Category: জাতীয়

  • সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান: পাইপলাইন ধ্বংস।

    সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান: পাইপলাইন ধ্বংস।

    সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান: পাইপলাইন ধ্বংস।

    ​গাইবান্ধা প্রতিনিধি :গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদী সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার বিকেলে উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের ত্রিমোহনী ব্রিজের দক্ষিণ পাশে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    ​অভিযানের বিবরণ
    ​সাঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রী রতন কুমার দত্তের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনের মূল অভিযুক্ত হাসানুর রহমান ও তার সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব না হলেও ঘটনাস্থল থেকে বালু উত্তোলনের বিপুল পরিমাণ পাইপ ভেঙে দেওয়া হয় এবং ড্রেজিং কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
    ​স্থানীয়দের ভোগান্তি
    ​দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে আসছিলেন যে, ত্রিমোহনী এলাকায় অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে নদীভাঙন তীব্র হচ্ছে এবং পরিবেশগত বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। জনস্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
    ​প্রশাসনের বক্তব্য
    ​অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রতন কুমার দত্ত জানান:
    ​”অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত রাখা হবে।”

  • গাইবান্ধায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করে ২ কেজি গাঁজা সহ দুই নারী আটক।

    গাইবান্ধায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করে ২ কেজি গাঁজা সহ দুই নারী আটক।

    গাইবান্ধায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করে ২ কেজি গাঁজা সহ দুই নারী আটক।

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানাধীন মহেষপুর এলাকায় রংপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কে যাত্রীবাহী হাসান নামক একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে দুই নারী মাদক বহনকারীকে গ্রেফতার করেছে ডিএনসি গাইবান্ধা। বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    ডিএনসি সূত্র জানায়, বিশেষ তথ্যের ভিত্তিতে বাসটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে দুই নারী মাদক বহনকারীর পরিহিত বোরকার নিচে পেটের সাথে পেঁচিয়ে লুকানো অবস্থায় ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত নারীরা হলেন—
    ১) মোছা. হোসনে আরা (৩২), স্বামী: মো. মিজানুর রহমান, মাতা: মোছা. জাহানারা খাতুন
    ২) মোছা. আসমা আক্তার (২৭), স্বামী: মো. আমিনুল হক, মাতা: মোছা. আনোয়ারা বেগম
    উভয়ের স্থায়ী ঠিকানা—পাটেশ্বরী, ওয়ার্ড নং ০৫, ইউনিয়ন পাইকেরছড়া, থানা ও উপজেলা ভূরুঙ্গামারী, জেলা কুড়িগ্রাম।

    ঘটনার পর তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা (০১টি) দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী ডিএনসি গাইবান্ধার ‘খ’ সার্কেলের ইন্সপেক্টর মো. মোস্তফা জামান।

  • বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে গৃহবধূকে রাতভর গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

    বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে গৃহবধূকে রাতভর গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

    জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের মোহাম্মদপুকুর গ্রামে গভীর নলকূপের ঘরে নিয়ে এক গৃহবধূকে রাতভর পালাক্রমে গণধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মোহাম্মদপুকুর গ্রামের রুবেল হোসেন (৩৩), ফারুক হোসেন (৪০) এবং রামশালা গ্রামের একরামুল হক (৪২)।

    গত বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটে।

    ভুক্তভোগী গৃহবধূ জয়পুরহাট কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতির জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। প্রশিক্ষণ চলাকালে অভিযুক্ত রুবেল হোসেনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ঘটনার দিন প্রশিক্ষণ শেষে রুবেল কৌশলে তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে তুলে নেন।

    পথে মোহাম্মদপুকুর গ্রামের ফারুক হোসেনের গভীর নলকূপের ঘরে নিয়ে রুবেল, ফারুক এবং একরামুল হক মিলে গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে গৃহবধূ জ্ঞান হারিয়ে ফেললে ওই অবস্থায় রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।

    বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি গৃহবধু তার স্বামীকে জানান। অসুস্থ্য অবস্থায় গৃহবধুর স্বামী চিকিৎসার জন্য তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। এরপর গত শুক্রবার রাতে আক্কেলপুর থানায় এসে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গণর্ধষণের অভিযোগ তুলে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজন আসামীকে গ্রেপ্তার করে।

    জানতে চাইলে থানায় মামলার এক নম্বর আসামি রুবেল হোসেন ধর্ষণের কথা স্বীকার করে বলেন, ওই গৃহবধু নিজ ইচ্ছায় আমাদের কাছে এসেছিলেন। সে তার কিস্তির টাকার জন্য চুক্তিতে এসেছিলেন। আমরা জোরপূর্বক কোনো কিছু করিনি। পরে তার স্বামীকে দিয়ে থানায় মামলা দায়ের করে আমাদের ফাঁসিয়েছেন।

    ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, বিদেশ যাওয়ার জন্য আমার স্ত্রীকে জয়পুরহাট কারিগরি প্রশিক্ষণ (টিটিসি) কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের জন্য ভর্তি করিয়েছিলাম। সেখানে মামলার এক নম্বর আসামিও প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। সে আমার স্ত্রীকে তার মোটরসাইকেলে তুলে বাড়ি পৌছে দেওয়ার কথা বলে দুই নম্বর আসামির গভীর নলকুপে নিয়ে গিয়ে সর্বনাশ করে। একপর্যায়ে আমার স্ত্রী জ্ঞান হাড়িয়ে ফেললে তারা স্ত্রীকে ওই ঘরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরের দিন সকালে গুরুতর অসুস্থ্ অবস্থায় ওই গভীর নলকুপের ঘর থেকে বের হয়ে ঘটনাটি আমাকে খুলে বলে। তখন আমি স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে থানায় মামলা দায়ের করি। আশা করি ন্যায়বিচার পাবো।

    আক্কেলপুর থানার পরিদর্শক (ওসি) আনিছুর রহমান বলেন, ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য বগুড়ায় ভর্তি করিয়েছেন তার স্বামী। সেখানে তার আইনি সব পরীক্ষা হবে। ওই গৃহবধুর স্বামী বাদি হয়ে শুক্রবার রাতে থানায় তিন জনকে আসামী করে একটি এজাহার দেন। এরপর বিষয়টি তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পেলে ওই এজাহার মামলা হিসেবে নিয়ে অভিযান চালিয়ে তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদেরকে আজ (শনিবার) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • ‘জামায়াতের সমর্থন ছাড়া কেউই সরকার গঠন করতে পারবে না’

    ‘জামায়াতের সমর্থন ছাড়া কেউই সরকার গঠন করতে পারবে না’

    জামায়াতের সমর্থন ছাড়া কেউই সরকার গঠন করতে পারবে না বলে দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। 

    শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে  ফরিদপুর জেলা জামায়াত আয়োজনে শহরের কবি জসীমউদদীন হলে উপজেলা দায়িত্বশীলদের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আগামীতে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন ছাড়া কেউই সরকার গঠন করতে পারবে না। ক্ষমতায় আসতে হলে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন লাগবে।

    দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে জামায়াতের এই নেতা বলেন, আগামী নির্বাচনের জন্য জনমত গঠনের বছর ২০২৫ সাল। নির্বাচনী কাজেই এই সময়টি সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পাবে। আগামী নির্বাচনের আগে সারাদেশের প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে জনগণের কাছে জামায়াতের কথা পৌঁছে দিতে হবে। এর জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে যেতে হবে। জনগণের মাঝে ইসলামী বিপ্লবের জাগরণ গড়ে তুলতে হবে।ফরিদপুর আঞ্চলিক সহকারী মো. দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের আঞ্চলিক শাখার সদস্য সামসুল ইসলাম আল বরাটি, অধ্যাপক আব্দুত তাওয়াব, মো. আব্দুস সোবহান ও মো. আজমল হোসাইনসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা জামায়াতের উপজেলা দায়িত্বশীলরা।

  • রাজধানী ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে বৃষ্টির আভাস

    রাজধানী ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে বৃষ্টির আভাস

    মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। ফলে ঢাকাসহ দেশের কয়েক অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চলসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় হালকা বৃষ্টি অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে।

    এ ছাড়া দেশের অন্যান্য জায়গায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

    আবহাওয়া অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বাড়তি অংশ বিহার ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। এ ছাড়া মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, সারাদেশের কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নদী পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এ পরিস্থিতি আগামীকাল রোববারও থাকতে পারে।

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৩১ জানুয়ারি দেশের সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। সংস্থাটি বলছে, সারাদেশে আজ দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে আগামীকাল রোববার সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। এরপর কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

  • অন্তর্বর্তী সরকারকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার বন্ধ করতে হবে: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

    অন্তর্বর্তী সরকারকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার বন্ধ করতে হবে: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

    বাংলাদেশে নির্বিচারে গ্রেপ্তার এবং প্রতিশোধমূলক সহিংসতা বন্ধের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সেটি না হলে সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ব্যাহত হতে পারে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাটি ।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে এইচআরডব্লিউ-এর ৫০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, পুরোনো নিপীড়নমূলক ভূমিকায় ফিরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, যা বাংলাদেশের জন্য সংকট ডেকে আনবে।

    মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশে পুলিশ আবারও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যাচাই বাছাই ছাড়াই ফৌজদারি মামলা দায়ের করছে। এতে পুলিশ যেকোনো ব্যক্তিকে যেকোনো অবস্থায় হয়রানি করার অবাধ সুযোগ পাচ্ছে।

    এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত গুম বিষয়ক অনুসন্ধান কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করারও জোর দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইনের পরিবর্তে অন্তর্বর্তী সরকার যে নতুন অধ্যাদেশ চালু করেছে দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাতে আগের আইনের মতো বেশ কিছু ক্ষতিকর ধারা-উপধারা রাখা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে জানায় এইচআরডব্লিউ।

  • সুরঙ্গ খুঁড়ে সোনালী ব্যাংক ডাকাতির চেষ্টা

    সুরঙ্গ খুঁড়ে সোনালী ব্যাংক ডাকাতির চেষ্টা

    সুরঙ্গ খুড়ে লালমনিরহাটের সোনালী ব্যাংকের একটি শাখায় ডাকাতির চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। তবে লোকজন টের পাওয়ায় দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার বড়বাড়ির সোনালী ব্যাংক শাখায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ব্যাংকের টাকা খোয়া গেছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

    সুরঙ্গ খুড়ে লালমনিরহাটের সোনালী ব্যাংকের একটি শাখায় ডাকাতির চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা।

    সুরঙ্গ খুড়ে লালমনিরহাটের সোনালী ব্যাংকের একটি শাখায় ডাকাতির চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা।

    স্থানীয়রা জানান, ব্যাংকের পেছনের দেওয়ালের নিচে একটি সুরঙ্গ খুঁড়ে ব্যাংকে ঢোকার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। তবে ব্যাংকটির একজন পিয়ন বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশেরর লোকজন ছুটে আসে। এতে পালিয়ে যায় ডাকাতি করতে আসা দুর্বৃত্তরা। ব্যাংকটি থেকে টাকাসহ অন্যকিছু খোয়া গেছে কিনা তা জানতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, পুলিশ ও সেনাবাহিনী বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ

    বড়বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা লিমন বলেন, ব্যাংকটি থেকে টাকাসহ অন্যকিছু খোয়া গেছে কি না তা জানতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, পুলিশ ও সেনাবাহিনী।

    লালমনিরহাট সদর থানার ওসি মোহাম্মদ নূরনবী বলেন, তদন্ত চলছে। তদন্ত সম্পূর্ণ হলে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

  • মাদ্রাসার আন্দোলনরত শিক্ষকদের উপর হামলার দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ সমাবেশ

    মাদ্রাসার আন্দোলনরত শিক্ষকদের উপর হামলার দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ সমাবেশ

    চাকরি জাতীয়করনের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার আন্দোলনরত শিক্ষক দের উপর পুলিশী হামলার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে শহরের গানাসাস মার্কেটের সামনে সামাজিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন দীপান্তর ২৪ এর আয়োজনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।  এ সময় বক্তব্য রাখেন  স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক নুর ইসলাম নুর, হাবিবুল্লাহ নুরী । সংহতি জানিয়ে বক্তব্যদেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জেলা সভাপতি পরমানন্দ দাস, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সম্পাদক,এ্যাডভোকেট নিলুফা ইয়াসমিন শিল্পী, সামাজিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন দীপান্তর ২৪ জেলার সভাপতি এস.এম মনিরুজ্জামান সবুজ সহ অনেকে। এ সময় বক্তারা বলেন,

    এবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করনের দাবি নিয়ে আন্দোলনে যাওয়া ব্যক্তিদের ওপর  ফ্যাসিস্ট কায়দায় যে হামলা চালানো হয় তার তীব্র নিন্দা জানান তারা। ইবতেদায়ি শিক্ষকরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিলো। এই শান্তিপূর্ন আন্দোলনে পুলিশ তাদের ওপর অতর্কীত হামলা করে আহত করেছে। শিক্ষকদের ওপর ন্যাক্কারজনক এই হামলার ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। যারা এই হামলা চালিয়েছে তাদের সুষ্ঠু বিচার করতে হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের সাথে বসে এর সমাধান করতে হবে। তারা অতিদ্রুত দেশের সকল এবতেদায়ী মাদ্রাসার সকল শিক্ষকদের চাকরী জাতীয়করনের জোর দাবি জানান ।

    প্রসঙ্গত: গত রোববার দুপুরে ঢাকার শাহাবাগে চাকরি জাতীয়করণসহ ছয় দফা দাবীতে অবস্থান নেওয়া ইবতেদায়ি শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার একপর্যায়ে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান নিক্ষেপ করে পুলিশ।

  • অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে ভুলবুঝাবুঝি সময়ের অপচয় : তারেক রহমান

    অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে ভুলবুঝাবুঝি সময়ের অপচয় : তারেক রহমান

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাথে কোনো ভুল বুঝাবুঝি অযথা কুট তর্ক সময়ের অপচয় বলে মনে করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, জনগণ যদি বৃহত্তর স্বার্থে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা ধৈর্য্য ধরে মানতে পারে, মেনে নিতে পারে, তাহলে যারা সরকারে রয়েছেন তাদের ধৈর্য্য ও সহনশীলতা আরও অনেক বেশি থাকা জরুরি।

    বিএনপি মনে করে, জনগণকে নিয়ে রাজনীতি নয় বরং জনগণের জন্যই রাজনীতি। এই কারণে বিএনপি যেকেনো মূল্যে দেশের জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায় নিশ্চিত করতে চায়। জাতীয় শিক্ষক দিবস এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির ও বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গতকাল শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন প্রাঙ্গনে আয়োজিত শিক্ষক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তরুণরা নতুন দল করলে বিএনপি স্বাগত জানাবে মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, দেশের ছাত্র-তরুণরা রাষ্ট্র রাজনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহী হয়ে পড়েছে। এটি অবশ্যই একটি ইতিবাচক দিক। এসব তরুণরাই গত দেড় দশকে একটি নির্বাচনেও ভোট দিতে পারেনি। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার বঞ্চিত এসব তরুণদের কেউ যদি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করে অবশ্যই বিএনপি সেই উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। তবে রাজনৈতিক দল গঠন করতে গিয়ে কেউ যদি রাষ্ট্রীয় কিংবা প্রশাসনিক সহায়তা নেন সেটি জনগণকে হতাশ করবে, কিংবা অন্য রাজনৈতিক দলের প্রতি তাদের আচরণ কিংবা বক্তব্য যদি ঝগড়াসুলভ অথবা প্রতিহিংসামূলক হয় সেটিও জনগণের কাছে হবে অনাকাক্সিক্ষত।

    তিনি বলেন, অবশ্যই আজকের তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ। অতীত থেকে বেরিয়ে এসে তারণরা নতুন পথ রচনা করবে। তবে কোনো প্রশ্নবিদ্ধ পথে নয়, পথটি হওয়া উচিত স্বচ্ছ এবং স্বাভাবিক।
    নির্বাচন নিয়ে বির্তক সৃষ্টি পলাতক ফ্যাসিস্টদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনই হচ্ছে জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায় নিশ্চিত করার অন্যতম প্রধান কার্যকরী হাতিয়ার। নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে বির্তক সৃষ্টি করার অর্থ নিজেদের অজান্তে পরাজিত পলাতক ফ্যাসিস্টদের অবস্থানকে শক্তিশালী করা।

    দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের কোনো কার্যক্রম নিয়ে কেউ যাতে বিভ্রান্তি ছাড়ানো কিংবা বির্তক সৃষ্টি হওয়ার লিপ্ত হওয়ার সুযোগ না পায় সে বিষয়ে অবশ্যই আপনাদেরকে সজাগ থাকতে হবে। জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতা উৎস। জনগণ সঙ্গে থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই আমাদেরকে পরাজিত করতে পারবে না ইনশাল্লাহ।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমি শিক্ষক-বুদ্ধিজীবী-সাংবাদিকসহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই, পূঁথিগত বিধির ওপরে গণতন্ত্রের বিকাশ নির্ভর করে না। গণতন্ত্র বিকশিত এবং শক্তিশালী হয় প্রতিদিনের কার্যক্রম, আচরণে এবং চর্চায়। আমাদের মধ্যে অবশ্যই ভিন্নমত ভিন্ন পথ থাকবে এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য্য। তবে আমাদের উদ্দেশ্য এক এবং অভিন্ন, আমাদের সবার উদ্দেশ্য একটি উদার, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন, মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে মাফিয়া প্রধান দেশ ছেড়ে পালানোর পর মাফিয়ামুক্ত বাংলাদেশের সামনে গণতান্ত্রিক বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার এক অপার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। পলাতক স্বৈরাচার এবং তাদের দোসরদের ষড়যন্ত্র কিংবা বাংলাদেশের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তির মধ্যে অযাচিত ভুল বুঝাবুঝির কারণে যাতে একটি গণতান্ত্রিক বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সুযোগ এবং সম্ভাবনা হুমকির সম্মুখিন না হয় এ ব্যাপারে আমাদের সবাই অত্যন্ত সর্তক থাকতে হবে।

    নির্বাচন ও সংস্কার দুইটাই জরুরি মন্তব্য করে তিনি বলেন, সংস্কার নাকি নির্বাচন, কেউ কেউ এমন উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রশ্ন নিয়ে কূট তর্ক করার অপচেষ্টা করেছে। আমরা যদি দেশের বিরাজমান পরিস্থিতি দেখি তাহলে কিন্তু সেটি ভিন্ন। দেশের কোটি কোটি পরিবারের কাছে এই মুহূর্তে নির্বাচন এবং সংস্কারের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সংসার পরিচালনা করা। একদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊধর্বগতি অপরদিকে জনগণের চাপিয়ে দেয়া ভ্যাটের বোঝা। ফলে দেশের কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর, স্বল্প আয়ের মানুষ এমনকি নি¤œ-মধ্যভিত্ত পরিবারের কাছেও সংসার টেকানোই অনেক ক্ষেত্রে দায় হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবারে চলছে নিরব হাহাকার। কিভাবে জনগণের নিত্যদিনের দুঃখ-দুদর্শা লাগব করা যায়? বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে দ্রব্যমূল্য জনগণের হাতের নাগালে রাখা যায়? কিভাবে জনগণকে ফ্যাসিস্টদের আমলে মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই দেয়া যায়? কিভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় করা সম্ভব, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়? অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সামনে অগ্রাধিকারের তালিকায় এই বিষয়গুলো থাকা অত্যন্ত জরুরি।

    তারেক রহমান বলেন, জনগণ বিশ্বাস করে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মতো সর্বজন সমর্থিত একটি নির্দলীয় অরাজনৈতিক সরকারের পক্ষেই বাজার সিন্ডিকেটের কবল থেকে জনগণকে মুক্তি দেয়া সহজ। তাহলে এখন প্রশ্ন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এতোদিনেও কেনো বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ? জনগণের ওপরে কেনো উল্টো ভ্যাটের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে, এখনো কেনো বাজার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য চলছে। এমন পরিস্থিতিতে জনগণের মনে প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক তাহলে কি সরকারের কেউ কেউ অন্য কোনো ইস্যুতে বেশি মনোযোগী নাকি সরকার পারছে না?
    তিনি আরো বলেন, সরকারের নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আমরা মনে করি, এই সরকারকে ব্যর্থ হতে দেয়া যাবে না। কারণ হাজারো শহীদের রক্ত মাড়িয়ে একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে এই সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে।

    শিক্ষক-কর্মচারি ঐক্যজোটের সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় শিক্ষক সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ বিভিন্ন জেলার শিক্ষকরা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আনম এহসানুল হক মিলনসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • দূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার বাতাস ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’

    দূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার বাতাস ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’

    বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। দ্বিতীয় নম্বরে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। রোববার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এ তথ্য।বিশ্বের বায়ুদূষণ তালিকার শীর্ষে অবস্থান করা লাহোরের দূষণ স্কোর ২৩৭ অর্থাৎ এই শহরের বাতাস খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকার দূষণ স্কোর ২১৮ অর্থাৎ ঢাকার বাতাসও খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

    তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। এই শহরটির দূষণ স্কোর ১৯২। বলা যায়, সেখানকার বাতাসও অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

    এদিকে চতুর্থ নম্বরে রয়েছে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন শহর এবং পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে উজবেকইস্থানের তাশকেন্ত শহর।

    স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।

    ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।