Category: জাতীয়

  • যেতে হবে না ভারতে, হাসপাতাল করবে চীন ও তুরস্ক

    যেতে হবে না ভারতে, হাসপাতাল করবে চীন ও তুরস্ক

    দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকেই বাংলাদেশী রোগীদের আনাগোনা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে প্রতিবেশী দেশ ভারতে। গত বছর চিন্ময় ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার কয়েকটি হাসপাতাল এবং কয়েকজন চিকিৎসক বাংলাদেশী রোগী দেখবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর বাংলাদেশ থেকে রোগী আসা প্রায় ৭০ শতাংশ কমে যায়। এবার বোধহয় বাংলাদেশীদের চাপে ফেলতে পারবে এমনটাই প্রত্যাশা ছিল ভারতীয়দের। কিন্তু বিধি বাম উল্টো, যেসব হাসপাতাল বাংলাদেশী রোগীদের উপরে অনেকটাই নির্ভরশীল ছিল, তারাই খেল সবচেয়ে বড় ধাক্কা।

    কলকাতাসহ ভারতের অন্যান্য শহরে হাসপাতাল ব্যবসায় ব্যাপক ধ্বস নেমেছে। ভারতীয়রা বাংলাদেশীদের বিপাকে ফেলার ছক কষতে যেয়ে নিজেরাই যে বিপাকে পড়বেন এমনটা হয়তো তারা বুঝতে পারেননি। হাসপাতালগুলো থেকে শুরু করে বাংলাদেশী পর্যটক প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসায়, আরো বিপাকে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের হোটেল, রেস্তুরাগুলো।

    আর রোগীর অভাবে প্রায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ভারতের একের পর এক হাসপাতাল। এছাড়াও ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পড়েছে ভারতীয় রুপির দাম। ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৫ লাখ রোগী চিকিৎসার জন্য ভারতে যায়। এতে ভারতের স্বাস্থ্য সেবা নিতে তাদের বছরে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়।এমন পরিস্থিতিতে চীন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করতে চায়। চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াওয়েন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাতে ঢাকায় বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণে এর সহায়তা এবং চীনের রোগী পাঠানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তাছাড়া চীনের সহযোগিতায় ঢাকার পূর্বাচলে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাবনা রয়েছে যার জমিসহ অন্যান্য সুবিধা দিতে বাংলাদেশ সম্মতি জানিয়েছে।

    মন্ত্রণালয় জানায়, চীনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফরে বাংলাদেশী নাগরিকদের উন্নতমানের চিকিৎসার জন্য চীনের কুনবিং এ তিন থেকে চারটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্ধারণ করে দেয়ার অনুরোধ জানাবে ঢাকা। এর আগেও চীন, তুরস্ক ও সৌদি আরবের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক মানের আলাদাভাবে হাসপাতাল তৈরির প্রস্তাব এসেছিল করোনাকালে। সে সময় তিন দেশই তাদের প্রস্তাবে বলেছে, বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর যত মানুষ উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান, তাদের কথা মাথায় রেখেই এদেশে আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল তৈরির আগ্রহ তাদের।

    সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ ও থাইল্যান্ডের বামরুদগ্রাত হাসপাতালের আদলে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল তৈরি করতে চায় এই তিন দেশ। তবে শেখ হাসিনা সরকার এ প্রস্তাবে রাজি হয়নি এর কারণ হাসিনার বন্ধু মোদির দেশ ভারতের রোগী যাতায়াত কমে যাবে। বাংলাদেশী রোগীদের ভারত নির্ভরশীলতা কমে যাওয়ার ভয়ে পলাতক হাসিনা সরকার তখন রাজি হয়নি। এদিকে প্রতিবছর প্রায় ২৫ লাখ বাংলাদেশী ভারতে চিকিৎসার জন্য যায় আর প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়। এতে সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে ভারত আর আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল তৈরি হলে ভারতের ওপর থেকে চিকিৎসাখাতে একক নির্ভরশীলতা কমে যাবে বাংলাদেশীদের।

  • টিকটককে ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প

    টিকটককে ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প

    প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টিকটককে আইনি বাধ্যবাধকতা পালনের জন্য ৭৫ দিনের সময় দিয়ে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। সোমবার ওভাল অফিসে এটি স্বাক্ষরের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, টিকটকের বিষয়ে প্রতিটি ধনী মানুষ আমাকে ফোনকল করেছেন। খবর বিবিসির।

    নির্বাহী আদেশে উল্লেখ করা সময়ের মধ্যে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, সাময়িক এই পদক্ষেপ আমার প্রশাসনকে টিকটকের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই একটি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ এনে দেবে।

    বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত বছর টিকটিক বিষয়ক একটি আইনে স্বাক্ষর করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যে সময়ে এটা বন্ধ করা হয়েছিল তা দুঃখজনক। যুক্তরাষ্ট্রে শনিবার টিকটক বন্ধ হয়ে গেলেও রোববার আবার তা চালু হয়।

    স্থানীয় সময় সোমবার (২০ জানুয়ারি) দ্বিতীয়বারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওভাল অফিসে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর যেসব নির্বাহী আদেশে সই করেন তার মধ্যে একটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি। আর একটি জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন সংক্রান্ত। এগুলো সই করার পরে ট্রাম্প বলেন, এটি একটি বিশাল সিদ্ধান্ত।

     

    কেউ যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলে তিনি জন্মসূত্রে দেশটির নাগরিকত্ব পান। এই বিধান বাতিলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। শপথ নেওয়ার পর এ সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশে সই করেন ট্রাম্প। তবে শুধু নির্বাহী আদেশ দিয়েই এই নীতি পরিবর্তন করা কঠিন। কারণ মার্কিন সংবিধানেই জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।

    অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বন্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি। সেই সঙ্গে যে ‘লাখ লাখ অপরাধী’ অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে, তারা যেখান থেকে এসেছে, সেখানে ফেরত পাঠানো হবে।

     

    ট্রাম্পের রিমেইন ইন মেক্সিকো বা ‘মেক্সিকোতেই থাকো’ নীতি ফের কার্যকর করা হবে। সীমান্ত এলাকায় আরও সৈনিক ও জনবল পাঠানো হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি। মাদক চক্র বা কার্টেলগুলো বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করা হবে এসব নির্বাহী আদেশে।

  • বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হাতাহাতি, আহত ৩

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হাতাহাতি, আহত ৩

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজধানীর মিরপুরের থানা কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে দু’পক্ষের হাতাহাতির ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    গতকাল শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরের রূপায়ণ টাওয়ারে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মিরপুর মণিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী নাহিয়ান, ঢাকা পলিটেকনিকের ছাত্র শিক্ষার্থী রনি ও সাফরান।

    ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) মিরপুরের সাত থানা নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে কমিটি নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা। এ নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরে ঝামেলা চলছিল। পদপ্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকায় পদ দেওয়া হয়নি। পদ না পাওয়ায় আগেই ঝামেলা করবে ঘোষণা দিয়েছিল তারা। যারা পদ পাননি তারা সন্ধ্যা থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কার্যালয়ে এসে বাগবিতণ্ডা শুরু করেন। এতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সেল সম্পাদক (দপ্তর) জাহিদ আহসান বলেন, কিছু লোক এসে মিরপুর থানায় যুক্ত হতে চায়। তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। কথা-কাটাকাটি হয়েছে, তবে হাতাহাতি বা হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।

  • চার অতিরিক্ত ডিআইজি ও ১৬ পুলিশ সুপারকে বদলি

    চার অতিরিক্ত ডিআইজি ও ১৬ পুলিশ সুপারকে বদলি

    বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার চারজন ও পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১৬ কর্মকর্তাসহ ২০ জনকে বদলি করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষারিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়।

    বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মেট্রোপলিটন, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়, ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, পিবিআই, ডিএমপি, শিল্পাঞ্চল পুলিশ ও আরআরএফসহ বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।

  • বিয়ে করতে আর ট্যাক্স দিতে হবে না: আইন উপদেষ্টা

    বিয়ে করতে আর ট্যাক্স দিতে হবে না: আইন উপদেষ্টা

    বিয়ে সম্পাদনে আরোপিত কর (ট্যাক্স) বাতিল করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।আইন উপদেষ্টা বলেন, বিয়ে সম্পাদনে আরোপিত একটি কর ছিল, আইন মন্ত্রণালয় এ অযৌক্তিক কর বাতিল করেছে।

    তিনি বলেন, ‘বিয়ের ফরমে লেখা থাকতো বিবাহিতা নাকি কুমারী। এটা একটা মেয়ের জন্য অমার্যাদাকর শব্দ। সেটা আমরা অবিবাহিতা করে ফেলেছি। এমন ছোটো ছোটো অনেক কাজ করেছি। আরও অনেক কাজ করার চিন্তা আছে।’

    এ সময় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘বিয়ের ট্যাক্সে আজকে সাইন করলাম। আপনি ট্যাক্স ছাড়া বিয়ে করতে পারবেন।’

    উল্লেখ্য, সিটি করপোরেশন মডেল ট্যাক্স তফসিল ২০১৬ সালে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বিয়ের ওপর বিভিন্ন করের হারের বিধান করে। এক্ষেত্রে করের টাকা পরিশোধ করতে হবে পাত্র পক্ষকে।

    তপশিলের ১৫২ ধারায় বলা হয়েছে, প্রথম বিবাহ বা প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পরে বিবাহের জন্য একজন পুরুষকে বিয়ের পিড়িতে বসার আগে ১০০ টাকা ফি দিতে হবে। প্রথম স্ত্রীর জীবদ্দশায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে ৫ হাজার টাকা, প্রথম দুই স্ত্রীর জীবদ্দশায় তৃতীয় বিয়ের জন্য ২০ হাজার টাকা দিতে হবে।

    তপশিল অনুযায়ী, চতুর্থ বিয়ের জন্য ৫০ হাজার টাকা কর দিতে হবে। স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ বা নিঃসন্তান হলে এই নিয়ম কার্যকর হবে না। তবে, সেক্ষেত্রে ২০০ টাকা দিতে হবে।

  • মার্চের মধ্যে বদল হচ্ছে ২৬ জেলার ডিসি

    মার্চের মধ্যে বদল হচ্ছে ২৬ জেলার ডিসি

    দেশের ২৬ জেলায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে রদবদল হচ্ছে। মার্চের মধ্যে নতুন ফিটলিস্ট তৈরিতে ইউএনও ও এডিসি পদের কাজের অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিল হচ্ছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বলছে, বঞ্চিতরা যাতে নিয়োগ পেতে পারেন সে জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতনের পর ৬৪টি জেলায় ডিসি পদে আনা হয় পরিবর্তন। কিন্তু সেখানে আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী অনেকে জায়গা পান বলে অভিযোগ ওঠে। এ অবস্থায় নতুন করে ডিসি নিয়োগের ফিটলিস্ট তৈরি হচ্ছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বাবুল মিঞা জানান, বর্তমানে জেলা প্রশাসক পদে ২৪ ব্যাচের ২৬ জন, ২৫ ব্যাচের ২৬ জন আর ২৭ ব্যাচের ১২ জন কর্মরত আছেন। ২৪ ব্যাচের কর্মকর্তাদের যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির ফিটলিস্ট হচ্ছে।

    ফলে এই ব্যাচের সবাইকে মার্চের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এসব জেলায় ডিসি পদে নিয়োগের জন্য ২৫, ২৭ এবং ২৮ ব্যাচের কর্মকর্তাদের ফিটলিস্ট করা হচ্ছে।

    প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদে কাজ না করলেও ডিসি হতে পারবেন। তবে মাঠ প্রশাসনের যে কোনো পর্যায়ের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

    এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলছেন, যোগ্য-সৎ কর্মকর্তাদের বাছাই করে ডিসি নিয়োগ দিতে হবে।

    ইউএনও এবং ডিসি পদেও রদবদল করা হবে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বেরিয়ে যেতে নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের সই

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বেরিয়ে যেতে নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের সই

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবারের (২০ জানুয়ারি) এই শপথ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দ্বিতীয় মেয়াদে দেশটির রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসলেন তিনি।  বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প শপথ নেওয়ার পর একের পর এক নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন।

    হোয়াইট হাউজে ফিরে এসে ওই আদেশে সই করার সময় তিনি বলনে, ওহ! এটি বড় একটি সিদ্ধান্ত। তিনি আরও বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় এতো দিন অন্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র ‘অন্যায্য পরিমাণে’ অর্থ প্রদান করেছে।

    কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্প এবং তখনই তিনি এ প্রতিষ্ঠান থেকে বের হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। পরে জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সে সিদ্ধান্ত বাতিল করেন।

    তবে এবার এই নির্বাহী আদেশটি যেহেতু ক্ষমতা গ্রহণের প্রথমদিনেই স্বাক্ষরিত হয়েছে, তাই এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে দেশটির আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

    দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তীব্র সমালোচনা করে আসছিলেন ট্রাম্প। এ ছাড়া প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার আদেশেও সই করেন ট্রাম্প।

    অন্যদিকে শপথ নেওয়ার পর ট্রাম্প বাইডেন আমলের ৭৮টি নির্বাহী আদেশ বাতিল করেছেন।

    ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল ওয়ান অ্যারেনার মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হিসেবে প্রথম ভাষণে তিনি বলেন, শিগগিরই বাইডেন আমলের সব নির্বাহী আদেশ বাতিল করবেন তিনি।

    এর কিছুক্ষণ পরই তিনি যেসব নির্বাহী আদেশে সই করেছেন তার মধ্যে শুরুতেই তিনি বাইডেন আমলের ৭৮টি নির্বাহী আদেশ বাতিল করেন।

  • মহাকাশে ফেরেশতাদের জিকিরের ধ্বনি রেকর্ড করেছে নাসা

    মহাকাশে ফেরেশতাদের জিকিরের ধ্বনি রেকর্ড করেছে নাসা

    মহাকাশের নিঃশব্দতা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিশ্বাসে চমকপ্রদ পরিবর্তন ঘটিয়েছে নাসা। সম্প্রতি নাসার একটি গবেষণায় উঠে এসেছে মহাশূন্যে প্রতিনিয়ত শব্দ হচ্ছে।

    এই শব্দগুলোর উৎস হিসেবে গবেষকরা সেগুলোকে একসঙ্গে গাইতে থাকা ‘বিলিয়ন বিলিয়ন মানুষের গান’ এর মত বর্ণনা করেছেন। গবেষকরা এই শব্দ রেকর্ডও করেছেন, যা শোনা যায় সিজদায় থাকা ফেরেশতাদের জিকিরের ধ্বনির মতো।

    এমনকি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি হাদিসের কথা মনে পড়ে যায় যেখানে তিনি বলেছেন, “মহাকাশে প্রচণ্ড কাঁপুনির শব্দ হচ্ছে, কারণ সেখানে ফেরেশতারা আল্লাহর জিকিরে মগ্ন আছেন।”

    ১৪০০ বছর আগে মহানবী (সা.) এই শব্দের বর্ণনা দিয়েছিলেন, যা এখন নাসার গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।

    নাসার গবেষণায়, মহাকাশের বিভিন্ন কণা এবং নক্ষত্রের রেডিয়েশন থেকে এই শব্দের উৎপত্তি হয়, যা ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ আকারে থাকে এবং পরে শব্দতরঙ্গে রূপান্তরিত হয়।যদিও নাসা এই শব্দগুলোর উৎস হিসেবে নক্ষত্রের চুম্বক ক্ষেত্র বা মহাবিশ্বের প্রাচীন বিস্ফোরণকে প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছে, তবে এর সাথে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বর্ণনা পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে।

    এবারের এই আবিষ্কার প্রমাণিত করেছে যে, মহাকাশের সেই “শব্দ” আসলে ফেরেশতাদের জিকিরের ধ্বনি হতে পারে। তবে, এর প্রকৃত উৎস আল্লাহই ভালো জানেন।

  • গাইবান্ধা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

    গাইবান্ধা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

    গাইবান্ধায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে নূর মোহাম্মদ নয়ন  নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।অনাদায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম নাসিম রেজা  এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    ২০১৯ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর , গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পূর্ব সোনারায় গ্রামের আব্দুল মতিন এর ছেলে নূর মোহাম্মদ নয়নের সাথে   পার্শ্ববর্তী চাচিয়া মীরগঞ্জ  গ্রামের গোলেনুর  বেগমের মেয়ে মৌমিতা আক্তার লতার   বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে প্রায়ই মৌমিতা আক্তার লতাকে  শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন নূর মোহাম্মদ নয়ন ।

    এরই  ধারবাহিকতায় ২০১৯ সালের ২৩ শে সেপ্টেম্বর রাতে  মৌমিতা আক্তার লতাকে  মারধর করে। এক পর্যায়ে   গলাটিপে ধরে  শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

    পরে মৌমিতা আক্তার  লতার মা  গোলেনুর বেগম  নূর মোহাম্মদ নয়নকে আসামি করে মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে নূর মোহাম্মদ নয়ন অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আজ এ রায় দেন।

  • বিএনপি নেতার অস্ত্র লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল

    বিএনপি নেতার অস্ত্র লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিএনপি নেতা লিয়াকত আলির পিস্তল লেনদেনের এক মিনিট ৫২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।রোববার (১৯ জানুয়ারি) রাতে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।লিয়াকত আলি দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী টেবিলের নীচ থেকে একটা পিস্তল টেবিলের উপরে রাখেন। তার পাশের চেয়ারে বসা এক যুবক সেই পিস্তলটি হাতে নেন এবং বিভিন্ন কায়দায় চেক করছেন। এ সময় তাদের সামনে আরও দুজন ব্যক্তি বসে ছিলেন।

    লিয়াকত আলী নিজ অফিস কক্ষে বসে অস্ত্র মাদক ব্যবসা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নিজ অফিস কক্ষে বসে অস্ত্র বিক্রি করছিলেন বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। তার বিরুদ্ধে মাদক অস্ত্রসহ ৭-৮টি মামলা রয়েছে।

    অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য লিয়াকত আলির সঙ্গে যোগাযোগ চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    এ দিকে খবর পেয়ে ওইদিন ভোরে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীচর এলাকায় তার বাড়িতে অভিযান চালান যৌথবাহিনী। অভিযান চালিয়ে ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ নগদ টাকা ও এক হাজার পিচ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করে। এ সময় বিএনপি নেতার ছেলে ও স্ত্রীকে আটক করে যৌথবাহিনী। অভিযানের সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশের অভিযানে সাবেক ইউপি সদস্য লিয়াকতের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ নগদ টাকা ও এক হাজার পিচ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় তার স্ত্রী ও ছেলেকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    বিষয়টি নিয়ে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শহিদ সরকার মঙ্গল গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না।  যদি এমন হয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।