Category: অর্থনীতি

  • ৪৭তম বিসিএসের আবেদন শুরু

    ৪৭তম বিসিএসের আবেদন শুরু

    ৪৭তম বিসিএসের আবেদন শুরু হয়েছে। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে শুরু হয়েছে এই আবেদন প্রক্রিয়া। আগামী ৩১ জানুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলবে আবেদন প্রক্রিয়া।এর আগে এক দফা আবেদন স্থগিতের পর নতুন এ তারিখ ঘোষণা করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।বড় পরিবর্তন নিয়ে এবারের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হলো। গত ২৬ ডিসেম্বর আবেদনের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এবার প্রথমবারের মতো আবেদনের সময়মীমা থাকছে ৩২ বছর।পিএসসি সূত্রে জানা যায়, ৪৭তম বিসিএস পরীক্ষা থেকে আবেদন ফি ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর কমানো হয়েছে।এ বিসিএসে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা হয়েছে। আবেদন ফি ৭০০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত প্রার্থী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ধরা হয় ৫০ টাকা।এর আগে ৯ ডিসেম্বর পিএসসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ৪৭তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৪ এর অনলাইন আবেদন ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় শুরু এবং ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।

    চাকরিতে আবেদন ফি কমানোর ঘোষণা দিলেও আবেদনের (১০ ডিসেম্বর) আগে প্রজ্ঞাপন হয়নি। পরে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এরপর ৪৭তম বিসিএসের আবেদনের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

    গত ১১ ডিসেম্বর সরকার চাকরিতে আবেদন ফি কমানোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ফলে আবেদনে জটিলতা কেটে গেছে।

    বিজ্ঞপ্তির তথ্যানুযায়ী, ৪৭তম বিসিএসে ক্যাডার পদের সংখ্যা তিন হাজার ৪৮৭। নন-ক্যাডার পদের সংখ্যা ২০১। এ বিসিএস থেকে মোট তিন হাজার ৬৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এতে কিছু নতুন পদ যুক্ত হয়েছে।

    অন্যদিকে ৪৭ত বিসিএসে আবেদনের জন্য ১ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে সব ক্ষেত্রে প্রার্থীর বয়স ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স কম বা বেশি হলে আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না।

  • বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি এনজিও কর্মকর্তাদের কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ

    বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি এনজিও কর্মকর্তাদের কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ

    বাংলাদেশে বর্তমানে ২৭৪টি বিদেশি এনজিও কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব এনজিওর কান্ট্রি হেড বা কান্ট্রি ডিরেক্টর পদে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিদেশি নাগরিকরা কর্মরত। অভিযোগ উঠেছে, এদের অনেকে প্রকৃত বেতন গোপন করে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো থেকে কাজের অনুমোদন নিয়েছেন। শুধু এনজিওকর্মীরাই নন, বেসরকারি খাতে কর্মরত বিদেশিরাও একই কায়দায় কর ফাঁকি ও অর্থ পাচার করছেন।তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশি কর্মীদের তুলনায় বিদেশি কর্মকর্তারা ব্যাংকিং চ্যানেলে কম বেতন দেখিয়ে আয়কর বিভাগে প্রদর্শন করছেন। প্রকৃত বেতনের বড় একটি অংশ নিজ দেশে স্থানান্তর করছেন। উদাহরণস্বরূপ, জার্মানিভিত্তিক এনজিও ওয়েল্ট হাঙ্গার হিলফে-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর পঙ্কজ কুমার প্রতি মাসে সাড়ে ৭ হাজার ইউরো বেতন পেলেও আয়কর বিভাগে মাত্র ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা দেখিয়েছেন। এর বিপরীতে উৎসে কর হিসেবে ২০ হাজার ১৪৬ টাকা প্রদান করেছেন।

    চলতি বছরের এপ্রিলে চীনের একটি কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহীর বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে অর্থ পাচারের প্রমাণ পায় পুলিশের বিশেষ শাখা। এনজিও ব্যুরো এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী, বিদেশি কর্মকর্তাদের স্থানীয় বেতনভাতা সঠিকভাবে ঘোষণা করে অনুমোদন নিতে হয়। তবে বাস্তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই নিয়ম লঙ্ঘন হচ্ছে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান জানান, বিদেশি কর্মীদের কর ফাঁকির অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে।বিমানবন্দরে আয়কর সনদ যাচাই প্রক্রিয়া বর্তমানে চালু রয়েছে, যা ভবিষ্যতে অটোমেশন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

     

    এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, বিদেশি এনজিওগুলো তাদের অনুদানে পরিচালিত হয়। অনুমোদনের সময় বেতন কম দেখানোর বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয় না। তবে আয়কর আইন মেনে কাজ করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

    তথ্যানুসন্ধানে আরও জানা গেছে, এনজিও ব্যুরোর অনুমোদন নিয়েই বিদেশিরা বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার করছে।বেতন কম দেখিয়ে খরপোষ ভাতা প্রদানের অজুহাতে এই অনুমোদন নেওয়া হয়।

     

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।