
যৌতুকের দাবিতে স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ির অমানবিক নির্যাতনের কাছে হেরে যাচ্ছে শাহিনার জীবন, হাসপাতালের বেডে শুয়ে গুনছে মৃত্যুর প্রহর।
জানা গেছে, তিন বছর আগে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের হাউদারভিটা গ্রামের মুসলিম আলীর ছেলে আলমগীর হেসেন মিলনের সাথে বিবাহ হয় সীচা বাজারের শাহজাহান মিয়ার কন্যা শাহীনাজ আক্তারের।
বিয়ের পর যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূর ওপর চলত দেবর, শ্বশুর-শাশুড়ির অমানবিক নির্যাতন। ইতোমধ্যে শাহীনাজের কোলজুড়ে জন্ম নেয় ফুটফুটে কন্যা সন্তানের। এরপর নির্যাতনের মাত্রা আরো বাড়তে থাকে।
শাশুড়ি-ননদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বছরখানেক আগে বাবার বাড়িতে থাকেন কিছু দিন। এরপর শ্বশুর বাড়িতে আসেন। আবার শুরু হয় নির্যাতন।
গত ২১ এপ্রিল শাহীনাজ যৌতুক দিতে আপারগতা প্রকাশ করেলে আলমগীর হোসেন মিলন (স্বামী) বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায়, দু-হাতে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। দেবর জাহাঙ্গীর কোমরে লাথি মারে।
শাহীনাজ মাটিতে পড়িয়া গেলে শ্বশুর-শ্বাশুড়ি, দেবর-স্বামী এলোপাতাড়ি গুড়ি-লাথি মারে এবং গলা চেপে ধরে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শাহীনাজ অসুস্থ হলে আসামিগণ মুখে কীটনাশক বিষ ঢেলে দেয়।
শাহীনাজ ছটফট করতে থাকলে আশেপাশের লোকজন তাকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় শাহীনাজের বাবা শাহাজাহান বাদি হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ৪২/১৩৮।
Reporter Name 















