
গাইবান্ধার কচুয়া ইউনিয়নে গরিবের বন্ধু হিসেবে পরিচিত চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খন্দকার
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ৫ নম্বর কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খন্দকার। নানা বাধা ও প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে জনসেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার চেষ্টা করছেন তিনি। রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা, সামাজিক উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তাঁর পরিচিতি রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খন্দকার। গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মাদ্রাসার সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছেন তিনি। পাশাপাশি বয়স্ক ও বিধবা ভাতাসহ সরকারি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
এলাকার বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানে গ্রাম্য সালিশের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিপদ-আপদে পাশে থাকার চেষ্টা করেন তিনি। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়াই তাঁর অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ব্যক্তিগত জীবনে লিয়াকত আলী খন্দকারকে সহজ-সরল ও সদালাপী মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেন তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তাঁদের মতে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং স্থানীয় সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হওয়ার কারণে তিনি এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন। এ কারণে অনেকেই তাঁকে গরিবের বন্ধু হিসেবে অভিহিত করেন।
চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খন্দকার বলেন, “নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। নিয়মিত অফিস করার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে নিরলসভাবে চেষ্টা করছি। স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আমার প্রত্যাশা, সততা, নিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে কচুয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও উন্নত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।”
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নবাসীর জীবনমান উন্নয়ন এবং এলাকার সার্বিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে তাঁর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
নিয়াম শেখ গাইবান্ধা প্রতিনিধি 











