ঘোষণা:
আমাদের ওয়েবসাইটে স্বাগতম...

গাইবান্ধায় নারীর উপর সহিংসতা, তথ্য  প্রযুক্তিতে তরুন ও যুব নারীর ঝুকি ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৪ বার পঠিত
প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১০:১৩ অপরাহ্ন

 আজ মঙ্গলবার সকাল দশ ঘটিকার সময় দুর্বার নেটওয়ার্ক ও নারীপক্ষ গাইবান্ধা জেলা শাখার আয়োজনে শহরের ডিবি রোড ফকিরপাড়া নিজ কার্যালয়ে নারীর উপর সহিংসতা তথ্য ও প্রযুক্তিতে তরুন ও যুব নারীর ঝুকি ও সম্ভবনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তরুন দলের সদস্য নিশাত তাসনিম মিম ও শিলামনির সঞ্চালনায় এবং দুর্বার নেটওয়ার্ক নারীপক্ষ রংপুর অঞ্চলের সম্পাদিকা মাজেদা খাতুন কল্পনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মাহফুজুর রহমান। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন  জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক নেসারুল হক রেজা, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফরহাদ হোসেন বিজু,   জেলা সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেলের প্রোগ্রাম অফিসার রুহুল আমিন সরকার, গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবের সভাপতি কে এম রেজাউল হক, করতোয়ার জেলা প্রতিনিধি সৈয়দ নুরুল আলম জাহাঙ্গীর, বিটিভির জেলা প্রতিনিধি আবেদুর রহমান স্বপন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন গাইবান্ধা সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সিএনএন টিভির জেলা প্রতিনিধি ফারহান শেখ, ডিবিসির জেলা প্রতিনিধি রিক্তু প্রসাদ, বাংলাদেশের মানবাধিকার নাট্য পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক অঞ্জলী রানী দেবী, দুর্বার নেটওয়ার্ক নারীপক্ষের আঞ্চলিক কোষাধক্ষ্য নাজমা বেগম, দুর্বার নেটওয়ার্কের গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি সাজেদা পারভীন রুনু, মহিলা পরিষদের সভাপতি মাহফুজা খান, নারী ঐক্য পরিষদের সদস্য সোমা ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সমাজসেবক এবং সাংবাদিকগন। এ সময় বক্তারা বলেন, নারীর বিষয়ে সমাজের পুরুষের বিশেষ করে তরুণ সমাজের যে প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানসিকতা, তা থেকে আধুনিক যুক্তিযুক্ত দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের জন্য সচেতনতার প্রয়োজন। সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীসমাজকে সব ক্ষেত্রে সম–অংশগ্রহণের সুযোগ করে না দিলে এবং নারী ও কন্যাশিশুদের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতা বন্ধ না হলে সমাজ ও রাষ্ট্র এগিয়ে যেতে পারবে না। নারীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, এসিড সন্ত্রাস, যৌতুকের দাবি ও পারিবারিক সহিংসতা—এসব প্রতিরোধে যেসব আইন হয়েছে, সেগুলোর বাস্তব প্রয়োগ করতে হবে। পরিবার থেকে নারী নির্যাতনবিরোধী সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। গৃহপরিচারিকা নির্যাতন বন্ধে আইন প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। অভিন্ন পারিবারিক আইন চালু করতে হবে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।

 Save as PDF


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর