শিরোনাম:
শিরোনাম:
তৃতীয় দিনের ন্যায় গাইবান্ধা সদরের মোল্লারচরের বন্যাতদের মাঝে ত্রান বিতরন গাইবান্ধা সদরের দুই ইউনিয়নের বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ ও শুকনো খাবার বিতরণ গোবিন্দগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি বুধবার গাইবান্ধায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরন বিজ্ঞাপনের জন্য ফি নিতে পারবে না বিআরটিএ: হাইকোর্ট নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ১৪ জনের প্রাণহানি তিস্তা প্রকল্পে ভারত-চীন একসঙ্গে কাজ করতে রাজি: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু গাইবান্ধায় গৃহবধূর গোসলের ভিডিও ধারণের সময় পুলিশ সদস্য আটক
ঘোষণা:
আমাদের ওয়েবসাইটে স্বাগতম...

গাইবান্ধায় দলিল লেখক সমিতির সদস্য মারধর ও লাঞ্চিতের শিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৫ বার পঠিত
প্রকাশের সময়: শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৭:৫২ অপরাহ্ন

গাইবান্ধা সাব রেজিষ্টার অফিসে এজলাস কক্ষে দলিল লেখক সমিতির সদস্য ফয়জার রহমান (৫৮) মহুরি কে মারধর ও লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি নুর এ হাবিব টিটনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফয়জার রহমান বাদি হয়ে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, সদরের মালিবাড়ী ইউনিয়নের বারো বলদিয়া গ্রামের মৃত আকবর আলী ছেলে রেজিষ্ট্রি অফিসে কর্মরত মহুরি ফয়জার রহমান সরকার কে গত ২৭শে ডিসেম্বর বুধবার সকালে গাইবান্ধা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি নুরে হাবিব টিটন দলিল লেখক সমিতির কার্যক্রম পুনোরায় বহাল করার জন্য তাহার একক সিদ্ধন্তে একটি রেজুলেশন প্রস্তুুত করে এবং সাব রেজিষ্টার অফিসের সকল দলিল লেখক গন কে সাক্ষর করার জন্য বলে ।কয়েকজন উক্ত রেজুলেশনে সাক্ষর করলেও ফয়জার রহমান সহ অধিকাংশ দলিল লেখকগন সমিতির প্রস্তুুতকৃত রেজুলেশনে সাক্ষর করতে অস্বীকার জানায় ।এমন অবস্থায় সেই দিন বিকালে সাব রেজিষ্ট্রেটি অফিসের এজলাস কক্ষে ফয়জার রহমান একটি দলিল সম্পাদনের জন্য সাবরেজিষ্টার মঞ্জুরুল ইসলাম এর নিকট  দলিলটি উপস্থাপন করলে এ সময় নুরে হাবিব টিটন উক্ত স্থানে এসে তার প্রস্তুুতকৃত রেজুলেশনে সাক্ষর করার জন্য ফয়জার রহমান কে চাপ প্রয়োগ করে । ফয়জার রহমান সাক্ষর করতে অস্বীকার করলে নুরে হাবিব টিটন ক্ষিপ্ত হয়ে এজলাসের ভিতরে তাকে মারধর সহ লাঞ্চিত করে এবং এজলাস থেকে বের করে দেয় ।এ ঘটনায় আতংক সৃষ্টি হয়েছে রেজিষ্ট্রি অফিসে কর্মরতো দলিল লেখকদের মাঝে।

এ বিষয়ে সাব রেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখক সমিতির সদস্য মাহবুব মল্লিক জানান, ফয়জার রহমানের কে মারধর ও লাঞ্চিত করার ঘটনাটি সম্পর্কে বলেন দলিল লেখক সমিতির সভাপতি নুরে হাবীব টিটনের বিরুদ্ধে যে গিয়েছে তাকেই তারা মারধর ও লাঞ্চিত করেছে। সাধারণ দলিল লেখকরা আমরা প্রতিবাদ করতে পারিনা কারন তারা রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে গুন্ডা মাস্তান নিয়ে এসে অপমান অপদস্ত সহ নানা রকম নির্যাতন করে।

দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোস্তা মল্লিক বলেন, এই সমিতি থাকা অবস্থাতেও সমিতির নামে সভাপতি নুরে হাবীব টিটন তার গং দিয়ে সাধারণ দলিল লেখকদের কে কোনঠাসা করে সার্থ সিদ্ধির চেষ্টা করে বরাবরই। যেহেতু এখানকার প্রায়ই দলিল লেখক গ্রাম থেকে আসে দুর্বল তারপর নিরীহ মানুষ তাদের ওপর একটা শক্তি বল প্রয়োগ করে তারা অন্যায় কেও প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে এটা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি ধারাবাহিক ঘটনারই একটি আত্নপ্রকাশ। তিনি আরো বলেন আমার শ্রদ্ধেয় ভাই ফয়জার রহমানকে তারা গায়ে হাত তুলেছে এবং লাঞ্চিত করেছে তাকে নির্যাতিত করেছে এই অফিসের অনেকেই তা দেখেছে। তার প্রতি যে অন্যায় হয়েছে এবং সর্বপরি এই দলিল লেখকদের প্রতি যে অন্যায় হচ্ছে আমরা এর বিচার চাই।

সাব রেজিস্ট্রার মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, দলিলের চাপ বেশি হওয়ায় বিকাল পনে পাঁচটার দিকে এজলাসে বসে আমি দলিল করতেছি। এমন অবস্থায় দলিল লেখক সমিতির সভাপতি টিটন সাহেব আসলেন আইস্যা ওখানে গরম গরম কথা বলতেছে হইচই করতেছে বিষয়টি আমি পরিস্কার করতে পারতেছি না আমার সামনে এত লোক। তো এর পরে গালাগালি করতেছে অকথ্য ভাষায় তারপর উনি বলতেছে এজ এ উপজেলা চেয়ারম্যান, এজ এ উপজেলা চেয়ারম্যান, এজ এ উপজেলা চেয়ারম্যান, ঐই ফয়জার রহমান লেখক কে যে বলতেছে ঐ পর্যন্ত আমার চোখ যাইতেছে না কারন এত মানুষ বেশি। পরে আমি ওর চিৎকার শুনেছি এবং ফয়জার রহমানের গায়ে যে হাত তুলেছে এর আমি শব্দ পেয়েছি। তার পর আমি সোজা বের হয়ে একদম গাড়িতে উঠেছি। তখন ঠিক কাটায় কাটায় পাঁচ টা বাজে। এখানে যত অফিসার আসে সবাই কে এই রকম অপমান করে নুরে হাবীব টিটন। পরে আমার কেরানি কে হুমকি দিয়ে গেছে তোরেও মারমু কত অফিসার আসলো গেলে দেখলাম আমার গায়ে হাত তোলার লাগে না জানি। তিনি আরো বলেন আমি আমার জীবন নিয়ে নিরাপদহীনতায় থাকি। আমরা যদি নিরাপত্তা না পাই তাহলে আমরা অন্য কাউকে কিভাবে নিরাপত্তা দিব। প্রত্যেকদিন যাবার সময় চিন্তা করি পথের মধ্যে কোন বিপদে পড়ি নাকি। তাদের সঙ্গে ভালো কোনো কথা বলতে পারি না৷ একটু কিছু হলেই আমার দরজায় এসে লার্থী মারে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। একটা মুরুব্বি মানুষ কে এভাবে মারপিট ও লাঞ্চনা করা এটা কোনো কথা তাও আবার এজলাসের সামনে এসে। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি ।

এ বিষয়ে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি নুরে হাবিব টিটনের সাথে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায় নি।

 Save as PDF


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর