Blog

  • ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযানে ধাপেরহাটে হলুদ ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

    ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযানে ধাপেরহাটে হলুদ ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

    ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযানে ধাপেরহাটে হলুদ ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা


    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট এলাকায় ভেজাল হলুদ উৎপাদনের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে বিপুল পরিমাণ রং, ভেজাল মেশানোর উপকরণ ও গুঁড়া হলুদ জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
    ‎রবিবার (২৪ মে) দুপুরে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মনের নেতৃত্বে পুলিশ ও র‍্যাবের সহযোগিতায় উপজেলার ধাপেরহাট বড় ছত্রগাছা গ্রামের আব্দুল খালেকের হলুদ ভাঙা মিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    ‎অভিযান চলাকালে খাদ্যে ব্যবহারের অনুপযোগী রং ও অন্যান্য ভেজাল উপাদান ব্যবহার করে হলুদ গুঁড়া প্রস্তুতের অভিযোগে মিল থেকে বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো ধ্বংস করা হয় এবং মিল মালিককে ভোক্তা অধিকার আইনে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
    ‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কয়েকটি মিলে কাঠের গুঁড়া, ইটের গুঁড়া ও ক্ষতিকর রাসায়নিক রং মিশিয়ে হলুদ উৎপাদন করে বাজারজাত করার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এর আগেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের অভিযান ও জরিমানার পর কিছুদিন বন্ধ থাকলেও পরবর্তীতে আবারও একই কার্যক্রম শুরু হয়।
    ‎এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই এবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযান পরিচালনা করে বলে জানা গেছে।
    ‎জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • গাইবান্ধায় ধুলা ও পোকাযুক্ত সরকারি ভিজিএফের নিম্নমানের চাল বিতরণের অভিযোগ

    গাইবান্ধায় ধুলা ও পোকাযুক্ত সরকারি ভিজিএফের নিম্নমানের চাল বিতরণের অভিযোগ

    গাইবান্ধায় ধুলা ও পোকাযুক্ত সরকারি ভিজিএফের নিম্নমানের চাল বিতরণের অভিযোগ

    গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নে সরকারি ভিজিএফের ধুলা ও পোকাযুক্ত নিম্নমানের চাল বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপকারভোগীরা।

    স্থানীয় জানান, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুস্থ ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে সরকারি ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়। তবে চাল নিতে এসে অনেকেই বস্তার ভিতরে ধুলাবালি, পোকা ও নিম্নমানের চাল দেখতে পান। চালের মান অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় তা খাওয়ার অনুপযোগী বলে অভিযোগ করেন তারা। সরকার অসহায় মানুষের জন্য সহায়তা দিলেও নিম্নমানের চাল বিতরণের কারণে তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এলাকাবাসী।

    এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর ওসিলএসডি শাহিদ হাসান
    জানান, আমি ব্যস্ত আছি এ বিষয়ে সামনা সামনি কথা বলব অভিযোগ অস্বীকার করে বলে চাল ভালো আছে ।

    গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লোকমান হোসেন বলেন,সরেজমিনে গিয়ে চালের মান যাচাই করা হবে। নিম্নমানের চাল বিতরণের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • গাইবান্ধায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফায়ার সপ্তাহ–২০২৬ উদ্বোধন

    গাইবান্ধায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফায়ার সপ্তাহ–২০২৬ উদ্বোধন

    গাইবান্ধায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফায়ার সপ্তাহ–২০২৬ উদ্বোধন

    “অগ্নিযোদ্ধাদের একটাই পণ, নিরাপদ রাখবো সম্পদ ও জীবন”— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে গাইবান্ধায় শুরু হয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬।

    বুধবার (২০শে মে) গাইবান্ধা জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন উড়িয়ে এই সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক (ডিসি) জনাব মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) জনাব মোঃ জসিম উদ্দীন।

    সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা সভা
    আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গাইবান্ধা জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ মাহমুদুল হাসান বিএফএম-এর সভাপতিত্বে সভায় বক্তারা অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন।

    উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:
    ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।’ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ’ (VBD) এর স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী।বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, গাইবান্ধা জেলা ইউনিটের সদস্যবৃন্দ। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার স্থানীয় সাংবাদিকগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রমূখ।

    উল্লেখ্য, আগামী কয়েকদিন জেলাজুড়ে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া, সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন এবং বিভিন্ন প্রদর্শনীর মাধ্যমে এই ফায়ার সপ্তাহ উদযাপিত হবে।

     

  • গাইবান্ধা শহরে সন্ধ্যার পর বাড়ছে মদপান, ছিনতাই ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড: আতঙ্কে সাধারণ পথচারী মানুষ।

    গাইবান্ধা শহরে সন্ধ্যার পর বাড়ছে মদপান, ছিনতাই ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড: আতঙ্কে সাধারণ পথচারী মানুষ।

    গাইবান্ধা শহরে সন্ধ্যার পর বাড়ছে মদপান, ছিনতাই ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড: আতঙ্কে সাধারণ পথচারী মানুষ।

    গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন এলাকায় সন্ধ্যার পর প্রকাশ্যে মদপান, অশ্লীল আচরণ, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    এতে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহরের পোস্ট অফিসের সামনে, স্টেডিয়ামের পিছনে, কাচারি বাজারের সামনে, কাউয়া চত্বর, ডেভিড কোম্পানি পাড়া, সরকার পাড়া রেললাইন এলাকা এবং নতুন ব্রিজ সংলগ্ন ডেভিড কোম্পানি পাড়া বাঁধের পাশে প্রতিনিয়ত অবৈধ মদের আড্ডা ও অসামাজিক কার্যকলাপ চলতে দেখা যাচ্ছে।
    সন্ধ্যার পর এসব এলাকায় বখাটে ও মাদকাসক্তদের আনাগোনা বেড়ে যায়, যার কারণে সাধারণ মানুষের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অবৈধ মদের ভাটি ও আড্ডাগুলোকে কেন্দ্র করে এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও বিশৃঙ্খল আচরণ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষ সন্ধ্যার পর প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।
    এদিকে সহজলভ্য ও স্বল্পমূল্যে মদ পাওয়া যাওয়ায় তরুণ ও যুব সমাজের একটি অংশ দ্রুত মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, এটি শুধু কয়েকটি পরিবারের সমস্যা নয়, বরং পুরো সমাজের জন্য ভয়াবহ হুমকিতে পরিণত হচ্ছে।
    স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা অবৈধ মদের ভাটি ও আড্ডাগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত পুলিশ টহল, কঠোর নজরদারি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

     

  • নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই স্কুল বন্ধের অভিযোগ

    নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই স্কুল বন্ধের অভিযোগ

    নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই স্কুল বন্ধের অভিযোগ,,,,,

    গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের বুরঙ্গীসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকার নিধারিত সময়ের অনেক আগেই স্কুল বন্ধের অভিযোগ উঠেছে।সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিকেল ৩.১৫ মিনিটে স্কুলটি সম্পুর্ণ রুপে বন্ধ।এমনি কি স্কুলটি তে জাতীয় পতাকাও নামানো ছিল।যেখানে বিকেল ৪.১৫ মিনিট এ স্কুলটি বন্ধ হওয়ার কথা ছিল সেখানে ৩. ১০/১৫ মিনিটেই স্কুলটি সম্পুর্ণ রুপে বন্ধ পাওয়া যায়।এ ব্যাপারে স্কুলটি প্রধানশিক্ষীকার সঙ্গে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি কৌশলে স্কুল বন্ধের ব্যাপারটি এরিয়ে যান।তার কিছুখন পরে স্কুল টির দপ্তরি আদর দ্রুততার সঙ্গে চলে আসেন এবং সাংবাদিকদের বলেন প্রধানশিক্ষিকা আমাকে স্কুল বন্ধ বললে আমি বিকেল ৩.১০/১৫ মিনিট এ স্কুলটি বন্ধ করে চলে যাই।এই বিষয় এ জানতে চাইলে সাংবাদিকদের এলাকাবাসীরা জানান এই স্কুল টি তে কোমলমতি শিশু দের পাঠদান সম্পুর্ণ হওয়ার কথা, সেখানে পাঠদান না করে গান করা হয়।এ ব্যাপারে এলাকাবাসী আরো বলেন এই স্কুলটি নিয়মিত বিকেল ৩টা বাজার পর পর ই বন্ধ হয়ে যায়,এ বিষয়ে এলাকাবাসীরা আরো জানান যেখানে শিক্ষক /শিক্ষিকা রা আসার কথা ছিল সকাল ৯টায় সেখানে তারা আসেন সকাল ১০ টা পর। এ ব্যাপারে ওই স্কুলের ক্লাস ফোর ও ফাইভ এর ছাএ ছাএীরা সাংবাদিকদের বলেন এই স্কুলটি নিয়মিত বিকেল ৩টা পর পরই বন্ধ করে স্যার ম্যাডাম রা চলে যান ।এলাকাবাসীরা সাংবাদিকদের আরো বলেন এই স্কুলটির পাঠদান নাই বললেই চলে। সাংবাদিক রা জানতে চাইলে এই স্কুল এর দায়িত্বে থাকা এটিও ফিরোজ কবীর বলেন আমি বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

  • হামে আক্রান্তদের সুচিকিৎসা ও নারী-শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে নারীমুক্তি কেন্দ্রের বিক্ষোভ সমাবেশ

    হামে আক্রান্তদের সুচিকিৎসা ও নারী-শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে নারীমুক্তি কেন্দ্রের বিক্ষোভ সমাবেশ

    হামে আক্রান্তদের সুচিকিৎসা ও নারী-শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে নারীমুক্তি কেন্দ্রের বিক্ষোভ সমাবেশ
    স্টাফ রিপোর্টার:
    হামে আক্রান্ত শিশুদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণ এবং সারাদেশে অব্যাহত নারী-শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র।
    রবিবার (১৭ মে ২০২৬) বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠনটির উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একইসঙ্গে মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী ও শিশু নির্যাতন, বলৎকার, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।
    বক্তারা এসব ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে।
    বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি কমরেড সীমা দত্ত। এছাড়া বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আসমা আক্তার এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুস্মিতা রায় সুপ্তি।
    সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত স্লোগান দেন এবং নারী-শিশু নির্যাতন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

  • গাইবান্ধা শহরের ঐতিহ্যবাহী  পুরাতন বাজার ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনে সেকেন্দার সভাপতি, রিজু সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

    গাইবান্ধা শহরের ঐতিহ্যবাহী  পুরাতন বাজার ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনে সেকেন্দার সভাপতি, রিজু সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

    গাইবান্ধা শহরের ঐতিহ্যবাহী  পুরাতন বাজার ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনে সেকেন্দার সভাপতি, রিজু সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
    (more…)

  • Untitled post 2800

    গাইবান্ধায় কাবিননামা জালিয়াতির অভিযোগে গোফফার কাজী গ্রেফতার

    ‎গাইবান্ধায় কাবিননামা বিকৃতি, নকল রেজিস্টার বই ব্যবহার এবং বিয়ে রেজিস্ট্রিতে প্রতারণার অভিযোগে এক কাজীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম মোঃ আব্দুল গোফফার আকন্দ, যিনি গাইবান্ধা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের ডেভিড কোম্পানি পাড়া এলাকায় একটি মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রেশন অফিস পরিচালনা করে আসছিলেন।

    ‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই কাজী অফিসের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, জাল-জালিয়াতি এবং ভুয়া কাবিননামা তৈরির অভিযোগ উঠছিল। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি অনুমোদন ও বৈধ নথিপত্রের তোয়াক্কা না করে কিছু অসাধু কাজী অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এতে নিম্নআয়ের ও সাধারণ পরিবারগুলো বিয়ে সংক্রান্ত জটিলতা ও মামলা-মোকদ্দমায় পড়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    ‎ভুক্তভোগী গাইবান্ধা সদর উপজেলার কোমরপুর এলাকার বাসিন্দা মোছাঃ রিক্তা আক্তার শিখা অভিযোগ করেন, গত ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বোয়ালী ইউনিয়নের নশরৎপুর গ্রামের মোঃ শরিফ আল কামালের সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় ১০ লক্ষ টাকা। কিন্তু পরে কাবিননামার কপি চাইলে কাজী বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।

    ‎পরবর্তীতে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে গত ৩ মে তিনি গাইবান্ধা পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে কাজীর কাছে মূল কাবিননামা উপস্থাপন করতে বলা হলে তিনি ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা দেনমোহর উল্লেখ করা একটি কাবিননামা দেখান। ভুক্তভোগীর দাবি, এটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং প্রকৃত কাবিননামা গোপন করে প্রতারণার উদ্দেশ্যে জাল নথি তৈরি করা হয়েছে।

    ‎এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, তার স্বামীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে মূল ১০ লক্ষ টাকার কাবিননামার পরিবর্তে কম টাকার ভুয়া কাবিননামা তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবাদ করলে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে কাজী অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ‎এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে ১৪ মে ২০২৬ তারিখে পুলিশ অভিযুক্ত গোফফার কাজী ও সংশ্লিষ্ট আরেকজনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে।

    ‎গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

    ‎অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, জেলার কিছু অসাধু কাজী একই সঙ্গে একাধিক কাবিননামা রেজিস্টার বই ব্যবহার করে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন প্রেস বা ছাপাখানা থেকে অবৈধভাবে নকল রেজিস্টার বই তৈরি করে এসব জাল কাবিননামা প্রস্তুত করা হয়। পরবর্তীতে কোনো বিরোধ বা আইনি জটিলতা দেখা দিলে প্রকৃত কাগজপত্র গোপন করে ভুক্তভোগীদের হয়রানির মুখে ফেলা হয়।

    ‎স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের প্রতারণা শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়, সামাজিক ও পারিবারিক অস্থিরতারও বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অবৈধ কাবিননামা সিন্ডিকেটের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

  • গাইবান্ধায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মনির।

    গাইবান্ধায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মনির।

    গাইবান্ধায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মনির।

    গাইবান্ধায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আবারও আটক হয়েছেন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মনির। জেলা গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) পুলিশের অভিযানে তাকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান পরিচালনা করে মনিরকে আটক করে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
    এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ডিবি পুলিশের এমন সফল অভিযানের প্রশংসা করেছেন। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তি ও নেপথ্যের গডফাদারদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
    জেলা গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্থানীয়রা বলেন, মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা জরুরি।
    এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান চলমান থাকবে এবং জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

  • রাতের আঁধারে সরকারি চাল পাচারের চেষ্টা, ৬৬৭ বস্তাসহ ট্রাক জব্দ,আটক ২

    রাতের আঁধারে সরকারি চাল পাচারের চেষ্টা, ৬৬৭ বস্তাসহ ট্রাক জব্দ,আটক ২

    রাতের আঁধারে সরকারি চাল পাচারের চেষ্টা, ৬৬৭ বস্তাসহ ট্রাক জব্দ,আটক ২

    নেত্রকোনার মদন উপজেলায় পাচারকালে ৬৬৭ বস্তা সরকারি চালসহ একটি ট্রাক জব্দ করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে নেত্রকোনা-মদন সড়কের সাম্য ফিলিং স্টেশনের সামনে অভিযান চালিয়ে চালভর্তি ট্রাকটি জব্দ করা হয়। এ সময় ট্রাকের চালক ও তাঁর সহকারীকে আটক করা হয়েছে।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে মদন উপজেলা সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে ৬৬৭ বস্তা (প্রায় ২০ টন) সরকারি চাল নিয়ে একটি ট্রাক বের হয়। চালগুলো জেলার বারহাট্টা উপজেলার বাউসীর তালুকদার রাইস মিলে নেওয়া হচ্ছিল বলে জানা যায়। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করে প্রশাসনকে খবর দেন।
    খবর পেয়ে মদন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওলিন নাহার পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এ সময় ট্রাকচালক শামীম চাল পরিবহনের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট কাগজপত্র বা তথ্য দেখাতে না পারায় চালভর্তি ট্রাকটি জব্দ করা হয় এবং পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
    এ বিষয়ে মদন খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম বলেন,
    “আমি বর্তমানে এলাকায় নেই। চাল জব্দের বিষয়ে কিছু জানি না।”
    মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রী জানান, সরকারি চাল জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রককে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
    মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, জব্দ হওয়া চালভর্তি ট্রাকসহ চালক ও তাঁর সহকারী বর্তমানে থানায় রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।