গাইবান্ধা-২ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি বিএনপি প্রার্থীর
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-২ আসনের ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. আনিসুজ্জামান খান বাবু। অন্তত ৩০টি ভোটকেন্দ্রে অগ্রিম স্বাক্ষর গ্রহণসহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ ও তদন্তের দাবি জানান তিনি।
শনিবার বিকেলে গাইবান্ধা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মো. আনিসুজ্জামান খান বাবুর সঙ্গে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বাবু, পৌর বিএনপির সভাপতি শহীদুজ্জামান শহীদসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আনিসুজ্জামান খান বাবু অভিযোগ করেন, ভোট গ্রহণ শুরুর আগেই অন্তত ৩০টি কেন্দ্রে তাঁর ধানের শীষ প্রতীকের পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা ফলাফল শিটে স্বাক্ষর গ্রহণ করেন। ভোটের দিন বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এসব অনিয়মের তথ্য পান। এমনকি কয়েকটি কেন্দ্রে অগ্রিম ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়ও তাঁর নজরে আসে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভোট গ্রহণের দিন দুপুর দুইটার পর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কিছু সদস্য তাঁর সমর্থক ভোটার ও পোলিং এজেন্টদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন। এসব অনিয়মের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে ‘ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে তাকে পরাজিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপি প্রার্থী।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দ্রুত প্রকাশ করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে গাইবান্ধা-২ আসনের সব কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
Blog
-

গাইবান্ধা সদর-২ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি বিএনপি প্রার্থীর
-

গাইবান্ধায় সন্ত্রাসীদের কুড়ালের আঘাতে জর্জ কোর্টের মুহুরী নিহত।
গাইবান্ধায় সন্ত্রাসীদের কুড়ালের আঘাতে জর্জ কোর্টের মুহুরী নিহত
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধায় এক ভয়াবহ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে সন্ত্রাসীদের কুড়ালের আঘাতে জেলা জর্জ কোর্টের এক মুহুরী নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের সাহারবাজার এলাকায় সুজনের ওপর হামলা চালানো হয়।নিহত সুজন মহুরী (৩৮) বল্লমঝাড় ইউনিয়নের খামার বল্লমঝাড় গ্রামের শ্রী নিরঞ্জন কুমারের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ৮ টার দিকে সুজন কুমার নিজ বাসা থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে বের হন। পথিমধ্যে দুইজন অপরিচিত ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার কথা বলে তাকে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি ইটভাটার পাশে নিয়ে যান।সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অতর্কিত কুড়াল দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করাতে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ জানান,ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। বর্তমানে আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
-

ভোট জালিয়াতি ও এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ: গাইবান্ধা-৪ আসনের ফলাফল স্থগিত ও পুনঃভোটের দাবি।
ভোট জালিয়াতি ও এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ: গাইবান্ধা-৪ আসনের ফলাফল স্থগিত ও পুনঃভোটের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা | তারিখ: ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩২ গাইবান্ধা-০৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ব্যাপক কারচুপি, এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া এবং জোরপূর্বক ব্যালট পেপারে সিল মারার অভিযোগ তুলেছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোঃ আব্দুর রহিম সরকার। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফল স্থগিত করে বিতর্কিত ৫টি কেন্দ্রে পুনঃভোট গ্রহণ এবং আসনের সকল কেন্দ্রের ভোট পুনরায় গণনার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত মূল অভিযোগসমূহ:
প্রার্থী আব্দুর রহিম সরকার অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে তাঁর পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে ব্যাপক জাল ভোট প্রদান করেছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিশেষ করে ৫টি কেন্দ্রের কথা উল্লেখ করেন:
- ১২০ নং কেন্দ্র (বালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়): প্রায় ৬০-৭০ জন কর্মী পোলিং অফিসারদের কাছ থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে ধানের শীষে সিল মারে।
- ১২৪ নং কেন্দ্র (কুমিরাডাঙ্গা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়): এখানেও একইভাবে এজেন্টদের বের করে দিয়ে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।
- ১২৫ নং কেন্দ্র (গোপালপুর ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়): বিএনপির বিপুল সংখ্যক কর্মী কেন্দ্রে প্রবেশ করে জালিয়াতির মাধ্যমে ভোট প্রদান করে।
- ১০৫ নং কেন্দ্র (কোচারশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়): কেন্দ্রটি দখল করে ব্যাপক হারে জাল ভোট প্রদানের অভিযোগ আনা হয়েছে।
- ১১৭ নং কেন্দ্র (দামগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়): এই কেন্দ্রেও পোলিং অফিসারদের জিম্মি করে ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা হয়।
প্রমাণ ও আইনি পদক্ষেপ:
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রহিম সরকার বলেন, “এই অনিয়মের বিষয়ে আমার কাছে পর্যাপ্ত স্থিরচিত্র, ভিডিও ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”
নির্বাচন কমিশনের প্রতি দাবি:
তিনি নির্বাচন কমিশনের নিকট আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়ে তিনটি প্রধান দাবি পেশ করেন:
- ঘোষিত ফলাফল অবিলম্বে স্থগিত করা।
- উল্লিখিত ৫টি কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা।
- উক্ত আসনের সকল কেন্দ্রের ভোট পুনরায় সুষ্ঠুভাবে গণনা করে সংশোধিত ফলাফল ঘোষণা করা।
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, জনগণের প্রকৃত ম্যান্ডেট ছিনতাই করে কাউকে বিজয়ী ঘোষণা করা হলে তা গণতন্ত্রের জন্য কলঙ্কজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
-

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম করেছে পাষণ্ড স্বামী, হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় স্ত্রী শারমিন চিকিৎসাধীন।
যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম, হাসপাতালে মুমূর্ষু শারমিন
নিজস্ব প্রতিবেদক, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে শারমিন আক্তার লিমা নামের এক গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতনের খবর পাওয়া গেছে। পাষণ্ড স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বর্তমানে ওই গৃহবধূ গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৬ জুন বেতকাপা ইউনিয়নের নড়াইল গ্রামের মমিনুল ইসলামের মেয়ে শারমিন আক্তারের সাথে মহদীপুর ইউনিয়নের বড় গোবিন্দপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে সবুজ মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই অর্থলোভী সবুজ মিয়া বিভিন্ন সময়ে শারমিনের কাছে যৌতুকের টাকা দাবি করে আসছিল। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালেই চলত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে যৌতুকের টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সবুজ মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শারমিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম করে। শারমিনের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
আইনগত পদক্ষেপ
এ ঘটনায় শারমিনের বাবা মমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে সবুজ মিয়ার নাম উল্লেখসহ তিনজনকে আসামি করে পলাশবাড়ী থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
”
এ বিষয়ে পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সারোয়ার আলম বলেন আমরা এজাহার পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”এলাকাবাসী ও নির্যাতিতার পরিবার এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধী সবুজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
-

সুন্দরগঞ্জে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে জেলা তথ্য অফিসের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।
সুন্দরগঞ্জে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে জেলা তথ্য অফিসের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।
নিজস্ব প্রতিবেদক, (গাইবান্ধা)
| ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ এবং নির্বাচনি আচরণবিধি অবহিত করার লক্ষ্যে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের দক্ষিণ বেকাটারি গ্রামে জেলা তথ্য অফিস, গাইবান্ধা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও নাগরিক কর্তব্যের ওপর গুরুত্বারোপ
উঠান বৈঠকে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য অফিসার জনাব ইশতিয়াক আহমাদ আবীর। তিনি তার বক্তব্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও আসন্ন গণভোটে সকল নাগরিককে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “একটি শক্তিশালী গণতন্ত্র গঠনে প্রত্যেক ভোটারের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।”
আলোচনায় নির্বাচনে নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ, গুজব প্রতিরোধ এবং সহিংসতা দমনে জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
গণভোট-২০২৬ ও জুলাই জাতীয় সনদের বিস্তারিত উপস্থাপনা
অনুষ্ঠানে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং গণভোটে উপস্থাপিত বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। ভোটারদের জানানো হয় যে, গণভোটে তারা “হ্যাঁ” অথবা “না” ভোটের মাধ্যমে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে তাদের মতামত জানাবেন:
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: জুলাই সনদের আলোকে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠন।
দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ: আগামী জাতীয় সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যের একটি ‘উচ্চকক্ষ’ গঠন করা হবে, যাদের অনুমোদন ছাড়া সংবিধান সংশোধন করা যাবে না।
ক্ষমতার ভারসাম্য ও সংস্কার: নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া ৩০টি বিষয় বাস্তবায়নে বিজয়ী দলগুলোর বাধ্যবাধকতা।
রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি: জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কারসমূহ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়ন।
স্থানীয় অংশগ্রহণ
রামজীবন ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মোছাঃ খুকি বেগম অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে স্থানীয় নারী ও পুরুষ ভোটারদের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করেন। বৈঠকে গ্রামের বিপুল সংখ্যক ভোটার উপস্থিত ছিলেন, যারা আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের নিয়মাবলী এবং সংস্কার প্রস্তাবগুলো সম্পর্কে সরাসরি অবগত হন। -

গাইবান্ধায় নারীবিদ্বেষী রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার নারী নেত্রীরা: প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন
গাইবান্ধায় নারীবিদ্বেষী রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার নারী নেত্রীরা: প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা | ১০ মার্চ, ২০২৬
“নারীবিদ্বেষী রাজনীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন ও প্রতিবাদ করুন”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে গাইবান্ধায় বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে সোমবার সকালে জেলা শহরের ডিসি অফিস রোড সংলগ্ন গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তু
মানববন্ধনে বক্তারা বর্তমান রাজনীতিতে নারীদের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও বিদ্বেষমূলক আচরণের তীব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, একটি রাষ্ট্র ও সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে রাজনীতির মাঠে নারীর অংশগ্রহণ ও মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে রাজনীতিতে এখনো নারীবিদ্বেষী মনোভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা নারীর ক্ষমতায়নের পথে বড় বাধা। অবিলম্বে এই অপসংস্কৃতি বন্ধের দাবি জানান তারা।
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বিভিন্ন নারী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন:
মিতা, সদস্য, পিএফজি।
সেলিনা আক্তার সোমা, সম্পাদিকা, কান্ডারী মহিলা উন্নয়ন সংস্থা।
মোছাঃ ফিরোজ বেগম, প্রচার সম্পাদিকা ও শহিদা বেগম, সদস্য, নারী ঐক্য পরিষদ।
মোছাঃ রুবি, কোষাধ্যক্ষ, দূর্বার নেটওয়ার্ক নারী পক্ষ (রংপুর অঞ্চল)।
সাজেদা পারভীন রুনু, কোষাধ্যক্ষ, যুব নারী ঐক্য পরিষদ।
মাজেদা খাতুন কল্পনা, জেলা প্রতিনিধি, দূর্বার নেটওয়ার্ক নারী পক্ষ।
এছাড়াও স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে সংহতি প্রকাশ করেন।
বক্তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, নারীদের অধিকার ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণকারী যেকোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। -

ফুলছড়ির কঞ্চিপাড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুজ্জামান নিশাদের পক্ষে নির্বাচনী মিছিল
ফুলছড়ির কঞ্চিপাড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুজ্জামান নিশাদের পক্ষে নির্বাচনী মিছিল
গাইবান্ধা ৫ সাঘাটা-ফুলছড়ি আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ নাহিদুজ্জামান নিশাদের পক্ষে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে এক নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও এলাকা থেকে আগত নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলের নেতৃত্ব দেন ওয়াহিদুজ্জামান বিশ্বাস তোহা, নজরুল ইসলাম নান্টু, নূরে আলম মণ্ডল লিংকন ও আসিফ সাজ্জাদ ছোটন।
হাঁস প্রতীকের সমর্থনে আয়োজিত মিছিলটি কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে মদনেপাড়া ও বালাসীঘাট এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একাডেমি স্কুল মাঠে এসে শেষ হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড বহন করেন এবং নির্বাচনী স্লোগানে মুখর করে তোলেন পুরো এলাকা।
মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়েই স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ নাহিদুজ্জামান নিশাদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা আরও বলেন, তাঁর সততা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও উন্নয়নমুখী চিন্তাধারার কারণে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর পাশে দাঁড়াচ্ছেন।
সমাবেশে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
-

গাইবান্ধায় সেনা ও র্যাব পরিচয়ে প্রতারণা: মূলহোতা আল আমিন গ্রেফতার।
গাইবান্ধায় সেনা ও র্যাব পরিচয়ে প্রতারণা: মূলহোতা আল আমিন গ্রেফতার।
নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা | ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাইবান্ধায় সেনাবাহিনী ও র্যাব সদস্য পরিচয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার অভিযোগে মোঃ আল আমিন (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে গাইবান্ধা সদর থানার দক্ষিণ ধানঘড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘটনার বিবরণ
মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আল আমিন কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানার নারিকেলবাড়ী এলাকার মোঃ আশরাফুল ইসলামের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য এবং গাইবান্ধা র্যাব ক্যাম্পে কর্মরত বলে পরিচয় দিয়ে আসছিল।
ভুক্তভোগী সিএনজি চালক নন্দলাল তার বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারের জন্য আল আমিনের সহায়তা চান। এই সুযোগে আল আমিন জমি উদ্ধার করে দেওয়ার নাম করে তার কাছ থেকে ১৪,০০০ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে টাকা নিয়ে আল আমিন তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যায়। ভুক্তভোগী র্যাব ক্যাম্পে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে, আল আমিন নামে সেখানে কেউ কর্মরত নেই। এ ঘটনায় নন্দলাল বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেন।
র্যাবের অভিযান ও উদ্ধার
র্যাব-১৩, সিপিসি-৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শনিবার রাত ১:৪৫ মিনিটে ধানঘড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত নিম্নোক্ত সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়:
এক জোড়া সেনাবাহিনীর বুট ও একটি ব্যাগ।
এক জোড়া হ্যান্ডকাফ।
সেনাবাহিনীর ভুয়া আইডি কার্ড, নেমপ্লেট ও মোবাইল পাস।
একটি অফিসিয়াল সিল ও সেনাবাহিনী লেখা স্টিকার।
বিভিন্ন চাকরির ভুয়া নথিপত্র এবং একাধিক সিমসহ মোবাইল ফোন।
প্রতারণার কৌশল
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আল আমিন স্বীকার করেছে যে, সে তার মোবাইলে বিভিন্ন সিমকার্ডের নম্বর ‘কর্নেল’, ‘লেঃ কর্নেল’ বা ‘ব্রিগেডিয়ার জেনারেল’ নামে সেভ করে রাখত। ভিকটিমদের সামনে ওইসব নম্বর থেকে কল আসার নাটক করে সে তাদের বিশ্বাস অর্জন করত। বাহিনীর পোশাক ও সরঞ্জাম দেখিয়ে সে সাধারণ মানুষকে কাজ গুছিয়ে দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিত।
আইনানুগ ব্যবস্থা
র্যাব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ধরনের প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। -

সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সমকালের সোহেল, সম্পাদক যমুনা টিভির পলাশ
সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সমকালের সোহেল,. সাধারণ সম্পাদক যমুনা টিভির পলাশ।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে আগামী দুই বছরের জন্য ৯ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি হিসেবে দৈনিক সমকাল-এর প্রতিনিধি মো. শাহজাহান সোহেল এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যমুনা টিভি-র জেলা প্রতিনিধি জিল্লুর রহমান পলাশ নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবের নিজস্ব কার্যালয়ে এ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি তাজুল ইসলাম রেজার সভাপতিত্বে সভা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নবগঠিত কার্যকরী কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম (করতোয়া), সহ-সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল হোসেন জাকির (একাত্তর টিভি, কালবেলা), সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম (দৈনিক ভোরের ডাক), অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম (ডেসটিনি, জনসংকেত)।
কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন—তাজুল ইসলাম রেজা (ইত্তেফাক, বিডিনিউজ), খোরশেদ আলম (দৈনিক সংবাদ, ঘাঘট) ও ছোলায়মান সরকার (যুগান্তর)।
এছাড়া সাধারণ পরিষদের সদস্য হিসেবে রয়েছেন— আবদুল জব্বার আকন্দ (সাতমাথা), এস এম আসাদুজ্জামান (আমার দেশ), নয়ন কুমার সাহা (প্রভাতের আলো), সাইদুর রহমান (নিউজ ডটনেট), আব্দুল কাফি সরকার (ক্যাম্পাস টাইমস) ও শামিম সর্দার (নয়া দিগন্ত)।
অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় বিদায়ী কমিটির গত দুই বছরের কার্যক্রম ও প্রেসক্লাবের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বক্তারা উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ববোধ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।
সভা শেষে বিদায়ী সভাপতি তাজুল ইসলাম রেজা এবং সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম আনুষ্ঠানিকভাবে নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এ সময় নবনির্বাচিত কমিটি প্রেসক্লাবের সকল সদস্যসহ কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
এরআগে, ২০২০ সালেও দুই বছর মেয়াদি কমিটিতে শাহজাহান সোহেল সভাপতি ও জিল্লুর রহমান পলাশ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। জিল্লুর রহমান পলাশ যমুনা টিভির পাশাপাশি বাংলা ট্রিবিউনের গাইব
-

সাঘাটায় চাঁদা না পেয়ে জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ
সাঘাটায় চাঁদা না পেয়ে জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় চাঁদা না দেওয়ায় পৈতৃক জমিতে হামলা, সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৪২)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ জাহিদুল ইসলাম পিতা-মৃত আঃ মালেক আকন্দ, সাং-ছাট কালপানি, থানা-সাঘাটা, জেলা-গাইবান্ধা দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। অভিযুক্তরা হলেন—
মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩৫), পিতা-মোঃ সোলেমান আলী;
মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪৫), পিতা-মৃত সৈয়দ আলী;
মোঃ আলমঙ্গীর হোসেন (৩২), পিতা-মোঃ মোওলা, সাং-শিমুলতাইড়;
এবং মোঃ লিটন মিয়া (৩২), পিতা-মোঃ আব্দুস সোবহান, সাং-ছাট কালপানি।
সবাই সাঘাটা থানার বাসিন্দা।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা চাঁদাবাজ ও ভূমি দস্যু প্রকৃতির। তারা তার নিকট ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল এবং টাকা না দিলে জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করতে দেবে না বলে হুমকি দিয়ে আসছিল।
গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে ভুক্তভোগী নিজ জমিতে অবস্থানকালে অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে লাঠি, দা, সাবল, কুড়াল ও করাতসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে। এ সময় তারা পুনরায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রায় ১০ ফুট ইটের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলে এবং ৫–৬টি সুপারি গাছ কেটে নেয়। এতে আনুমানিক ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ভুক্তভোগী বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র উঁচিয়ে তাকে খুন-জখমের হুমকি দেয়। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করলেও অভিযুক্তরা চাঁদা না দিলে জমি দখল করে নেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়।
ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শাহজাহান আলী, মোঃ নজরুল ইসলাম ও মোঃ রঞ্জু মিয়াসহ আরও অনেকে।
ভুক্তভোগী জানান, বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ করতে কিছুটা বিলম্ব হয়।
এ বিষয়ে সাঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।