Blog

  • জুলাই বিপ্লবে আহতদের মধ্যে প্রথমে ১০০ জনকে পুলিশে চাকরি দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    জুলাই বিপ্লবে আহতদের মধ্যে প্রথমে ১০০ জনকে পুলিশে চাকরি দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    জুলাই বিপ্লবে আহতদের মধ্যে প্রথমে ১০০ জনকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কাজ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। পর্যায়ক্রমে এই প্রক্রিয়া আরও বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও সিআইডি কার্যালয় পরিদর্শন শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব তথ্য জানান।

    তিনি জানান, এক হাজার ছাত্রদের ট্রাফিক ডিউটিতে নেওয়ার জন্য প্রোপোজাল লেটার দেওয়া হয়েছে। যারা ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা ডিউটি করবে।

    বিগত সরকারের বড় সমস্যা ছিল মানিলন্ডারিং উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ব্যাংক থেকে কতো টাকা খোয়া গেছে। সব রিপোর্ট সিআইডিকে দ্রুত দিতে হবে।তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে অনেকেই দেশ ত্যাগ করার সুযোগ পেয়েছেন, যার বড় কারণ ছিল সেসময় সরকার ছিল না। তবে সরকার গঠনের পর যারা দেশ ত্যাগ করেছেন তাদের বিষয়ে অধিক তদন্ত গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • ডিআইজিসহ পুলিশের ৫ কর্মকর্তাকে বদলি

    ডিআইজিসহ পুলিশের ৫ কর্মকর্তাকে বদলি

    একজন ডিআইজিসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি করে নতুন দায়িত্ব দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    বদলি কর্মকর্তাদের মধ্যে পুলিশের বিশেষ শাখার ডিআইজি মো. সরওয়ারকে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আতিকুর রহমানকে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার, রাজশাহীর সারদার অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ এনামুল হককে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার, এসবির পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমানকে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এবং ঢাকা রেঞ্জের পুলিশ সুপার (হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন) আসলাম শাহাজাদার আদেশ বাতিল করে একই দপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে।

    জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • তিন জেলা জজকে বদলি

    তিন জেলা জজকে বদলি

    বিচার বিভাগের তিন কর্মকর্তাকে (জেলা জজ) বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৩-এর উপসচিব (প্রশাসন-১) মো. আজিজুল হক স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের তিন সদস্যকে বর্তমান কর্মস্থল হতে বদলি করা হয়েছে।বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব (জেলা জজ) মো. আবদুর রহমান সরদারকে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সংযুক্ত কর্মকর্তা, কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক (জেলা জজ) মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদারকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব এবং গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ শামীমা আফরোজকে আইন ও বিচার বিভাগের সংযুক্ত কর্মকর্তা হিসেবে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বদলি করা হলো।

  • শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়িয়েছে ভারত

    শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়িয়েছে ভারত

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়িয়েছে দেশটি। গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করতে গত ২৩ ডিসেম্বর নয়াদিল্লির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। এরই মধ্যে তার ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর খবর পাওয়া গেল।দিল্লিভিত্তিক হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগ করেন এবং তখন থেকেই তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি তার ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

    তবে ভারত ঠিক কবে শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়িয়েছে, তা এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

    ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিল। তবে তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া নিয়ে যে গুঞ্জন রয়েছে, সেই কথাও অস্বীকার করা হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, ভারতে শরণার্থী এবং আশ্রয় দেওয়ার ব্যাপারে কোনো সুনির্দিষ্ট আইন নেই।

    এদিকে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গুম এবং অন্যান্য অপরাধের অভিযোগে ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। শেখ হাসিনা ও তার সহযোগী ১২ জনকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হাজির করতে বলেছেন ট্রাইব্যুনাল।

    বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান বলেছেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় ৭৪ জনের হত্যাযজ্ঞের তদন্তের অংশ হিসেবে তারা শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ভারতে যেতে চান।

    হিন্দুস্তান টাইমস আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের এমন উদ্যোগকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে নয়াদিল্লির ওপর চাপ বৃদ্ধির প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • মোবাইল রিচার্জে ১০০ টাকার মধ্যে ৫৬ টাকাই ভ্যাট

    মোবাইল রিচার্জে ১০০ টাকার মধ্যে ৫৬ টাকাই ভ্যাট

    ফের খরচ বাড়ছে মোবাইলে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে। এবার এই সেবার ওপর ৩ শতাংশ সম্পূরক কর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা সরকারের পক্ষ থেকে অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। যেকোনো সময় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল ফোন সেবায় সম্পূরক শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছিল। সেটি এখন আরও বাড়িয়ে ২৩ শতাংশ করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    সে অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মোবাইলে ১০০ টাকার রিচার্জ করলে সম্পূরক শুল্ক, ভ্যাট ও সারচার্জ দিতে হয় ২৮ দশমিক ১ টাকা, রেভেনিউ শেয়ার ও মিনিমাম ট্যাক্স দিতে হয় ৬ দশমিক ১ টাকা, পরোক্ষ কর দিতে হয় ২০ দশমিক ৪ টাকা।

    অর্থাৎ, গ্রাহক ১০০ টাকা রিচার্জ করলে সবমিলিয়ে কর দিতেন ৫৪ দশমিক ৬ টাকা।

    অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূরক শুল্ক আরও ৩ শতাংশ বাড়ালে কর দিতে হবে ৫৬ দশমিক ৩ টাকা। যার মধ্যে সম্পূরক শুল্ক, ভ্যাট ও সারচার্জ কাটবে ২৯ দশমিক ৮ টাকা। রেভিনিউ শেয়ার ও মিনিমাম ট্যাক্স কাটবে ৬ দশমিক ১ টাকা, পরোক্ষ কর কাটবে ২০ দশমিক ৪ টাকা।

    অর্থাৎ, সামনে থেকে গ্রাহক ১০০ টাকা রিচার্জ করলে সবমিলিয়ে কর দিতে হবে ৫৬ দশমিক ৩ টাকা।

    ফলে এখন গ্রাহক ১০০ টাকায় ব্যবহার করতে পারবেন মূলত মাত্র ৪৩ টাকা ৭০ পয়সা।

    এদিকে, মোবাইলে ফোন সেবায় দফায় দফায় খরচ বাড়ায় ইন্টারনেট গ্রাহক কমছে। তাছাড়া অনেকে ডাটা ব্যবহারের খরচে কাটছাঁট করছেন। এতে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার বদলে উল্টোপথে হাঁটছে দেশের মানুষ।

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী—গত নভেম্বর মাসে মুঠোফোনের গ্রাহক ছিল ১৮ কোটি ৮৭ লাখ, যা গত জুনের চেয়ে ৭৩ লাখ কম। অন্যদিকে জুনের চেয়ে মুঠোফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৯৭ লাখ কমে ১৩ কোটি ২৮ লাখে নেমেছে।

    ভয়েস কল এবং ইন্টারনেট ডাটায় নতুন করে কর বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে বৈষম্যমূলক আচরণ বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এনবিআরের ওপর ফ্যাসিবাদ সরকারের আত্মা ভর করেছে। সেজন্যই নতুন করে গ্রাহকদের ওপর অনৈতিকভাবে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে। আমরা মনে করি এ ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত একমাত্র তারাই নিতে পারে যাদের ওপর বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের ছায়া রয়েছে। ইন্টারনেট পরিষেবায় আমরা বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় তলানিতে আছি কিন্তু ভ্যাটের ক্ষেত্রে বিশ্বের সর্বোচ্চ স্থানে। যেখানে দেশের এখনো ৪৮ শতাংশ জনগণ ইন্টারনেট সেবার বাইরে আছে সেখানে নতুন করে এই উচ্চ কর নাগরিকদের ইন্টারনেট সেবা থেকে বিমুখ করবে। এমন সিদ্ধান্ত নতুন করে বৈষম্য সৃষ্টি করবে।জনগণের পকেট কাটার জন্য এমন সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক এবং অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা প্রাণ দিয়েছিল জবাবদিহিতামূলক গণতন্ত্র ও সেবামূলক রাষ্ট্র গঠন করার জন্য। কিন্তু বর্তমান সরকার এবং এনবিআর সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়টি ভুলে গিয়ে রাষ্ট্রের অর্থ যোগানোর জন্য জনগণের পকেট কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা হঠকারী, অযৌক্তিক এবং ফ্যাসিবাদী আচরণের অংশ। এমন সিদ্ধান্ত থেকে তাদের সরে আসতে হবে।

  • ৬ সন্তান ও স্বামী ছেড়ে ভিক্ষুকের সঙ্গে পালালেন নারী!

    ৬ সন্তান ও স্বামী ছেড়ে ভিক্ষুকের সঙ্গে পালালেন নারী!

    ছয় সন্তান ও স্বামী ছেড়ে ভিক্ষুকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ৩৬ বছর বয়সী এক নারীর বিরুদ্ধে। ভারতের উত্তর প্রদেশের হারদই জেলার ঘটেছে এই ঘটনা। খবর এনডিটিভির। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই নারীর স্বামী রাজু এই ঘটনায় ইতোমধ্যে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান শুরু করেছে।

    অভিযোগে ৪৫ বছর বয়সী রাজু বলেছেন, স্ত্রী রাজেশ্বরী ও ছয় সন্তানকে নিয়ে হারদইয়ের হারপালপুর এলাকায় বসবাস করেন। ৪৫ বছর বয়সী নানহে পণ্ডিত এলাকায় মাঝেমধ্যে ভিক্ষা করতে আসতেন। নানহে ভিক্ষা করতে আসলে প্রায় রাজেশ্বরীর সঙ্গে গল্প করতেন এবং তারা ফোনেও কথা বলতো।

    অভিযোগে রাজু আরও বলেছেন, গত ৩ জানুয়ারি আনুমানিক দুপুর ২টায় রাজেশ্বরী আমাদের মেয়ে খুশবুকে বলে যে কাপড় ও সবজি কিনতে সে বাজার যাচ্ছে। এরপর রাজেশ্বরী না ফিরলে আমি সবখানে খোঁজ নিই কিন্তু তাকে পাইনি।

    রাজু বলেছেন, একটি মহিষ বিক্রি করার যে টাকা ছিল তা নিয়েও আমার স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। আমি সন্দেহ করছি নানহে তাকে নিয়ে গেছে।

    পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা নানহে পণ্ডিতকে খুঁজছে।

  • শেখ হাসিনাসহ ৭৫ জনের পাসপোর্ট বাতিল

    শেখ হাসিনাসহ ৭৫ জনের পাসপোর্ট বাতিল

    জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িত থাকায় সরকার শেখ হাসিনাসহ ৭৫ জনের পাসপোর্ট বাতিল করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই কথা জানান। এছাড়া গুম-হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকায় আরও ২২ জনের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আজাদ মজুমদার জানান, ভারত সরকার এই বিষয়ে জানে এবং সে জন্য ট্রাভেল ডকুমেন্ট ইস্যু করা হয়েছে। পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে আমাদের কাছে ৭৫ জনের পাসপোর্ট বাতিলের কথা জানানো হয়েছে। তবে এর বিস্তারিত বা কাদের কাদের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে সেই তথ্য আমাদের কাছে নেই।

    তিনি আরও বলেন, আইনগতভাবে একাধিক পাসপোর্ট থাকার বিধান নেই। পাসপোর্ট বাতিল হলে কূটনৈতিক পাসপোর্টই বাতিল হয়েছে।

  • সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে যাতায়াতের রাস্তা কেটে টিনসেট ঘর নির্মান

    সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে যাতায়াতের রাস্তা কেটে টিনসেট ঘর নির্মান

    গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে যাতায়াতের রাস্তা কেটে টিনসেট ঘর নির্মানের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এরশাদুলের বোন ফরিদা পারভীন(৪২)বাদি হয়ে কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের বিবরনী থেকে জানা যায়, উপজেলার কঞ্চিবাড়ি গ্রামের মৃত সমসের আলীর ছেলে এরশাদুল হকের সাথে প্রতিবেশী মৃত বজলার রহমানের স্ত্রী মুক্তা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত রবিবার ভুক্তভোগীরা বাড়িতে কেউ না থাকায় এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে সেই দিন দুপুরে মুক্তাবেগম(৪৮) তার লোকজন নজরুল ইসলাম, রওশন আলী, এরশাদ মিয়া, নয়া মিয়া, জলিল মিয়া, দুলা মিয়া ও মাহফুজ মিয়াদের নিয়ে এরশাদুলের জমিতে থাকা যাতায়াতের রাস্তা কাটে এবং কাটা রাস্তার মাথায় একটি টিনসেট ঘর নির্মান করে । এছাড়াও জমিতে থাকা ইউক্যালিপটাস, আম, আতার মত বিভিন্ন প্রকার গাছ কেটে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মুল্য ৪০ হাজার টাকা। পরে সন্ধ্যায় বাসায় এসে এসব ঘটনা দেখতে পায় ভুক্তভোগীরা।

    অপরদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষ মুক্তা বেগম বলেন, প্রতিপক্ষ এরশাদুলদের যাতায়াতের কোনো রাস্তা না থাকায়  তার জমির ওপর দিয়ে রাস্তা বানিয়েছিলো। তিনি আরো জানান এরশাদুলের জমিতে থাকা রাস্তা তারা কাটেনী। তারা মেপে তাদের জমিতে থাকা রাস্তা কেটেছে এবং টিনসেট ঘর তুলেছে।

  • গাইবান্ধায় শীতার্থ মানুষের পাশে দাড়ালো সেনাবাহিনী

    গাইবান্ধায় শীতার্থ মানুষের পাশে দাড়ালো সেনাবাহিনী

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের ও জনগণের কল্যাণে নানাবিধ জনসেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারও গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার দরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। ৬ জানুয়ারী সোমবার বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের অধীনস্থ ৬ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন গাইবান্ধা আর্মি ক্যাম্প এর সদস্যগণ এ শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। গাইবান্ধা আর্মি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার সাতারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অসহায়, গরীব ও দুস্থ শীতার্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মো. রোকনুজ্জামান জয়। এছাড়াও শীতবস্ত্র বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বেসামরিক কর্মকর্তাগণ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক এরূপ জনসেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এ দিকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র উপহার পেয়ে সাধারণ জনগণ আনন্দ এবং সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • গাইবান্ধায় কৃষক দলের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    গাইবান্ধায় কৃষক দলের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    সারাদেশে তিন মাসব্যাপী ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষক সমাবেশের অংশ হিসেবে গাইবান্ধা সদরের ঘাগোয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের উদ্যেগে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে সদরের দাড়িয়াপুর আমানউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    ঘাগোয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কৃষক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষক দলের আহব্বায়ক মোঃ মোস্তাক আহমেদ মোস্তাক, সদস্য সচিব মোঃ আনিছুরজ্জামান খান লোহানী তুষার, সদর থানা কৃষক দলের আহব্বায়ক মোঃ আবু তাহের সরকার, সদস্য সচিব মোঃ বুলবুল আহম্মেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মধু মিয়া শহর কৃষক দলের আহব্বায়ক মোঃ মাসুদ রানা, জেলা কৃষক দলের সদস্য কৃষিবিদ কাদের চৌধুরী।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন,সদর থানা বিএনপির সদস্য সচিব ইলিয়াস হোসেন, ঘাগোয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়া, কামারজানী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান পাপুল হাসান, সহ অনেকে।

    সমাবেশে বক্তরা,কৃষকদের সমস্যা, কৃষি উন্নয়ন, এবং সরকারি সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করেন। কৃষক সমাজের উন্নয়নে কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। এ ধরনের সমাবেশ কৃষকদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সংগঠিত হওয়ার প্রেরণা দেবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।