বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

Para garantir satisfação, os melhores novos casinos online oferecem apoio ao cliente em português nativo.

গাইবান্ধায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মাহবুব আরা বেগম এর বিরুদ্ধে শিশুকে মারধরের অভিযোগ

গাইবান্ধায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মাহবুব আরা বেগম এর বিরুদ্ধে শিশুকে মারধরের অভিযোগ

শিশুটির বাবার দাবি, দুই দফায় মারধর করে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। গাইবান্ধায় খোদ্দ মালিবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে কাঠের স্কেল দিয়ে মারধর করে আহত করা এবং পরে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোদ্দ মালিবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার রোকন মিয়ার ৮ বছর বয়সী মেয়ে রুকসানা আক্তার খোদ্দ মালিবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ক্লাস চলাকালে বাংলা ক্লাস নেওয়ার সময় সহকারী শিক্ষিকা মাহবুব আরা বেগম কাঠের স্কেল দিয়ে রুকসানাকে মারধর করেন। এতে তার ডান হাতে জখম হয় বলে অভিযোগ করেন শিশুটির বাবা। রোকন মিয়ার অভিযোগ, মারধরের পর তার মেয়ে কান্নাকাটি করে বাড়িতে ফিরে বিষয়টি বাবা-মাকে জানায়। পরে বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানানো হলে তারা সমবেদনা জানান। এরপর গত ৪ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে শিশুটির মা ফরিদা বেগম বিদ্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে বিচার চাইলে ওই শিক্ষিকা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, ওইদিন দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে শিক্ষিকা মাহবুব আরা বেগম ও তার স্বামী আবুল কালাম আজাদ শিশুটির বাড়িতে গিয়ে রোকসানার বাবা-মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং রুকসানা স্কুলে গেলে পুনরায় মারধর করা হবে বলে হুমকি দেন। এর পরদিন ৫ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ক্লাস চলাকালীন ওই শিক্ষিকা আবারও রুকসানাকে মারধর করেন এবং ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করেন শিশুটির বাবা। পরে শিশুটিকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর শিশুটির বাবা মো. রোকন মিয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে ঘটনার তদন্তসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সাংবাদিক কে বক্তব্য দিবেন না বলেন। অভিযোগটি তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা ও দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মাহবুব আরা বেগম এর বিরুদ্ধে শিশুকে মারধরের অভিযোগ

গাইবান্ধায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মাহবুব আরা বেগম এর বিরুদ্ধে শিশুকে মারধরের অভিযোগ

Update Time : ০৩:৪৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

গাইবান্ধায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মাহবুব আরা বেগম এর বিরুদ্ধে শিশুকে মারধরের অভিযোগ

শিশুটির বাবার দাবি, দুই দফায় মারধর করে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। গাইবান্ধায় খোদ্দ মালিবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে কাঠের স্কেল দিয়ে মারধর করে আহত করা এবং পরে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোদ্দ মালিবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার রোকন মিয়ার ৮ বছর বয়সী মেয়ে রুকসানা আক্তার খোদ্দ মালিবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ক্লাস চলাকালে বাংলা ক্লাস নেওয়ার সময় সহকারী শিক্ষিকা মাহবুব আরা বেগম কাঠের স্কেল দিয়ে রুকসানাকে মারধর করেন। এতে তার ডান হাতে জখম হয় বলে অভিযোগ করেন শিশুটির বাবা। রোকন মিয়ার অভিযোগ, মারধরের পর তার মেয়ে কান্নাকাটি করে বাড়িতে ফিরে বিষয়টি বাবা-মাকে জানায়। পরে বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানানো হলে তারা সমবেদনা জানান। এরপর গত ৪ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে শিশুটির মা ফরিদা বেগম বিদ্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে বিচার চাইলে ওই শিক্ষিকা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, ওইদিন দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে শিক্ষিকা মাহবুব আরা বেগম ও তার স্বামী আবুল কালাম আজাদ শিশুটির বাড়িতে গিয়ে রোকসানার বাবা-মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং রুকসানা স্কুলে গেলে পুনরায় মারধর করা হবে বলে হুমকি দেন। এর পরদিন ৫ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ক্লাস চলাকালীন ওই শিক্ষিকা আবারও রুকসানাকে মারধর করেন এবং ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করেন শিশুটির বাবা। পরে শিশুটিকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর শিশুটির বাবা মো. রোকন মিয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে ঘটনার তদন্তসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সাংবাদিক কে বক্তব্য দিবেন না বলেন। অভিযোগটি তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা ও দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।