Blog

  • গোবিন্দগঞ্জে পুলিশি অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার; মোটরসাইকেল জব্দ  ​।

    গোবিন্দগঞ্জে পুলিশি অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার; মোটরসাইকেল জব্দ ​।

    গোবিন্দগঞ্জে পুলিশি অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার; মোটরসাইকেল জব্দ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বহনকারী ব্যক্তি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

    ​বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ব্যস্ততম চারমাথা মোড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার বিবরণ: পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার সকালে চারমাথা মোড় এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি শুরু করে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ। এ সময় একটি মোটরসাইকেলের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ সেটিকে থামানোর সংকেত দেয়। চালক পুলিশের সংকেত উপেক্ষা করে পালানোর চেষ্টা করেন এবং একপর্যায়ে মোটরসাইকেলটি রাস্তার পাশে ফেলে রেখে কৌশলে সটকে পড়েন।

    ​পরবর্তীতে পুলিশ পরিত্যক্ত মোটরসাইকেলটি তল্লাশি করে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    পুলিশের বক্তব্য: গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারকৃত মাদক ও মোটরসাইকেল থানা হেফাজতে রয়েছে। পলাতক মাদক ব্যবসায়ীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

  • পলাশবাড়ীতে বিএনপি’র বিক্ষোভ ও সমাবেশ: হামলা-অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদ

    পলাশবাড়ীতে বিএনপি’র বিক্ষোভ ও সমাবেশ: হামলা-অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদ

    পলাশবাড়ীতে বিএনপি’র বিক্ষোভ ও সমাবেশ: হামলা-অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

    ​গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার প্রতিবাদে এবং নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

    কর্মসূচির বিবরণ:

    বিকেলে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো ঘুরে চৌমাথা মোড়ে এসে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশফেকুর রহমান রিপন

    সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে প্রতিপক্ষ দলের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। বক্তারা দাবি করেন:

    • ​বিভিন্ন নেতার বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
    • ​বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
    • ​স্থানীয় মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন ও পান বাজার হাট দখল করে অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলন করা হচ্ছে।

    সমাবেশ থেকে স্থানীয় প্রশাসনকে অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়। অন্যথায়, সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা এবং রাজনৈতিক অধিকার পুনরুদ্ধারে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও রাজপথ কাঁপানো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।

    ​সমাবেশে উপজেলা ও পৌর বিএনপি ছাড়াও যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • গাইবান্ধায় মুদি দোকানে অভিযান: ৫ লাখ টাকা জরিমানা, ৭১ বস্তা নিষিদ্ধ ‘সাল্টু’ জব্দ

    গাইবান্ধায় মুদি দোকানে অভিযান: ৫ লাখ টাকা জরিমানা, ৭১ বস্তা নিষিদ্ধ ‘সাল্টু’ জব্দ

    গাইবান্ধায় মুদি দোকানে অভিযান: ৫ লাখ টাকা জরিমানা, ৭১ বস্তা নিষিদ্ধ ‘সাল্টু’ জব্দ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

    ​গাইবান্ধা জেলা শহরের ডিবি রোডে এক ঝটিকা অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ রাসায়নিক দ্রব্য অ্যামোনিয়াম বাই কার্বনেট (সাল্টু) জব্দ করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ‘জামাই স্টোর’ নামে একটি মুদি দোকানে অভিযান চালিয়ে এসব ক্ষতিকর দ্রব্য উদ্ধার করা হয়। নিরাপদ খাদ্য আইনে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    ​অভিযানের বিস্তারিত

    ​গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত জামাই স্টোরের গোডাউনে তল্লাশি চালিয়ে ২৫ কেজি ওজনের মোট ৭১ বস্তা নিষিদ্ধ ‘সাল্টু’ উদ্ধার করে।

    ​অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদ জানান:

    ​”গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আমরা জামাই স্টোরের গোডাউনে অভিযান চালাই। সেখানে খাদ্যদ্রব্য তৈরিতে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ প্রায় ১,৭৭৫ কেজি (৭১ বস্তা) অ্যামোনিয়াম বাই কার্বনেট পাওয়া যায়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ এই রাসায়নিক দ্রব্য মজুদ রাখার দায়ে দোকানটিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।”

     

    ​স্বাস্থ্যের ঝুঁকি ও ব্যবহার

    ​জেলা নিরাপদ খাদ্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জব্দকৃত এই রাসায়নিক দ্রব্যটি সাধারণত সিঙ্গারা, সমোসা, কেক ও বিস্কুটের মতো খাবার মচমচে বা ফুলিয়ে তুলতে অবৈধভাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানান, এই ‘সাল্টু’ মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারের ফলে কিডনি ও লিভারের জটিলতাসহ নানা রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

    ​পরবর্তী পদক্ষেপ

    ​জব্দকৃত ৭১ বস্তা রাসায়নিক দ্রব্য জনসম্মুখে বিনষ্ট করা হয়েছে। অভিযানে জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. মিলন মিয়া এবং বাজার পরিদর্শক মো. শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

  • গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে গলাকেটে হত্যা: শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

    গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে গলাকেটে হত্যা: শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

    গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে গলাকেটে হত্যা: শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

    ​ গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নে নিখোঁজের একদিন পর প্রতিবেশী বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে ইসমতারা নুরমা খাতুন (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
    ​ঘটনার বিবরণ
    ​নিহত নুরমা খাতুন উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের উত্তর পাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে এবং তালতলা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় নুরমা। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
    ​পরদিন সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রতিবেশী হযরত আলীর বাড়ির একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতর তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
    ​পরিবারকে সমবেদনা ও আর্থিক সহায়তা
    ​নৃশংসভাবে খুন হওয়া নুরমা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে আজ বিকেলে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ইউনিট সদস্য ও সাবেক জেলা আমীর ডা. আব্দুর রহিম সরকার। তিনি নিহত ছাত্রীর বাবা-মায়ের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের ধৈর্য ধারণের সান্ত্বনা দেন।
    ​এ সময় তিনি জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে এককালীন নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।
    ​বিচার দাবি
    ​উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ডা. আব্দুর রহিম সরকার বলেন:
    ​”একটি মেয়েকে এভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা চরম বর্বরতা। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। অবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িত দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে যেন ভবিষ্যতে আর কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।”
    ​উপস্থিত নেতৃবৃন্দ
    ​পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর সময় ডা. আব্দুর রহিম সরকারের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন:
    ​জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি নুরুন্নবী প্রধান।
    ​উপজেলা জামায়াতের আমির আবুল হোসেন সরকার।
    ​উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।
    ​তালুককানুপুর ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম ও সেক্রেটারি রুহুল আমিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

  • গোবিন্দগঞ্জে ৬ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার।

    গোবিন্দগঞ্জে ৬ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার।

    গোবিন্দগঞ্জে ৬ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার।

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আনোয়ারুল ইসলাম (৩৮) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

    ​রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে উপজেলার তরফ কামাল গ্রামে আসামির নিজ বাড়িতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেফতারকৃত আনোয়ারুল ওই গ্রামের আজিবর রহমান ও রাবেয়া বেগমের ছেলে।

    ​অভিযানের বিবরণ
    ​গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি চৌকস দল আনোয়ারুলের বাড়িতে হানা দেয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, শয়নকক্ষের শোকেসের ড্রয়ার থেকে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়।

    ​উদ্ধারকৃত আলামতসমূহ:
    ​মাদকের ধরণ: ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট।
    ​পরিমাণ: ২৮৫ পাতা (মোট ২,৮৫০ পিস)।

    ​ওজন: ১.১৯৭ কেজি।
    ​আনুমানিক মূল্য: ৫,৭০,০০০ টাকা।
    ​অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ডিজিটাল ওয়েট মেশিনের মাধ্যমে ঘটনাস্থলেই মাদকের ওজন নির্ধারণ করেন। রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য ১০ পিস ট্যাবলেট নমুনা হিসেবে রেখে বাকি আলামত সিলগালা করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

    ​এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিজেই পরিচালনা করবে।

    ​অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জেলাজুড়ে মাদকবিরোধী এ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকের সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না

  • গোবিন্দগঞ্জে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর সেপটিক ট্যাংকে মিলল স্কুলছাত্রীর লাশ

    গোবিন্দগঞ্জে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর সেপটিক ট্যাংকে মিলল স্কুলছাত্রীর লাশ

    গোবিন্দগঞ্জে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর সেপটিক ট্যাংকে মিলল স্কুলছাত্রীর লাশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে নুরমা খাতুন (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। নিহতের পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ গুম করার চেষ্টা করা হয়েছে।

    ​শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের সমসপাড়া চৌধুরীপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত নুরমা ওই গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে এবং স্থানীয় তালতলা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

    ​পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরের দিকে নুরমা নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। দীর্ঘ সময় তাকে না পেয়ে স্বজনরা আশপাশে ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বিকেলে প্রতিবেশী হযরত আলীর বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে তার মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

    নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন,​”আমার মেয়েকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রেখে গেছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

    ​গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

    ​ওসি আরও জানান, এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

  • গাইবান্ধা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    গাইবান্ধা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    গাইবান্ধা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    আজ রবিবার সকালে গাইবান্ধা শহর শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অভিযানে সরাসরি অংশ নেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর আব্দুর করিম।
    সকাল থেকেই গাইবান্ধার রাজপথে এক ভিন্ন চিত্র। হাতে ঝাড়ু আর ঝুড়ি নিয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেমেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। শহরের পুরাতন ব্রিজ এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি চলে এসপি কার্যালয় পর্যন্ত প্রধান সড়কের দুই পাশে।
    ​পৌরবাসীকে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করতে এবং একটি স্বাস্থ্যকর শহর উপহার দিতেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।
    এসময় কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং কাজের মাধ্যমেই উদাহরণ সৃষ্টি করেন গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর আব্দুর করিম। তিনি নিজে ঝাড়ু হাতে নিয়ে রাস্তার ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কাজে নেতৃত্ব দেন।
    সংসদ সদস্য ও জেলা আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, গাইবান্ধা।

    “আমরা চাই আমাদের এই শহরটি হবে ছবির মতো সুন্দর ও পরিষ্কার। জননিরাপত্তা এবং জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।
    নাগরিক হিসেবে শহর পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। আমরা যদি সচেতন হই, তবেই একটি উন্নত ও সুন্দর গাইবান্ধা গড়ে তোলা সম্ভব।”

    দলীয় এই কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। আগামীতেও শহরের অন্যান্য এলাকায় এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

  • জাতীয় কবি ও শহীদ শরীফ ওসমানের মাজার জিয়ারত করলেন গাইবান্ধার দুই সংসদ সদস্য।

    জাতীয় কবি ও শহীদ শরীফ ওসমানের মাজার জিয়ারত করলেন গাইবান্ধার দুই সংসদ সদস্য।

    জাতীয় কবি ও শহীদ শরীফ ওসমানের মাজার জিয়ারত করলেন গাইবান্ধার দুই সংসদ সদস্য।

    ​নিজস্ব প্রতিবেদক |

    ​আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদীর কবর জিয়ারত করেছেন গাইবান্ধা জেলার দুই সংসদ সদস্য, তারা হলেন গাইবান্ধা-০২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল করিম এবং গাইবান্ধা-০৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল ওয়ারেছ।

    ​শ্রদ্ধা নিবেদন ও মোনাজাত
    ​সন্ধ্যায় তাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবির মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তাঁরা শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদীর কবরে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দুই সংসদ সদস্য মরহুমদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।

  • সুজন মহুরী হত্যার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় আইনজীবী সহকারি সমিতির মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    সুজন মহুরী হত্যার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় আইনজীবী সহকারি সমিতির মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    সুজন মহুরী হত্যার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় আইনজীবী সহকারি সমিতির মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
    গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
    আইনজীবী সহকারী অমিতাভ চন্দ্র রায় সুজন মহুরীর হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে গাইবান্ধা জেলা বারের আইনজীবি সহকারি সমিতি।
    বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলা জজ আদালত চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল করেন সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা। এ সময় নিহত সুজন মহুরীর গর্ভধারিণী মা, সহধর্মিণী স্ত্রী, আপন ভাই, স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সুজন মহুরী ছিলেন একজন নিরীহ আইনজীবী সহকারী। তার নির্মম হত্যাকাণ্ড আইন অঙ্গনের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। অবিলম্বে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
    বক্তারা আরও বলেন, অপরাধীরা যদি দ্রুত আইনের আওতায় না আসে, তাহলে আইনজীবী সহকারি সমাজ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।
    উল্লেখ্য, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের সাহার বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় আইনজীবী সহকারী (মুহুরী) অমিতাভ চন্দ্র রায় সুজন মহুরী নিহত হন।

  • ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধ: গাইবান্ধায় বিধবা নারীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট

    ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধ: গাইবান্ধায় বিধবা নারীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট

    • ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধ: গাইবান্ধায় বিধবা নারীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট

    গাইবান্ধা সদর উপজেলায় শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে এক বিধবা নারীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

    এ ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫–২০ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
    ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার পূর্ব কোমরনই ছয়ঘড়িয়া এলাকায়। ভুক্তভোগী মোছাঃ আঁখি তারা বেগম (বিধবা) গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় গাইবান্ধা সদর থানা-য় একটি এজাহার দায়ের করেন।
    এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শিশুদের ফুটবল খেলা নিয়ে প্রতিবেশী বাবু, সুজন ও রেজাউলদের সঙ্গে আঁখি তারা বেগমের পরিবারের কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এর জের ধরে পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, লোহার রড ও ধারালো ছোরা নিয়ে আঁখি তারা বেগমের বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে।
    অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা বাড়ির গেট ও টিনের বেড়া কুপিয়ে ভাঙচুর করে প্রায় এক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে। এ সময় আঁখি তারা বেগমের ছেলে মামুন মিয়া (২২) বাধা দিতে গেলে আসামী সুজন মিয়ার নির্দেশে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। বাবু মিয়া লাঠি দিয়ে আঘাত করেন এবং সুজন মিয়া শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
    পরবর্তীতে ভাতিজা রুবেল ও ভাতিজি রশনী আক্তার এগিয়ে এলে তাদেরকেও মারধর করা হয়। এ সময় আসামী জোহা মিয়ার বিরুদ্ধে রশনী আক্তারের শ্লীলতাহানির অভিযোগও আনা হয়েছে।
    ভুক্তভোগীর দাবি, হামলার সময় অভিযুক্তরা ঘর থেকে বাড়ি নির্মাণের জন্য জমানো নগদ টাকা, প্রায় ৯০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার এবং একটি দামী স্মার্টফোন লুট করে নিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে আসামীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
    পরে আহতদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল-এ প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
    ভুক্তভোগী আঁখি তারা বেগম জানান, আসামীদের হুমকির কারণে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
    এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানা-র পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।