Blog

  • থার্টি ফার্স্ট নাইটে ফানুস-পটকা উৎসবে ২ শিশু দগ্ধ

    থার্টি ফার্স্ট নাইটে ফানুস-পটকা উৎসবে ২ শিশু দগ্ধ

    রাজধানীতে থার্টি ফার্স্ট নাইটে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে ফানুস ও আতশবাজি পোড়ানোর ঘটনায় দুই শিশু দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক (আরএস) ডা. শাওন বিন রহমান।

    বুধবার (১ জানুয়ারি) জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট থেকে জানা যায়, ইংরেজি নতুন বছর বরণে পটকা ফোটানোর কারণে দুই শিশু দগ্ধ হয়ে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। এদের মধ্যে একজনের নাম ফারহান (৮)। তার শরীরের ১৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আরেক শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের বিস্তারিত ঘটনা জানা যায়নি।

    আহত শিশুদের পরিবারের বরাত দিয়ে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক (আরএস) ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, নতুন বছর বরণ করতে রাস্তাঘাটে পটকা ফোটানোর কারণে তারা দগ্ধ হয়েছে।এর আগে ডিএমপির নির্দেশনা অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে যেকোনো অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত নিষিদ্ধ ছিল। পাশাপাশি, সব বার বন্ধ রাখা এবং হোটেলগুলোর সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠান আয়োজনের শর্ত জারি করা হয়। তবে বাস্তবে ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টার পরপরই চারদিক কাঁপিয়ে আতশবাজি ও পটকা ফোটাতে থাকে। এর পাশাপাশি ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় সাউন্ড বক্সের মাধ্যমে উচ্চ স্বরে গান বাজানো চলমান থাকে বলে জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন রাজধানীবাসী।

  • নববর্ষ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা

    নববর্ষ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা

    খ্রিষ্টীয় নতুন বছর-২০২৫ উপলক্ষে দেশবাসী ও প্রবাসী বাঙালিসহ বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    আগামীকাল খ্রিষ্টীয় নতুন বছর উপলক্ষে মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, নতুনের আগমনী বার্তা আমাদের উদ্বেলিত করে, নব উদ্যমে সুন্দর আগামীর পথচলার জন্য অনুপ্রেরণা যোগায়। নতুন বছরের এই মাহেন্দ্রক্ষণে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নতুন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উন্নতির নতুন শিখরে আরোহণে অঙ্গীকারবদ্ধ বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার লাখো শহিদের রক্ত ও গত জুলাই-আগস্ট মাসে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অর্জিত স্বাধীনতাকে সর্বদা সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার করছে। আমরা দেশকে ভালোবাসবো, দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করবো এবং যেকোনো সন্ত্রাসবাদকে প্রতিহত করবো।

    নতুন বছরে মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি, সৌহার্দ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও জোরদার হোক এই কামনা করে তিনি বলেন, খ্রিষ্টীয় নতুন বছর ২০২৫ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।
  • নতুন টেলিভিশন চ্যানেল ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু

    নতুন টেলিভিশন চ্যানেল ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু

    দেশে নতুন সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ‘বিটিভি নিউজ’ যাত্রা শুরু করেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে এ চ্যানেলটির সম্প্রচার শুরু হবে।

    বিকেলে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ফেসবুক পেজে বিষয়টি জানানো হয়।

    বিটিভি নিউজ-এর লোগোসহ প্রকাশিত ঐ পোস্টে জানানো হয়, নতুন প্রত্যয়ে সংবাদভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন চ্যানেল হিসেবে আজ সন্ধ্যা ৭টা থেকে যাত্রা শুরু করবে ‌‌‘বিটিভি নিউজ’।বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) দেশের প্রথম টেলিভিশন চ্যানেল, যার যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে। পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালে এটি পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশনের অধীনে আসে এবং ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।বর্তমানে বিটিভি দেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচারের মাধ্যমে দেখতে পারে। বিটিভি এখন সংবাদসহ নানা ধরনের অনুষ্ঠান প্রচার করে আসছে, তবে বিটিভি নিউজ শুধু সংবাদ প্রচারের জন্য বিশেষায়িত চ্যানেল হিসেবে কাজ করবে।

  • গাজায় তীব্র শীতে নবজাতকের মৃত্যু

    গাজায় তীব্র শীতে নবজাতকের মৃত্যু

    গাজায় তীব্র শীতে আরও এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) মধ্য গাজার আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যু হয় তার। এক মাস বয়সী ওই শিশু হাইপোথার্মিয়ায় মারা গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে সেখানে অন্তত ৬ শিশুর মৃত্যু হলো। ওই শিশুর যমজ ভাইও হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

    চিকিৎসকদের মতে, গত কয়েকদিনে গাজায় শীত ও ঠান্ডায় শিশু মৃত্যু হার বেড়েছে।গত প্রায় ১৫ মাস ধরে গাজায় নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এসব হামলায় প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে ফিলিস্তিনিরা। তারওপর সেখানে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। হামলার পাশাপাশি শীতেও মারা পড়ছে অসহায় ফিলিস্তিনিরা।

    মৃত শিশুর বাবা ইয়াহিয়া আল-বাত্রান রয়টার্সকে জানান, গাজা উপত্যকার কেন্দ্রীয় অঞ্চলে একটি অস্থায়ী তাবুতে থাকতেন তারা। তাদের যমজ সন্তান জুমা ও আলি। গত কয়েকদিনের তীব্র শীত ও ভারী বৃষ্টিতে তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

    তিনি বলেন, ‘গত রবিবার স্ত্রী নুরা জুমাকে জাগানোর চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু সে উঠছিল না। আমি জুমাকে তুলে দেখি, সে সাদা হয়ে গেছে এবং বরফের মতো ঠান্ডা, জমে গেছে। আমি আলির কথা জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বললেন সেও উঠছে না। তখনই হাসপাতালে নেওয়া হয় তাদের।’

    জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় মানবিক পরিস্থিতি আরও বিপর্যস্ত অবস্থায় পৌঁছে গেছে। সেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর স্থল অভিযান ও বোমা হামলায় ৯০ শতাংশ মানুষকে অন্তত একবার বাস্তুচ্যুত হতে হয়েছে। কিছু মানুষ বহুবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। গাজায় দ্বিতীয় শীতের যুদ্ধে বারবার বাস্তুচ্যুত এসব মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

    ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা গাজায় খাদ্য, পানি, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং আশ্রয়ের জিনিসপত্র বহনকারী হাজার হাজার ত্রাণ ট্রাক ঢুকতে দিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো বলেছে, ইসরায়েলি বাহিনী ত্রাণ সরবরাহে বাধা দিচ্ছে, যার ফলে মানবিক সংকট আরও তীব্র হচ্ছে।

    উত্তরের শহর বেইত লাহিয়ার বাসিন্দা ইয়াহিয়া আল-বাত্রানের পরিবার যুদ্ধের শুরুতেই তাদের বাড়ি ছেড়ে আল-মাঘাজি নামে একটি উন্মুক্ত বালিয়াড়ি এবং ঝোপঝাড়ে ঢাকা এলাকায় চলে আসে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এই এলাকাকে মানবিক এলাকা হিসেবে নির্ধারণ করেছিল।

    পরে আল-মাঘাজিতেও হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। তখন তারা কাছের দেইর আ ল-বালাহ শহরের আরেকটি  শরণার্থী শিবিরে চলে আসে।

    এই এলাকার চারপাশে বহু তাবু। কয়েক মাসের ব্যবহারে এরই মধ্যে সেগুলো ছিড়ে গেছে। অথবা প্রবল বাতাস ও বৃষ্টিতে উড়ে গেছে বা প্লাবিত হয়েছে। পরিবারগুলো ছেঁড়া প্লাস্টিকের শিট জোড়া লাগিয়ে এবং পানি ঠেকাতে বালু স্তূপ করে সেগুলো মেরামতের চেষ্টা চালাচ্ছে।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরায়েলি বাহিনী হামাস যোদ্ধা ও বেসামরিক লোকজনের মধ্যে কোনও বাছবিচার করে না। গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৪৫ হাজার ৫৪১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ১৭ হাজার ৪৯২ শিশু। আহতের সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৩৩৮ জনে পৌঁছেছে।

    এই মাসের শুরুতে, মিশর, কাতার এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইসরায়েলি এবং হামাস নেতারা আশা প্রকাশ করেছিলেন, এটি লড়াই বন্ধ করবে। তবে বছর শেষের আগে কোনও চুক্তি হওয়ার আশা ম্লান হয়ে গেছে।

  • সংবিধান বাতিল করলে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে অস্বীকার করা হবে: রিজভী

    সংবিধান বাতিল করলে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে অস্বীকার করা হবে: রিজভী

    বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সংবিধান বাতিল করলে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে অস্বীকার করা হবে। এটির সংশোধন বা সংযোজন করা যেতে পারে। দেশের সংবিধান বাতিল করা হলে ৭১-এর স্বাধীনতাযুদ্ধকে অস্বীকার করা হবে।

    সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকালে নীলফামারী সদরের রামগঞ্জের দুবাছুরি দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী এ কথা বলেন। ওই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২০১৪ সালের ১৮ জানুয়ারি নীলফামারী সদর উপজেলায় র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত বিএনপির নেতা গোলাম রব্বানীর পরিবারকে নতুন বাড়ি হস্তান্তর উপলক্ষে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আয়োজনে এ জনসভার আয়োজন করা হয়।অনেক তরুণ শিক্ষার্থী সংবিধান বাতিল করতে বলছেন উল্লেখ করে রিজভী বলেন, একটি জাতির আত্মজীবনী হচ্ছে সংবিধান। সেটির সংযোজন হতে পারে, সংশোধন হতে পারে। সেখানে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিজমের যে বৈশিষ্ট্য, সেটা বাদ দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু বাতিল করা যেতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্রে সংবিধানের ধারাবাহিকতা রয়েছে, সংশোধন রয়েছে। কিন্তু বাতিল করা হয়নি।

    জনসভায় রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের বিপ্লবের পর প্রত্যেকেই সমর্থন দিয়েছেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সাহেবকে। কিন্তু আমাদের বক্তব্য, জনপ্রত্যাশা, জন-আকাঙ্ক্ষার বাইরে গিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার অন্য এজেন্ডা নিয়ে কাজ করলে দেশের মানুষ মেনে নেবেন না। এখনো চালের দাম কমেনি, চিনি, আলুর দাম কমেনি। শেখ হাসিনার কারণে গত বছর থেকে ভারত থেকে আলু আমদানি করতে হয়। এবারও যদি আলু আমদানি করতে হয়, তাহলে মানুষ বলবেন, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারকে আমরা সমর্থন দিয়েছি, তাহলে কী লাভ হলো? বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেন বাড়ছে?’

    সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনব্যবস্থার প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, ‘কেউ কেউ বলছেন, আনুপাতিক হারে নির্বাচন। কেন? আনুপাতিক নির্বাচন কিসের জন্য? এটা কি তৃণমূলের মানুষ বোঝে? যেসব রাজনৈতিক দলের ভোটের সংখ্যা বেশি নয়, তারা আনুপাতিক নির্বাচনব্যবস্থার কথা বলছে। যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়, যাদের ভোটের সংখ্যা বেশি নয়, তারা এটা একটা কৌশল হিসেবে নিয়েছে। এটা দেশের মানুষ মেনে নেবে না। এ ধরনের কোনো পদ্ধতি নিয়ে যদি আপনারা ষড়যন্ত্র করেন, এই ষড়যন্ত্র কিন্তু মানুষ ধ্বংস করে দেবে।’

    রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ‘দেশে হত্যা, ছিনতাই, ডাকাতি, ব্যাংক ডাকাতি হচ্ছে। আইজিপি তার বক্তব্যে বলছেন, “আমাদের হাতে ম্যাজিক নেই।’ এক দিনে আইনশৃঙ্খলায় পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। কিন্তু দেশের মানুষ তো দেখবে আপনার দায়িত্ব ও উদ্যোগ। কেন ব্যবসায়ীদের হত্যা করা হচ্ছে, কারা করছে, কেউ প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারছেন না। জনগণ আপনাদের ব্যর্থতা দেখতে চায় না, জনগণ ভালো ফলাফল দেখতে চায়।’

    আমরা বিএনপি পরিবার-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য দেন সাবেক উপমন্ত্রী ও বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব (দুলু), দলের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহবিজ্ঞান–প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন, পল্লি উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক ও পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ফরহাদ হোসেন, রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামছুজ্জামান, নীলফামারী জেলা বিএনপির সভাপতি আলমগীর সরকার।

  • ছাত্রশিবির ২৪ আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে, সম্মেলনে নেতারা

    ছাত্রশিবির ২৪ আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে, সম্মেলনে নেতারা

    ছাত্র শিবিরের সম্মেলনে বলা হয়েছে, বিগত জুলাই অভ্যুত্থানে সংগঠনটির অগ্রণী ভূমিকা ছিল। আগামীতেও যেকোনও আন্দোলনে নেতৃত্বের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে।

    মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন-২০২৪-এর উদ্বোধনী সেশনে জামায়াত ও শিবিরের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যে এসব কথা উঠে আসে।সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছিল। চর দখলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে দখল করা, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও আধিপত্যবাদ বজায় রাখতে ক্যাম্পাসগুলোকে অস্ত্রাগারে পরিণত করে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই ব্যবস্থার কবর রচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশে আর কোনও চাঁদাবাজ, আধিপত্যবাদ ও দখলবাজের স্থান হবে না।’

    তিনি বলেন, ‘বিগত সাড়ে ১৫ বছরে আওয়ামী দুঃশাসন বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ, বিশেষ করে ছাত্র ও যুবসমাজ কোনও দুঃশাসন মেনে নেয় না। সেটা চব্বিশের অভ্যুত্থানে প্রমাণিত হয়েছে।’

    ছবি

    ‘স্বাধীনতার সাফল্যকে হাইজ্যাক করে একটা রাজনৈতিক দল দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করে রেখেছিল। কিন্তু ছাত্রসমাজ ১৫ বছরের মাথায় তাদের সেই দুঃশাসনকে পরাজিত করে নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছে। বাংলাদেশে আর কোনও আধিপত্যবাদ ও দুঃশাসন জনগণ মেনে নেবে না’- যোগ করেন তিনি।

    সম্মেলনের সমাপনী বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের সেই মানুষের আকাঙ্ক্ষার জন্য ছাত্রশিবিরকে সব ভয় উপেক্ষা করে ভূমিকা পালন করে যেতে হবে।’

    সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ৮ আগস্ট (৫ তারিখ গুলিবিদ্ধ) বুলেটের আঘাতে মৃত্যুবরণ করা রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী রায়হানের বাবা মো. মুসলেহ উদ্দিন। এ সময় মঞ্চে ছিলেন জুলাই বিপ্লবে শহীদ আবু সাঈদ, ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, ওয়াসিম, উসমানসহ শহীদ পরিবারের সদস্যরা, আওয়ামী লীগ আমলে অত্যাচারে আহত ও গুম হওয়া পরিবারের অনেক সদস্যরা।

    সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। আরও উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, মাওলানা শামসুল ইসলাম ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতিরা।

    শিবিরের সম্মেলনে যারা ছিলেন

    সদস্য সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার প্রাক্তন অধ্যক্ষ মাওলানা যায়নুল আবেদীন, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শামছুল আলম, বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মাওলানা সাইয়্যেদ কামালুদ্দীন জাফরী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, গণঅধিকার পরিষদের (রেজা কিবরিয়া) ফারুক হাসান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান, জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠন সারজিস আলম।

    বিদেশি অতিথিদের মধ্যে ছিলেন– আনাদোলু গেঞ্জলিক দেরনেইয়ের সহ-সভাপতি এমরুল্লাহ ডেমির, পেরসাতুয়ান কেবাংসান পেলাযার ইসলাম মালয়েশিয়ার সভাপতি জুল আইমান, হিকমত ইয়ুথ মিসরের সভাপতি ড. আবদুল্লাহ আহমেদ, ইসলামী বিশ্ব যুব ফোরামের সভাপতি ড. আশরাফ আওয়াদ, আংকাতান বেলিয়া ইসলাম মালয়েশিয়ার সভাপতি আহমদ ফাহমি মোহাম্মদ সামসুদিন।

    দেশের ছাত্র সংগঠনের মধ্যে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, জাগপা ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুর রহমান ফারুকী, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক ছাত্র আন্দোলনের (ববি হাজ্জাজ) সভাপতি মাসুদ রানা জুয়েল উপস্থিত ছিলেন।

  • সচিবালয়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে সেনা সদস্যদের প্রত্যাহার

    সচিবালয়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে সেনা সদস্যদের প্রত্যাহার

    বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়েছে।তারা সচিবালয়ের ভেতরে এখন নিয়মিত ডিউটি করবেন না। তবে কয়েক দফায় টহল কার্যক্রম চলমান থাকবে।
    সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    সূত্র জানিয়েছে, রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সেনা সদস্যদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। কী কারণে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে এ বিষয়ে এখনও কিছুই জানা যায়নি। এখন থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা সচিবালয়ে রেগুলার ডিউটি করবেন না। সূত্র আরও জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর সদস্যরা কখন কখন টহল দেবেন তা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঠিক করবেন।

  • গাইবান্ধায় দুই দিন ব্যাপী ডিজিটাল মার্কেটিং প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    গাইবান্ধায় দুই দিন ব্যাপী ডিজিটাল মার্কেটিং প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ও এসএমই ফাউন্ডেশনের আয়োজনে উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহনে ২দিন ব্যাপী ডিজিটাল মার্কেটিং ফর এসএমইএফ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ৩০ই ডিসেম্বর গাইবান্ধা টিটিসি এর কম্পিউটার ল্যাবে ডিজিটাল মার্কেটিং প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপ্তি হয়। এর আগে ২৯ ডিসেম্বর শনিবার সকালে ডিজিটাল মার্কেটিং প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়।
    উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এ.কে.এম হেদায়েতুল ইসলাম।

    নাসিব গাইবান্ধা জেলা ছাড়াও অনলাইন ব্যবসার সাথে জড়িত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আগত তরুণ উদ্যোক্তারা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। উদ্যোক্তাদের আরো কর্ম দক্ষ করে গড়ে তুলতে ও ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে এমন কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসন ও এসএমই ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা।

    ২দিনের ডিজিটাল মার্কেটিং কর্মশালায় উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন মোঃ মোসলেহ উদ্দিন দীপু। ডিজিটাল মার্কেটিং প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষণার্থী উদ্যোক্তাদের মাঝে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন ও এসএমই ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
    প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তাদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক)এ.কে.এম হেদায়েতুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক হাসান, গাইবান্ধা টিটিসি এর অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আঃ রহিম।

  • খাবার পরিবেশনে দেরি, বিয়ে ভেঙে খালাতো বোনকে বিয়ে করলেন বর

    খাবার পরিবেশনে দেরি, বিয়ে ভেঙে খালাতো বোনকে বিয়ে করলেন বর

    ভারতের উত্তর প্রদেশের চান্দাউলিতে এক বর খাবার পরিবেশনে বিলম্বের অভিযোগে বিয়ে ভেঙে দিয়ে নিজের খালাতো বোনকে বিয়ে করেছেন। এই ঘটনায় হতবাক কনে ও তার পরিবার ন্যায়বিচারের জন্য পুলিশের শরণাপন্ন হয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

    কনে দাবি করেছেন, বিয়ের অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে বরপক্ষকে দেড় লাখ রুপি দেওয়া হয়েছিল।কনে জানান, সাত মাস আগে মেহতাব নামের এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক হয়। ২২ ডিসেম্বর হামিদপুর গ্রামে তার বাড়িতে বিয়ের আয়োজন করা হয়। বরযাত্রী এসে পৌঁছানোর পর উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান কনের পরিবার।

    কনে বলেন, সকালে থেকেই আমি প্রস্তুত ছিলাম। বর ও তার পরিবার এসে খাবার খেয়েছেন। এরপর তারা আমার বাবা-মাকে গালমন্দ করেন এবং স্থান ত্যাগ করেন। আমি পরে পুলিশের কাছে বিচার চাই।তিনি আরও বলেন, খাবার পরিবেশনে সামান্য বিলম্ব হওয়ায় মেহতাব বিরক্ত হন। তার বন্ধুরা তাকে নিয়ে উপহাস করায় বরপক্ষ কনের পরিবারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার শুরু করে। এরপর দু’পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়।

    গ্রামের প্রবীণরা সমাধানের চেষ্টা করলেও মেহতাব বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাড়ি ফিরে যান।কনের পরিবার যখন এই পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত, তখন মেহতাব সেদিনই তার খালাতো বোনকে বিয়ে করেন।২৩ ডিসেম্বর কনে ও তার পরিবার ইন্ডাস্ট্রিয়াল নগরের পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ জানান। অভিযোগে তারা উল্লেখ করেছেন, বিয়ের আয়োজন ও বরযাত্রীদের আপ্যায়নে তাদের প্রায় ৭ লাখ রুপি ক্ষতি হয়েছে।

    কনের মা জানান, বিয়ের আগে বরপক্ষকে দেড় লাখ রুপি দেওয়া হয়েছিল।এ নিয়ে পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট আদিত্য লগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে দুই পক্ষকে ডেকে সমঝোতার ব্যবস্থা করা হয়।সার্কেল অফিসার রাজেশ রাই জানান, দুই পক্ষের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এতে কনের পরিবারকে এক লাখ ৬১ হাজার রুপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

  • এস আলম গ্রুপের জমি নিলামে তুলেছে জনতা ব্যাংক

    এস আলম গ্রুপের জমি নিলামে তুলেছে জনতা ব্যাংক

    বকেয়া ঋণের টাকা আদায়ে আবারও এস আলমের সম্পত্তি নিলামে তুলেছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জনতা ব্যাংক। এস আলম সুগার রিফাইন ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের কাছে ব্যাংকটির পাওনা ১ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা। চট্টগ্রামের সাধারণ বিমা করপোরেট শাখায় এই ঋণ রয়েছে। সেই ঋণের দায়ে এই জমি নিলামের তোলার বিষয়টি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে জনতা ব্যাংক। এবার নিলামে তোলা হচ্ছে এস আলম গ্রুপের কোম্পানি এস আলম সুগার রিফাইন ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের ২ হাজার ৯৭১ শতাংশ জমি।

    এর আগেও জনতা ব্যাংক খেলাপি ঋণ আদায়ে এস আলম গ্রুপের জমি নিলামে তুলেছে। ১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য ২০ নভেম্বর ১ হাজার ৮৬০ শতাংশ জমি নিলামে তোলা হয়। গ্রুপটির সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেডের কাছে এই টাকা অনাদায়ি ছিল। জনতা ব্যাংকের চট্টগ্রামের সাধারণ বীমা ভবন করপোরেট শাখা থেকে এই ঋণ নেওয়া হয়। সে শাখাতেই নিলাম ডাকা হয়।

    জানা গেছে, জনতা ব্যাংক থেকে নেওয়া এস আলম গ্রুপের ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণের প্রায় পুরোটাই খেলাপি হয়ে গেছে। ফলে প্রতিটি ঋণের বিপরীতে যে জমি বন্ধক দেওয়া আছে, তা একের পর এক নিলামে তুলছে জনতা ব্যাংক। ব্যাংকিং আইন অনুসারে প্রথমে জমি নিলামে তোলা হবে, তা না হলে অন্য প্রক্রিয়ায় এই অর্থ তুলে নেওয়া হবে।জনতা ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এস আলম গ্রুপ ২০০৪ সাল থেকে জনতা ব্যাংকের গ্রাহক। ব্যাংকটির চট্টগ্রামের সাধারণ বীমা ভবন করপোরেট শাখার দেওয়া ঋণের ৮০ শতাংশের বেশি নিয়েছে গ্রুপটি। ১০ হাজার ১০০ কোটি টাকা ঋণের বিপরীতে ব্যাংকটিতে বন্ধক আছে ২ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকার জমি ও স্থাপনা। অর্থাৎ এসব জমি ও স্থাপনা বিক্রি করেও টাকা তুলতে পারবে না জনতা ব্যাংক।