শিরোনাম:
শিরোনাম:
তৃতীয় দিনের ন্যায় গাইবান্ধা সদরের মোল্লারচরের বন্যাতদের মাঝে ত্রান বিতরন গাইবান্ধা সদরের দুই ইউনিয়নের বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ ও শুকনো খাবার বিতরণ গোবিন্দগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি বুধবার গাইবান্ধায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরন বিজ্ঞাপনের জন্য ফি নিতে পারবে না বিআরটিএ: হাইকোর্ট নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ১৪ জনের প্রাণহানি তিস্তা প্রকল্পে ভারত-চীন একসঙ্গে কাজ করতে রাজি: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু গাইবান্ধায় গৃহবধূর গোসলের ভিডিও ধারণের সময় পুলিশ সদস্য আটক
ঘোষণা:
আমাদের ওয়েবসাইটে স্বাগতম...

বিয়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২২ বার পঠিত
প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০২৩, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন

বিয়ে করেও স্ত্রীর মর্যাদা না দেয়ায় সাঘাটা উপজেলার ৬ নং ঘুরিদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ তুলিপের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক নারী। মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে বিয়ের নামে তার সাথে প্রতারণা করেছেন চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ তুলিপ। আমি নিজের প্রয়োজনে ৬নং ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদে গেলে চেয়ারম্যান তুলিপ আমাকে দেখিয়া পছন্দ করেন এবং আমার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর নেন। এরপর বিভিন্ন অযুহাতে আমার নিকট তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার (০১৭৬১-৫৩১৭০৬ ও ০১৯১৭-০৮৭৮৩৩) থেকে নিয়মিত কল করে কথা বলতেন। এভাবে তিনি আমার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরই একপর্যায়ে চেয়ারম্যান তুলিপ আমাকে বিয়ের কথা বলে গত এপ্রিল মাসের ৮ তারিখে সাঘাটা বাজারস্থ উকিল বাড়ী মন্দির সংলগ্ন তার ফাঁকা বাসায় ডেকে নেন। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষন করেন। পরবর্তীতে চেয়ারম্যানকে বিয়ের কথা বললে গত মাসের ১৮ জুন বুলবুল মেম্বার, তার ভগ্নিপতি আনিসুর রহমান, ভাগ্না ফিরোজ ও রাজ্জাক উপস্থিত থেকে বগুড়ার আড়ং মার্কেটের চারতলায় আমাকে নিয়ে গিয়ে কাজির মাধ্যমে বিবাহ করেন। কিন্তু বিয়ের পর আমাকে ঘরে তুলে নেওয়ার কথা বললে তিনি বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে সময় কালক্ষেপন করতে থাকেন এবং স্ত্রীর মর্যাদা দিতে অস্বীকার করেন। পরে বাধ্য হয়ে বিয়ের কথা তার আত্মীয় স্বজনদের জানানো হলে চেয়ারম্যান তুলিপ আপোষ মীমাংসার কথা বলে আমাকে পবনতাইড় গ্রামের ডাকবাংলা বাজার রোড সংলগ্ন শহীদ আনসার এর বাড়ীতে ডেকে নিয়ে যান। সে অনুযায়ী আমি ১৪ জুলাই সকাল অনুমান সাড়ে ১১টার দিকে উক্ত শহীদ আনসার এর বাড়িতে গেলে চেয়ারম্যান তুলিপ ও তার লোকজন মোবাইল ফোনে তার সাথে আমার বিভিন্ন কথপোকথনের রেকর্ড থাকা আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন। মোবাইল ফেরত চাইলে চেয়ারম্যান ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হইয়া আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ খুন জখমের হুমকি দেন। বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও থানায় গিয়ে একটা ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করি। সেখানে ওসি রাকিব সাহেব তদন্ত দিলে চেয়ারম্যান তুলিপ থানায় বিয়ের কাগজ দাখিল করেন। তিনি বলেন, আমার সাথে তার বিয়ে ৩ মাস পার হয়েছে। এছাড়া তাকে  ডিভোর্স দেওয়া হয়েছে। অথচ বিয়ের মাত্র এক মাস হয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনি নাকি দেনমোহর বাবদ ৫ লাখ টাকার মধ্যে ৪ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার আমাকে নগদ দিয়েছেন, যা সম্পুর্ন মিথ্যে ও বানোয়াট।  এমতাবস্থায় ভুক্তভোগী নারী কল্পনা আক্তার উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনারা সাংবাদিকগণ সমাজের বিবেক। আমি একজন অসহায় নারী হিসেবে আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে উক্ত প্রতারণার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি’। এ ঘটনা জানতে চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ তুলিপের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

 Save as PDF


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর