রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

সাদুল্লাপুরে নয়ানপুর দাখিল মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ, বিক্ষোভ-মানববন্ধন 

সাদুল্লাপুরে নয়ানপুর দাখিল মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ, বিক্ষোভ-মানববন্ধন

 

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নয়ানপুর দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার খাতিজা খাতুন ও পূর্বের পরিচালনা কমিটির সদস্য শেখ ফরিদ ওরফে মজনু বিএসসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

শনিবার (৩ অক্টোবর) মাদ্রাসার সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাদ্রাসার জমিদাতা সাইফুল ইসলাম, স্থানীয় বিএনপি নেতা আবুল হাসান সরকার নয়ন, সহকারী সুপার আব্দুল হামিদ, জামায়াত নেতা মাইদুল ইসলাম লিমন, রতন সরকার, অভিভাবক হাবিবুর রহমানসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ভারপ্রাপ্ত সুপার খাতিজা খাতুন ও পূর্বের কমিটির সদস্য শেখ ফরিদ ওরফে মজনু বিএসসির যোগসাজশে মাদ্রাসার বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়ম করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, শিক্ষার্থীদের নামে কথিত বা ভুয়া তালিকা ব্যবহার করে পাঠ্যবই উত্তোলনের পর সেগুলো বিক্রি করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও তোলেন তাঁরা। বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি গঠন, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়মের আশঙ্কা রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাকালে যেসব ব্যক্তি বা তাঁদের পরিবার প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেছেন, তাঁদের মধ্যে একজন বৈধ জমিদাতাকে প্রস্তাবিত পরিচালনা কমিটিতে রাখা হচ্ছে না। এতে প্রকৃত জমিদাতা ও সংশ্লিষ্টদের অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।

এ ছাড়া মাদ্রাসার শূন্য পদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের আশঙ্কা প্রকাশ করেন অভিযোগকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, গোপনে এডহক কমিটি গঠনের মাধ্যমে পরবর্তীতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম বা অর্থ লেনদেনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত এবং প্রচলিত বিধিবিধান অনুসরণ করা প্রয়োজন। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া কোনো কমিটি গঠন করা হলে এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে বলেও তাঁরা জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান অভিযোগকারীরা। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত এডহক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া তদন্ত, অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু অনুসন্ধান এবং প্রকৃত জমিদাতা, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অন্তর্ভুক্ত করে নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সাদুল্লাপুরে নয়ানপুর দাখিল মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ, বিক্ষোভ-মানববন্ধন 

Update Time : ১০:৩৯:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

সাদুল্লাপুরে নয়ানপুর দাখিল মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ, বিক্ষোভ-মানববন্ধন

 

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নয়ানপুর দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার খাতিজা খাতুন ও পূর্বের পরিচালনা কমিটির সদস্য শেখ ফরিদ ওরফে মজনু বিএসসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

শনিবার (৩ অক্টোবর) মাদ্রাসার সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাদ্রাসার জমিদাতা সাইফুল ইসলাম, স্থানীয় বিএনপি নেতা আবুল হাসান সরকার নয়ন, সহকারী সুপার আব্দুল হামিদ, জামায়াত নেতা মাইদুল ইসলাম লিমন, রতন সরকার, অভিভাবক হাবিবুর রহমানসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ভারপ্রাপ্ত সুপার খাতিজা খাতুন ও পূর্বের কমিটির সদস্য শেখ ফরিদ ওরফে মজনু বিএসসির যোগসাজশে মাদ্রাসার বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়ম করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, শিক্ষার্থীদের নামে কথিত বা ভুয়া তালিকা ব্যবহার করে পাঠ্যবই উত্তোলনের পর সেগুলো বিক্রি করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও তোলেন তাঁরা। বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি গঠন, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়মের আশঙ্কা রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাকালে যেসব ব্যক্তি বা তাঁদের পরিবার প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেছেন, তাঁদের মধ্যে একজন বৈধ জমিদাতাকে প্রস্তাবিত পরিচালনা কমিটিতে রাখা হচ্ছে না। এতে প্রকৃত জমিদাতা ও সংশ্লিষ্টদের অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।

এ ছাড়া মাদ্রাসার শূন্য পদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের আশঙ্কা প্রকাশ করেন অভিযোগকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, গোপনে এডহক কমিটি গঠনের মাধ্যমে পরবর্তীতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম বা অর্থ লেনদেনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত এবং প্রচলিত বিধিবিধান অনুসরণ করা প্রয়োজন। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া কোনো কমিটি গঠন করা হলে এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে বলেও তাঁরা জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান অভিযোগকারীরা। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত এডহক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া তদন্ত, অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু অনুসন্ধান এবং প্রকৃত জমিদাতা, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অন্তর্ভুক্ত করে নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।