সাঘাটায় চাঁদা না পেয়ে জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় চাঁদা না দেওয়ায় পৈতৃক জমিতে হামলা, সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৪২)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ জাহিদুল ইসলাম পিতা-মৃত আঃ মালেক আকন্দ, সাং-ছাট কালপানি, থানা-সাঘাটা, জেলা-গাইবান্ধা দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। অভিযুক্তরা হলেন—
মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩৫), পিতা-মোঃ সোলেমান আলী;
মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪৫), পিতা-মৃত সৈয়দ আলী;
মোঃ আলমঙ্গীর হোসেন (৩২), পিতা-মোঃ মোওলা, সাং-শিমুলতাইড়;
এবং মোঃ লিটন মিয়া (৩২), পিতা-মোঃ আব্দুস সোবহান, সাং-ছাট কালপানি।
সবাই সাঘাটা থানার বাসিন্দা।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা চাঁদাবাজ ও ভূমি দস্যু প্রকৃতির। তারা তার নিকট ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল এবং টাকা না দিলে জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করতে দেবে না বলে হুমকি দিয়ে আসছিল।
গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে ভুক্তভোগী নিজ জমিতে অবস্থানকালে অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে লাঠি, দা, সাবল, কুড়াল ও করাতসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে। এ সময় তারা পুনরায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রায় ১০ ফুট ইটের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলে এবং ৫–৬টি সুপারি গাছ কেটে নেয়। এতে আনুমানিক ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ভুক্তভোগী বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র উঁচিয়ে তাকে খুন-জখমের হুমকি দেয়। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করলেও অভিযুক্তরা চাঁদা না দিলে জমি দখল করে নেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়।
ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শাহজাহান আলী, মোঃ নজরুল ইসলাম ও মোঃ রঞ্জু মিয়াসহ আরও অনেকে।
ভুক্তভোগী জানান, বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ করতে কিছুটা বিলম্ব হয়।
এ বিষয়ে সাঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।