
গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে গলাকেটে হত্যা: শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নে নিখোঁজের একদিন পর প্রতিবেশী বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে ইসমতারা নুরমা খাতুন (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
ঘটনার বিবরণ
নিহত নুরমা খাতুন উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের উত্তর পাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে এবং তালতলা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় নুরমা। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
পরদিন সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রতিবেশী হযরত আলীর বাড়ির একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতর তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পরিবারকে সমবেদনা ও আর্থিক সহায়তা
নৃশংসভাবে খুন হওয়া নুরমা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে আজ বিকেলে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ইউনিট সদস্য ও সাবেক জেলা আমীর ডা. আব্দুর রহিম সরকার। তিনি নিহত ছাত্রীর বাবা-মায়ের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের ধৈর্য ধারণের সান্ত্বনা দেন।
এ সময় তিনি জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে এককালীন নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।
বিচার দাবি
উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ডা. আব্দুর রহিম সরকার বলেন:
”একটি মেয়েকে এভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা চরম বর্বরতা। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। অবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িত দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে যেন ভবিষ্যতে আর কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।”
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ
পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর সময় ডা. আব্দুর রহিম সরকারের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন:
জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি নুরুন্নবী প্রধান।
উপজেলা জামায়াতের আমির আবুল হোসেন সরকার।
উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।
তালুককানুপুর ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম ও সেক্রেটারি রুহুল আমিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
গাইবান্ধা প্রতিনিধি 















