বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাংলোর গার্ডের ওয়াশরুম থেকে পুলিশ সদস্য মরদেহ উদ্ধার

 

গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাংলোর গার্ডের ওয়াশরুম থেকে পুলিশ সদস্য মরদেহ উদ্ধার

 

গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাসভবনের গার্ডের ওয়াশরুম থেকে গলায় গামছা পেছানো অবস্থায় হাবিবুর রহমান নামে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা পুলিশ সুপার মো জসিম উদ্দিন।

নিহত হাবিবুর রহমানের বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়ায়। তিনি সদর এলাকার সরদার পাড়া মন্টু মিয়ার ছেলে।

জেলা পুলিশের সুত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোতে  আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্যারাকের ওয়াশরুমের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ পান অন্য সদস্যরা। পরে সন্দেহ হলে ব্যারাকের গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া তাকে কয়েকবার ডাকেন। এতে সাড়া না মেলায় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওয়াশরুমের দরজায় ধাক্কা দিয়ে দরজা খুললে ভেতরে প্রবেশ করে হাবিবুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। হাবিবুর গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে ভবনের রডের সাথে ঝুলছিল। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহের সুরতহাল এর জন্য জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Farhan Shekh

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাংলোর গার্ডের ওয়াশরুম থেকে পুলিশ সদস্য মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাংলোর গার্ডের ওয়াশরুম থেকে পুলিশ সদস্য মরদেহ উদ্ধার

Update Time : ০৪:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

 

গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাংলোর গার্ডের ওয়াশরুম থেকে পুলিশ সদস্য মরদেহ উদ্ধার

 

গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাসভবনের গার্ডের ওয়াশরুম থেকে গলায় গামছা পেছানো অবস্থায় হাবিবুর রহমান নামে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা পুলিশ সুপার মো জসিম উদ্দিন।

নিহত হাবিবুর রহমানের বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়ায়। তিনি সদর এলাকার সরদার পাড়া মন্টু মিয়ার ছেলে।

জেলা পুলিশের সুত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোতে  আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্যারাকের ওয়াশরুমের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ পান অন্য সদস্যরা। পরে সন্দেহ হলে ব্যারাকের গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া তাকে কয়েকবার ডাকেন। এতে সাড়া না মেলায় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওয়াশরুমের দরজায় ধাক্কা দিয়ে দরজা খুললে ভেতরে প্রবেশ করে হাবিবুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। হাবিবুর গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে ভবনের রডের সাথে ঝুলছিল। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহের সুরতহাল এর জন্য জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।