুলবাড়ী ইউনিয়নের বড় সাতাইল বাতাইল (ফুটানি বাজার) বিতরণ কেন্দ্র ঘেরাও করা হয়েছে।শনিবার (১০ জুন) দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এ শাখার ম্যানেজার, মাঠকর্মী ও জিএম ফজলুল করিমকে অবরুদ্ধ করে রাখা সহ সদস্যরা দফায় দফায় গোবিন্দগঞ্জ টু গাইবান্ধা ডায়া নাকাইহাট সড়ক অবরোধ করে। উত্তেজিত সদস্যরা এক সময় সমিতির সাইনবোর্ড ভাংচুর ও অফিসে হামলার প্রস্তুতি নিলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার পেলে বেশ ভাইরাল হয়। পরে উপজেলা সমবায় অফিসার এ এইচ এম তারিকুল শরিফ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ হোসেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইজার উদ্দিন ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (সি-সার্কেল) উদয় কুমার সাহা মধ্যরাতে কেএসএস লিমিটেডের পরিচালক (এমডি) আওরঙ্গজেবকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সেখানে উপস্থিত ফুলবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আনিচুর রহমান শিবলু সহ গ্রাহকদের জমানো টাকা ফেরতের আশ্বাস দিয়ে এমডি ও জিএম সহ অন্যান্যদের থানায় নিয়ে আসা হয়। তবে তাদের গ্রেফতার বা সেফ কাস্টরি কোনটি করা হয়েছে এ রিপোর্ট লেখা।পর্যন্ত তা নিশ্চিত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিষয়টিতে গোবিন্দগঞ্জ থানা চত্বরে উপস্থিত সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের উত্তরে উপজেলা সমবায় অফিসার এ এইচ এম তারিকুল শরিফএমডি-জিএম থানায় জানান- সমবায় সমিতির নামে একের অধিক শাখা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং সদস্য সংখ্যা নির্দিষ্ট। সংক্ষেপে কেএসএস লিমিটেড গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ১০টি সহ পাশের পলাশবাড়ী উপজেলার কবির হাটে শাখা খুলে সমবায় আইনকে অমান্য করেছে। গত মে মাস পর্যন্ত এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৩০ থেকে ৩০ হাজার। যা সম্প্রতি প্রায় ৪০ হাজার সদস্য সংখ্যা এতটাই বেশি যে, আমরা এর পরিচালককে হেফাজতে নিলেও ঠিক কীভাবে আগ্রহীদের সঞ্চয়ের টাকা ফেরত দিব তা ভেবে পাচ্ছি না। এছাড়াও সমিতিটির নিজ নামীয় কোনো একাউন্টে গ্রাহকের জমানো কোটি কোটি টাকা রাখা হ্যানি। এক্ষেে পরিচালক স্বেচ্ছাচারিতা করায় গ্রাহকরা তাদের সঞ্চয় ঠিক কীভাবে ফেরত পাবেন তা নিশ্চিতকরণে আমরা এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারনি।প্রসঙ্গত, গত ২৮ মে ইনডেক্স বড়আশা-বার্গাসাস’র পথে হাঁটছে কেএসএস লিমিটেড! দারিদ্র্যে জর্জরিত দরিদ্রদের রক্ষা করবে কে?’ শিরোনামে খোলা হাওয়ায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ পায়। এই প্রতিবেদনে এমডি আওরঙ্গজেব ও জিএম ফজলুল করিম মোবাইলে জানান যে, তাদের সব কাগজপত্র ঠিক আছে। সে সূত্রে তারা কয়েকটি বিতরণ কেন্দ্রে ছাগল বিতরণ কর্মসূচি বাড়িয়ে তা ফেসবুক সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রচার করে এবং বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখে।শনিবার এ শাখায় তারা ৬ জন সদস্যর প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা ঋণের আশ্বাসে অফিসে এনে ঋণ দিতে না পারায় এই সদস্যরা সঞ্চারের টাকা ফেরত নিয়ে যান। বিষয়টি মুখে মুখে প্রচার পেলে দুপুরে হাজার হাজার সদস্য বিতরণ কেন্দ্রটি ঘেরাও করে এবং শাখা ব্যবস্থাপক সহ জিএমকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পড়ে তাদের মানি লন্ডারিং আইনে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

 Save as PDF


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর