বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

গাইবান্ধায় বালু ব্যবসায়ীকে মারধর, লাখ টাকা ছিনতাই ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযো

Oplus_16908288

গাইবান্ধায় বালু ব্যবসায়ীকে মারধর, লাখ টাকা ছিনতাই ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযো

গাইবান্ধায় পূর্ববিরোধের জেরে মো. তাজুল ইসলাম (৩৮) নামে এক বালু ব্যবসায়ীকে মারধর, নগদ এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া এবং তার মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গাইবান্ধা থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ অক্টোবর দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে তাজুল ইসলাম মোটরসাইকেলযোগে গাইবান্ধা নতুন ব্রিজের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে বালু রাখার স্থানে যাচ্ছিলেন। পথে গাইবান্ধা মর্ডান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে শহর রক্ষাকারী বাঁধের ওপর নৌকাঘাট এলাকায় পৌঁছালে পূর্ব থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন তার পথরোধ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে তাজুল ইসলাম বলেন, পথরোধ করে অভিযুক্তরা তাকে গালিগালাজ শুরু করেন। এর প্রতিবাদ করলে লাঠি, লোহার রড, শাবলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে মারধর করা হয়। এ সময় রুহুল আমিন রামদা দিয়ে তার মাথায় আঘাতের চেষ্টা করলে তিনি মাথা সরিয়ে নেন। এতে তার কপালের বাম পাশে গুরুতর জখম হয় এবং সেখানে নয়টি সেলাই দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া মোনারুল ইসলাম মোনা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে তা প্রতিহত করতে গিয়ে তাজুল ইসলামের বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনীর মাঝখানে জখম হয়। সেখানে চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সাখাওয়াত হোসেন লোহার রড দিয়ে তার বাম চোখে আঘাত করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এতে চোখে আঘাতের পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি কিছুটা কমে গেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

এজাহারে আরও বলা হয়, মারধরের একপর্যায়ে তাজুল ইসলাম মাটিতে পড়ে গেলে নুর আলম নুরী তার বুকের ওপর উঠে গলা চেপে ধরেন। পরে কয়েকজন তাকে ধরে রাখার সময় তার প্যান্টের পকেটে থাকা নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ওই টাকা বালু কেনার মূল্য পরিশোধের জন্য বাড়ি থেকে নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় অভিযুক্তরা তাজুল ইসলামের ব্যবহৃত Yamaha FZ মোটরসাইকেলটির হেডলাইট, তেলের ট্যাংক, সাইড কভারসহ বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর চিৎকার ও ঘটনাস্থলের শোরগোলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাকে আবারও মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে অটোবাইকযোগে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

তাজুল ইসলাম বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকায় তার বক্তব্য অনুযায়ী এজাহার লিখে তার ভাতিজা মো. রওশন আলীর মাধ্যমে থানায় পাঠানো হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গাইবান্ধা থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মাহবুব আরা বেগম এর বিরুদ্ধে শিশুকে মারধরের অভিযোগ

গাইবান্ধায় বালু ব্যবসায়ীকে মারধর, লাখ টাকা ছিনতাই ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযো

Update Time : ০৩:৩২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

গাইবান্ধায় বালু ব্যবসায়ীকে মারধর, লাখ টাকা ছিনতাই ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযো

গাইবান্ধায় পূর্ববিরোধের জেরে মো. তাজুল ইসলাম (৩৮) নামে এক বালু ব্যবসায়ীকে মারধর, নগদ এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া এবং তার মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গাইবান্ধা থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ অক্টোবর দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে তাজুল ইসলাম মোটরসাইকেলযোগে গাইবান্ধা নতুন ব্রিজের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে বালু রাখার স্থানে যাচ্ছিলেন। পথে গাইবান্ধা মর্ডান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে শহর রক্ষাকারী বাঁধের ওপর নৌকাঘাট এলাকায় পৌঁছালে পূর্ব থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন তার পথরোধ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে তাজুল ইসলাম বলেন, পথরোধ করে অভিযুক্তরা তাকে গালিগালাজ শুরু করেন। এর প্রতিবাদ করলে লাঠি, লোহার রড, শাবলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে মারধর করা হয়। এ সময় রুহুল আমিন রামদা দিয়ে তার মাথায় আঘাতের চেষ্টা করলে তিনি মাথা সরিয়ে নেন। এতে তার কপালের বাম পাশে গুরুতর জখম হয় এবং সেখানে নয়টি সেলাই দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া মোনারুল ইসলাম মোনা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে তা প্রতিহত করতে গিয়ে তাজুল ইসলামের বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনীর মাঝখানে জখম হয়। সেখানে চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সাখাওয়াত হোসেন লোহার রড দিয়ে তার বাম চোখে আঘাত করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এতে চোখে আঘাতের পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি কিছুটা কমে গেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

এজাহারে আরও বলা হয়, মারধরের একপর্যায়ে তাজুল ইসলাম মাটিতে পড়ে গেলে নুর আলম নুরী তার বুকের ওপর উঠে গলা চেপে ধরেন। পরে কয়েকজন তাকে ধরে রাখার সময় তার প্যান্টের পকেটে থাকা নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ওই টাকা বালু কেনার মূল্য পরিশোধের জন্য বাড়ি থেকে নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় অভিযুক্তরা তাজুল ইসলামের ব্যবহৃত Yamaha FZ মোটরসাইকেলটির হেডলাইট, তেলের ট্যাংক, সাইড কভারসহ বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর চিৎকার ও ঘটনাস্থলের শোরগোলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাকে আবারও মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে অটোবাইকযোগে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

তাজুল ইসলাম বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকায় তার বক্তব্য অনুযায়ী এজাহার লিখে তার ভাতিজা মো. রওশন আলীর মাধ্যমে থানায় পাঠানো হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গাইবান্ধা থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।