Blog

  • সদর খোলাহাটি ইউনিয়নে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ; নারী শ্লীলতাহানির দাবী।

    সদর খোলাহাটি ইউনিয়নে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ; নারী শ্লীলতাহানির দাবী।

    সদর খোলাহাটি ইউনিয়নে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ; নারী শ্লীলতাহানির দাবী।

    গাইবান্ধা সদর উপজেলার উত্তর খোলাহাটী এলাকায় বাড়িতে হামলা, মারধর, ভাঙচুর, লুটপাট ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
    এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোছাঃ লাভলী বেগম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উত্তর খোলাহাটী গ্রামের বাসিন্দা মোছাঃ লাভলী বেগম (৪৪) জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অভিযুক্তরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করে।
    এরপর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চললেও অভিযুক্তরা তা এড়িয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
    পরবর্তীতে গত ২৮ মার্চ ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে লাভলী বেগমের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা গালিগালাজ শুরু করলে বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন।
    অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় এক অভিযুক্ত তার পরনের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়। অন্যরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং হত্যার হুমকি দেয়। প্রাণভয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে আশ্রয় নেন।
    এ সময় অভিযুক্তরা ঘরের টিনের বেড়া কুপিয়ে ভাঙচুর করে প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। এছাড়া ঘরে থাকা স্টিলের শোকেস ভেঙে নগদ ৬৫ হাজার টাকা, প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
    ঘটনার সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা খুন-জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
    পরবর্তীতে আহতরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। পরে বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।
    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ জানায়, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • গাইবান্ধার গিদারীতে পটল ক্ষেত ভাঙচুর, লক্ষ টাকার ক্ষতি; সচিবালয়ের চাকরিজীবী সফি আলমের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ।

    গাইবান্ধার গিদারীতে পটল ক্ষেত ভাঙচুর, লক্ষ টাকার ক্ষতি; সচিবালয়ের চাকরিজীবী সফি আলমের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ।

    গাইবান্ধার গিদারীতে পটল ক্ষেত ভাঙচুর, লক্ষ টাকার ক্ষতি; সচিবালয়ের চাকরিজীবী সফি আলমের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ।

    গাইবান্ধা সদর উপজেলার দক্ষিণ গিদারী বালিয়ারছড়া এলাকায় পটল ক্ষেত ভাঙচুর ও জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সফি আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ রফিকুল ইসলাম (৫২) গাইবান্ধা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম তার নিজস্ব কবলা খরিদা জমিতে এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে পটলের আবাদ করেন। গত ২৫ মার্চ ২০২৬, বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে অভিযুক্ত সফি আলম তার ছেলে ও সহযোগীদের নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রসহ তার জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে পটল ক্ষেতের জাংলা ভাঙচুর এবং গাছ উপড়ে ফেলে। এতে প্রায় এক লক্ষ টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
    রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি স্থানীয় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তিনি অভিযোগ করেন, সফি আলম নিজেকে সচিবালয়ের চাকরিজীবী পরিচয় দিয়ে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেন এবং খুন-জখমের ভয় দেখিয়ে সেখান থেকে চলে যান। এমনকি জমি দখলের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
    এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের সৃষ্টি হতে পারে।
    অভিযুক্ত সফি আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি এই ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।”
    এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

  • গাইবান্ধায় পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী মনারুল।

    গাইবান্ধায় পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী মনারুল।

    গাইবান্ধায় পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী মনারুল।

    গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের ফকিরটারী মৌজায় পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগ করেছেন।
    ভুক্তভোগী মো. মনারুল ইসলাম জানান, হাল দাগ নং ১২৬৭৯ ও ২১৩৬০ অনুযায়ী মোট ৫৫ শতাংশ জমির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে তারা ২৮ শতাংশ জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন।
    জমিটির খাজনা-খারিজও তাদের নামে হালনাগাদ রয়েছে।
    তিনি আরও জানান, তিনি ঢাকায় একটি গার্মেন্টস কারখানায় কর্মরত একজন সাধারণ শ্রমিক।
    তার অনুপস্থিতির সুযোগে গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘবদ্ধভাবে তার ভোগদখলীয় জমি জোরপূর্বক দখল করে নেয়।
    অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—মো. ছকু মিয়া, মো. লাল্টু মিয়া, মো. হাবিবুর রহমান ও মো. হোছেন আলীসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন। বর্তমানে তারা জমিতে যেতে বাধা দিচ্ছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে নিয়মিত ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।
    মনারুল ইসলাম বলেন, “এই জমির ফসলই আমাদের পরিবারের সারা বছরের খাদ্যের প্রধান উৎস। জমি হারিয়ে আমরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছি এবং জীবনের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত।”

    এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত জমি উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন মনারুল ইসলাম।
    পাশাপাশি তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
    এবিসয়ে ভুক্তভোগী জানান

  • গাইবান্ধায় উৎসবমুখর পরিবেশে দেশ টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    গাইবান্ধায় উৎসবমুখর পরিবেশে দেশ টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    গাইবান্ধায় উৎসবমুখর পরিবেশে দেশ টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।

    গাইবান্ধায় উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ‘দেশ টিভি’-র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে জেলা শহরের সাপ্তাহিক অবিরাম পত্রিকা অফিস মিলনায়তনে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন গাইবান্ধা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক।
    এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশ টিভির পথচলার সাফল্য তুলে ধরে ভবিষ্যতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
    অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

  • নিরাপদ ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে মহাসড়কে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার

    নিরাপদ ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে মহাসড়কে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার

    নিরাপদ ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে মহাসড়কে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা | ১৮ মার্চ, ২০২৬

    ​পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে মাঠে নেমেছেন গাইবান্ধার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ জসিম উদ্দীন। বুধবার (১৮ মার্চ) গাইবান্ধা জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত গোবিন্দগঞ্জ থানাধীন মায়ামনি মোড় এলাকায় মহাসড়কের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও যানবাহন চলাচল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি।

    ​পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মহাসড়কে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং ঈদ যাত্রায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় তিনি নিজে বেশ কিছু যানবাহনের ফিটনেস যাচাই করেন এবং চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান।

    যাত্রীদের সাথে মতবিনিময় ও নিরাপত্তা জোরদার

    ​পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার সাধারণ যাত্রীদের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করেন। যাত্রীরা পথে কোনো প্রকার হয়রানি বা চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন কি না, সে বিষয়ে তিনি খোঁজখবর নেন। যাত্রী সাধারণ যেন নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সেজন্য পুলিশ সদস্যদের কঠোর সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন:

    “মানুষের ঈদ আনন্দ যেন বিষাদে পরিণত না হয়, সেজন্য জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যাত্রী হয়রানি রোধে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি।”

    ​ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বেশ কিছু বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে:

    • তৎপরতা বৃদ্ধি: মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশের স্থায়ী ও অস্থায়ী পোস্ট স্থাপন এবং টহল জোরদার করা হয়েছে।
    • হয়রানি রোধ: অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে বিশেষ নজরদারি টিম কাজ করছে।
    • ফিটনেস যাচাই: ত্রুটিপূর্ণ ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
  • গোবিন্দগঞ্জে শিংজানি খাল খনন কাজের উদ্বোধন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    গোবিন্দগঞ্জে শিংজানি খাল খনন কাজের উদ্বোধন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    গোবিন্দগঞ্জে শিংজানি খাল খনন কাজের উদ্বোধন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    নিজস্ব প্রতিবেদক, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) | ১৮ মার্চ, ২০২৬

    ​গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ এলাকায় স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত শিংজানি খাল খনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি

    ​উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “শিংজানি খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকার দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসন হবে। এটি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।” তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও বেগবান হবে।

    ​মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু সুফিয়ান সুজা-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

    • ​জেলা পরিষদের প্রশাসক মাইনুল ইসলাম সাদিক
    • ​গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন
    • ​জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা
    • ​পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন

    ​এছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন্নবী টিটুল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ, সদস্য সচিব রেজওয়ানুল হাবীব রফিক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক কবির আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল কবির মনু এবং সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর লেলিন

    ​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। খালের খনন কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয় কৃষিজীবী ও সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দ আমেজ লক্ষ্য করা গেছে।

  • গাইবান্ধায় ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

    গাইবান্ধায় ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

    গাইবান্ধায় ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

    নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে গাইবান্ধার নাগরিকদের ঈদ যাত্রা সুন্দর, নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে জেলার পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সাথে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা করেছেন পুলিশ সুপার জনাব মোঃ জসিম উদ্দীন।

    ​আজ বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঈদকে কেন্দ্র করে সড়ক ব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

    সভার মূল আলোচ্য বিষয়সমূহ:

    • যাত্রী নিরাপত্তা: বাসে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই না করা এবং ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় না নামানো।
    • ভাড়া নিয়ন্ত্রণ: নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা আদায় না করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা।
    • ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা: মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে যানজট নিরসনে পুলিশ ও শ্রমিকদের সমন্বয়।
    • শ্রমিকদের সচেতনতা: চালকদের বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি না চালানোর বিষয়ে বিশেষ তাগিদ।

    উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ:

    ​সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ শরীফ আল রাজীব, পিপিএম; সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) জনাব এবিএম রশীদুল বারী; টিআই (প্রশাসন ও অর্থ) সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

    ​এছাড়াও পরিবহন নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা মোটর ও বাস মালিক সমিতির সভাপতি, ট্রাক মালিক সমিতির সদস্য সচিব, জেলা ট্রাক ট্যাংক লরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এবং সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের প্রতিনিধিগণ।

    ​সভায় পুলিশ সুপার মহোদয় স্পষ্ট বার্তা দেন যে, সাধারণ মানুষের ঈদ যাত্রা বিষাদময় করতে পারে এমন কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। পরিবহন নেতৃবৃন্দও জেলা পুলিশকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

  • গাইবান্ধায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি শুরু: প্রথম দিনেই উপচে পড়া ভিড়

    গাইবান্ধায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি শুরু: প্রথম দিনেই উপচে পড়া ভিড়

    গাইবান্ধায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রি শুরু: প্রথম দিনেই উপচে পড়া ভিড়
    ​নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা | ১১ মার্চ, ২০২৬
    ​পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কথা বিবেচনা করে গাইবান্ধায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও গরুর মাংস বিক্রির বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বুধবার (১১ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
    ​কর্মসূচির উদ্বোধন
    ​গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
    ​এ.কে.এম. হেদায়েতুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)।
    ​সাব্বির আহমেদ, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।
    ​ডা. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
    ​তরুণ কুমার দত্ত, সদর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
    ​পণ্যের তালিকা ও বিক্রয়মূল্য
    ​বাজারমূল্যের তুলনায় উল্লেখযোগ্য কম দামে পণ্যগুলো বিক্রি করা হচ্ছে। উদ্বোধনী দিনে বিক্রয়কৃত পণ্যের পরিমাণ ও দাম ছিল নিম্নরূপ:

    পণ্যের নাম পরিমাণ (মোট) নির্ধারিত মূল্য
    গরুর মাংস ২০০ কেজি ৬৫০ টাকা (প্রতি কেজি)
    তরল দুধ ৫০০ লিটার ৬০ টাকা (প্রতি লিটার)
    ডিম – ৩০ টাকা (প্রতি ৪টি)

    ক্রেতাদের প্রতিক্রিয়া ও সময়সূচী
    ​সকাল থেকেই সুলভ মূল্যে এসব পণ্য কিনতে সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে পণ্য সংগ্রহ করতে দেখা যায় ক্রেতাদের। স্থানীয়রা জানান, রমজানের আগে বাজারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এই উদ্যোগ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
    ​জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক জানান, রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং ভোক্তাদের পুষ্টি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে:
    ​সময়সীমা: আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।
    ​পরিধি: মূল পয়েন্ট ছাড়াও শহরের বিভিন্ন বাজার ও মহল্লায় ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে।

  • পারিবারিক কলহের জেরে ৩ বছর পর বোনের লাশ তুলে অন্যের জমিতে দাফন!

    পারিবারিক কলহের জেরে ৩ বছর পর বোনের লাশ তুলে অন্যের জমিতে দাফন!

    পারিবারিক কলহের জেরে ৩ বছর পর বোনের লাশ তুলে অন্যের জমিতে দাফন!

    নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা | ৯ মার্চ, ২০২৬

    ​পারিবারিক বিরোধের জেরে দাফনের দীর্ঘ তিন বছর দেড় মাস পর ছোট বোনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে অন্যের জমিতে পুনরায় দাফন করার এক নজিরবিহীন ও অমানবিক ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৮ মার্চ) গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশকাটা এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট:

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে ওই নারীর মৃত্যু হলে তার বড় ভাইয়ের মালিকানাধীন জমিতেই তাকে দাফন করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ওই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে জমিজমা ও নানা বিষয় নিয়ে চরম বিরোধ চলছিল। অভিযোগ উঠেছে, এই পারিবারিক কলহের জের ধরেই বড় ভাই ক্ষুব্ধ হয়ে তার নিজ জমি থেকে বোনের মরদেহ সরিয়ে ফেলার এই চরম সিদ্ধান্ত নেন।

    মরদেহ উত্তোলন ও পুনঃদাফন:

    রোববার স্থানীয়দের অগোচরে বা একপ্রকার জোরপূর্বক কবর খুঁড়ে মরদেহের অবশিষ্টাংশ উত্তোলন করা হয়। পরবর্তীতে তা সরিয়ে নিয়ে এলাকার অন্য এক ব্যক্তির জমিতে পুনরায় দাফন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মৃত্যুর তিন বছর পর কবরের পবিত্রতা নষ্ট করে এমন কাণ্ডে হতবাক প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী।

    এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া:

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মানুষ মারা গেলে সব শত্রুতার অবসান হয়। কিন্তু মৃত মানুষের লাশের সাথে এমন আচরণ করা যায়, তা আমরা কল্পনাও করতে পারছি না। এটি অত্যন্ত অমানবিক এবং ধর্মীয় অনুভূতির পরিপন্থী।”

    ​ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নিন্দার ঝড় বইছে। এলাকার সাধারণ মানুষ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত বড় ভাইয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

  • গাইবান্ধায় জমি বিরোধে হত্যা: নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা থেকে ২ আসামি গ্রেফতার

    গাইবান্ধায় জমি বিরোধে হত্যা: নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা থেকে ২ আসামি গ্রেফতার

    গাইবান্ধায় জমি বিরোধে হত্যা: নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা থেকে ২ আসামি গ্রেফতার।

    গাইবান্ধা গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একাব্বর আলী নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।
    গত রোববার (৮ মার্চ) র‍্যাব-১৩ এবং র‍্যাব-১১ এর যৌথ অভিযানে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
    ​গ্রেফতারকৃতরা হলেন— গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মধ্য বেলকা ঝাঁকুয়াপাড়া গ্রামের মৃত আজি জুয়াড়ুর ছেলে মোঃ নুরু মিয়া (৩৮) এবং একই এলাকার মোঃ আব্দুর রহিম হাজীর ছেলে মোঃ মোজাম্মেল (৪৮)।
    ​প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম একাব্বর আলীর সাথে আসামিদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ৬ মার্চ সকালে আসামিরা লাঠিসোটা নিয়ে ভিকটিমের জমিতে জোরপূর্বক হাল চাষ করতে শুরু করে। একাব্বর আলী বাধা দিলে তাকে ধাওয়া করা হয়। পরবর্তীতে আসামিরা ভিকটিমের বাড়ির গেটের সামনে গিয়ে তাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে।
    ​স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাতেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গত ৭ মার্চ নিহতের ছেলে মোঃ নুর আলম মিয়া বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
    ​র‍্যাবের সাঁড়াশি অভিযান
    ​ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র‍্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায়:
    ​প্রথম অভিযান: ৮ মার্চ বিকেল ৩:৩০ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন চানমারি এলাকা থেকে প্রধান আসামি মোঃ নুরু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
    ​দ্বিতীয় অভিযান: একই দিন রাত ৯:৩০ মিনিটে ঢাকার কদমতলী থানাধীন তুষারধারা সাদ্দাম মার্কেট এলাকা থেকে অপর আসামি মোঃ মোজাম্মেলকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।
    ​বর্তমান অবস্থা
    ​র‍্যাব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধ দমনে র‍্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।