Category: জাতীয়

  • সচিবালয়ে আগুন, সাদা পাউডার ও মৃত কুকুর নিয়ে প্রশ্ন

    সচিবালয়ে আগুন, সাদা পাউডার ও মৃত কুকুর নিয়ে প্রশ্ন

    প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে আগুন লাগার ঘটনায় সন্দেহজনক বেশ কিছু বিষয় সামনে এসেছে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ৭ নম্বর ভবনের ষষ্ঠ থেকে নবম তলায় সাদা পাউডার পাওয়া গেছে। করিডরের মধ্যে কীভাবে সাদা পাউডার এল, সে প্রশ্ন উঠেছে। এটি কি দাহ্য নাকি চুন (ক্যালসিয়াম অক্সাইড), তা খতিয়ে দেখতে সিআইডির ফরেনসিক ল্যাব ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গঠিত আট সদস্যের তদন্ত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) একাধিক সদস্য ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে পাওয়া সাদা পাউডার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। দুটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার প্রতিবেদন আজ রবিবার পাওয়া যাবে বলে সভায় জানানো হয়।

    সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মৃত একটি কুকুর নিয়েও আলোচনা হয়। কুকুরটি কি আগুন লাগার আগে সেখানে ছিল, নাকি পরে উঠেছে, এ বিষয়ে জানতে চান একাধিক সদস্য।এই কুকুরটি কি সচিবালয়ে পালিত, নাকি আগে থেকে ছিল, তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়। ভবনটিতে ফায়ার অ্যালার্ম ও পানি ছিটানোর নজেল নষ্ট কেন, তা নিয়ে বৈঠকে বুয়েটের একজন সদস্য প্রশ্ন তোলেন।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, ক্ষতিগ্রস্ত ভবন থেকে সাদা পাউডারের নমুনা সংগ্রহ করে শনিবার তা বুয়েট ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে মৃত কুকুরের নমুনা নিয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত হয়।গত বুধবার গভীর রাতে সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে ভবনটির ষষ্ঠ থেকে নবম তলায় অবস্থিত পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের নথিপত্র, কম্পিউটার ও আসবাব পুড়ে যায়। আগুন লাগার কারণ ও উৎস অনুসন্ধানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বৃহস্পতিবার রাতে ৮ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ওসমান গনিকে। কমিটির প্রথম বৈঠক হয় গত শুক্রবার, দ্বিতীয় বৈঠক হয় শনিবার।

    আজ রবিবারও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। কাল ৩০ ডিসেম্বর কমিটিকে প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে হবে। কমিটি গঠনের পর ১০ কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।শনিবারের বৈঠকের বিষয়ে তদন্ত কমিটির কোনো সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলতে রাজি হননি। তবে বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, আগুন লাগার ‘সময়কে’ (রাত পৌনে ২টা) বিশেষ আমলে নিয়েছে তদন্ত কমিটি। রাতের বেলায় সচিবালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, গণপূর্ত অধিদপ্তরের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।কমিটির সদস্য বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সাবেক অধ্যাপক মাকসুদ হেলালী গণমাধ্যমকে বলেন, এখনো বলার মতো কিছু হয়নি। তদন্তের কাজ চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। এখন তা বিচার-বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

    বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) ছিল বড়দিনের ছুটি। সেদিন সব সরকারি অফিস-আদালত বন্ধ ছিল। তবু অস্থায়ী পাস নিয়ে বেশ কয়েকজন অপরিচিত মানুষ সচিবালয়ে ঢুকেছেন বলে বৈঠকে আলোচনা হয়। এরা কারা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    শনিবারের বৈঠকে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়গুলোর প্রতিনিধিদের ডাকা হয়। তাঁদের মন্ত্রণালয়ে কী কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা আজ রবিবারের মধ্যে কমিটির কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সময়ে আগুনের ব্যাপকতা কেন এত বেশি ছিল, সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে।

    ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে গিয়ে ৭ নম্বর ভবনের ফায়ার অ্যালার্ম ও পানি ছিটানোর নজেল নষ্ট দেখেন। কেন নজেল নষ্ট ছিল বা এটা আগে জানানো হয়েছিল কি না, এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয় বৈঠকে। স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার কক্ষ কেন পুড়ে ছাই হলো তা-ও অনুসন্ধান করা উচিত বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।

    এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আজ থেকে তাঁদের অধীন সংস্থাগুলোর দপ্তরে অস্থায়ী অফিস করবেন।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সচিবালয়ে প্রবেশের আগে আবেদন গ্রহণ করতে রাজধানীর আবদুল গণি রোডে ডিএমপির ক্রাইম কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারে একটি অস্থায়ী সেল গঠন করা হয়েছে।

  • নারায়ণগঞ্জে পুলিশের ওপর মাদক ব্যবসায়ীদের হামলা, আহত ৫

    নারায়ণগঞ্জে পুলিশের ওপর মাদক ব্যবসায়ীদের হামলা, আহত ৫

    নারায়ণগঞ্জ শহরের জিমখানা রেলওয়ে কলোনিতে পুলিশের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে জিমখানা রেলওয়ে কলোনির ভেতরে ও পরবর্তীতে মন্ডলপাড়া ব্রিজের ওপর কয়েক দফা পুলিশের গাড়িতে দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা চালায় মাদক ব্যবসায়ীরা।এসময় চার থেকে পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিক তাদের নাম জানা যায়নি।এ ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, আলম চান, আরিফ ও নাসির। বাকী দুইজনের নাম জানা যায়নি।স্থানীয় লোকজন জানান, শনিবার রাতে সদর থানা পুলিশের সদস্যরা আরিফ নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ধরতে গেলে জিমখানার মাদক ব্যবসায়ী আলম চান তাতে বাধা দেয়।এ সময় পুলিশ আলম চান আরিফ ও নাসির নামে আরো একজনকে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় আলম চানের পরিবার ও অনুসারীরা পুলিশের গাড়িতে কয়েক দফা হামলা চালায়।এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন, শহরের জিমখানা রেলওয়ে কলোনীতে মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে গেলে তারা আমাদের গাড়িতে হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেয়। এতে গাড়ির চালেকের পাশের গ্লাস ভেঙে চালক আহত হন। তাদের হামলায় আমাদের কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।তিনি আরো বলেন, হামলার খবর পেয়ে আমরা পুরো জিমখানা এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছি। এ ঘটনায় রাত ১১ টা পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আলম চান নাম এক মাদক ব্যবসায়ী পুরো জিমখানা বস্তিতে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে। তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। সেই সঙ্গে বাকিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

  • বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গিয়ে প্রেম, অতঃপর বিয়ে

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গিয়ে প্রেম, অতঃপর বিয়ে

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গিয়ে বরগুনায় মীর রিজন মাহমুদ নিলয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় একই জেলার ফৌজিয়া তাসনীন আনিকার। ভালো লাগা থেকে শুরু হয় তাদের প্রেমের গল্প, অবশেষে হলেন একে অন্যের জীবন সঙ্গী।শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে আন্দোলনের প্রায় ৫ মাস পর বিয়ের পিঁড়িতে বসে প্রেমের পূর্ণতা দেন নিলয় ও আনিকা।জানা গেছে, বরগুনায় আন্দোলন চলাকালীন গত ৫ আগস্ট থেকে দু’জনের ভালো লাগা শুরু হয়। পরবর্তীতে ৭ আগস্ট ভালোবাসা প্রকাশের পর ২৫ আগস্ট দুজনের সম্পর্কের বিষয়টি তাদের পরিবারকে জানান। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে প্রণয়ে রূপ নেয় তাদের প্রেম।

    মীর রিজন মাহমুদ নিলয় বরগুনা পৌরসভার আমতলার পাড় এলাকার মরহুম মীর মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি আনোয়ার খান মর্ডান ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী।বরগুনা পৌরসভার কলেজ রোড এলাকার মনোয়ারুল ইসলাম শামীমের মেয়ে ফৌজিয়া তাসনীন আনিকা সরকারি ব্রজমোহন কলেজের রসায়ন বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

    মীর রিজন মাহমুদ নিলয় বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমেই আনিকার সঙ্গে পরিচয় হয়। এমনিতে আগে থেকে চিনলেও কখনও কথা হয়নি। আন্দোলন চলাকালে সবার সঙ্গেই আমার কথা হতো। তবে ওই সময়ে আমাদের কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। গত ৫ আগস্ট যখন একত্রে বিজয় মিছিলে আনন্দ উল্লাস করছিলাম, তখন আমাদের মধ্যে ভালো লাগা শুরু হয়।

    ফৌজিয়া তাসনীন আনিকা বলেন, আন্দোলনের সময় নিলয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। ওই সময় আন্দোলন নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে কথা হতো। তখন সাহস এবং সততা দেখে নিলয়ের ওপর আমি দুর্বল হই। যেখানে ওর আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে অনেকেই বর্তমান নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাদের মতামতের বিরুদ্ধে গিয়ে আমাদের সঙ্গে আন্দোলন করেছে।

    তিনি আরও বলেন, এছাড়াও অন্য একটি সংগঠন তাদের ব্যানারে নিলয়কে আন্দোলনে অংশ নিতে বললেও সে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গেই আন্দোলনে যুক্ত হয়। ওর ওপর দুর্বল হওয়ার মূল কারণই হচ্ছে এমন সততা। পরবর্তীতে গত ৫ আগস্ট বিজয় মিছিলে আমার প্রতি আলাদা কেয়ার দেখে ওর প্রতি দুর্বলতা আরও বেড়ে যায়। পরে ৭ আগস্ট আমাকে প্রেমের প্রস্তাব না দিয়ে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেন নিলয়।

    আনিকাকে ভালো লাগার কারণ জানতে চাইলে নিলয় বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার যে সাহসিকতা ওর মধ্যে ছিল, এটি আমাকে মুগ্ধ করেছে। ওই সময়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে সাহস নিয়ে আন্দোলনে নেমে যে দেশকে ভালোবাসতে পারে, সে মানুষকেও ভালোবাসতে পারে।

  • ১৫ কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানোর শর্তে আসামির মুক্তি

    ১৫ কুকুরকে তিন মাস খাওয়ানোর শর্তে আসামির মুক্তি

    প্রকাশ্যে নয় শাবকসহ মা কুকুরকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন। মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেও আদালত তাকে সাজা না দিয়ে শর্ত সাপেক্ষে তিন মাসের প্রবেশনে মুক্তি দিয়েছেন ফেনীর আদালত। প্রবেশনকালীন আসামিকে ১৫টি কুকুরকে খাওয়াতে হবে।

    গত বৃহস্পতিবার ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক অপরাজিতা দাস এ আদেশ দেন। শহরের শান্তি কোম্পানি রোডে প্রকাশ্যে ৯টি বাচ্চাসহ দুই মা কুকুরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন বিচারক।

    মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী সফিকুল ইসলাম পিয়াস বলেন, প্রাণী হত্যার ঘটনায় ফেনীতে এটিই প্রথম কোনো মামলা ছিল। এ মামলায় আসামি জসিম উদ্দিন দোষ স্বীকার করায় আদালত তাকে তিন মাসের প্রবেশন দিয়েছেন।

    প্রবেশনকালীন আসামিকে ১৫টি কুকুরকে খাওয়াতে হবে এবং পশুর যত্ন নিতে হবে। ১৫টি কুকুরকে খাওয়ানো ও প্রবেশন বিষয়ে ছবিসহ প্রতিবেদন সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার মাধ্যমে পরবর্তীতে আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। যদি প্রবেশন সময়ের মধ্যে শর্ত ভঙ্গ করেন তাহলে আদালত আইনে যেকোনো দণ্ড দিতে পারেন বলেও জানান তিনি।

    এর আগে গত ৯ জুলাই পিটিয়ে কুকুর হত্যার ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন আদালত। একইদিন শুনানি শেষে প্রধান অভিযুক্ত জসিম উদ্দিনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ (সমন জারি) দেন।

    গত ১ এপ্রিল ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অ্যানিমেল এইড ফেনীর পরিচালক এনাম হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে এ মামলা করেন। ফেনীতে প্রাণী হত্যার ঘটনায় এটিই ছিল প্রথম কোনো মামলা। পরে মামলাটি আমলে নিয়ে ফেনী সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আশেকুর রহমান।

    মামলার বাদী এনাম হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ফেনী শহরের শান্তি কোম্পানি সড়কের শান্তি কোম্পানি বাড়ির কালামিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন বিনা কারণে দুই মা কুকুর ও ৯টি শাবককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করেন।

    অনুমতি ছাড়া প্রকাশ্যে ১১টি কুকুর হত্যা করে আসামিরা প্রাণিকল্যাণ আইন লঙ্ঘন করেছেন। অন্যায়ভাবে প্রাণী নিধন বন্ধের জন্যই আইনের আশ্রয় নিয়েছি।

  • সচিবালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ

    সচিবালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ

    সম্প্রতি সচিবালয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কথা মাথায় রেখে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।‌শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সপ্তাহে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কী পয়েন্ট ইন্সটলেশনের (কেপিআই) নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সরকার শিগগিরই বিদ্যমান প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডগুলো পর্যালোচনা করবে এবং নতুন অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু করার জন্য সমস্ত স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ আউটলেটগুলো থেকে নতুন আবেদন নেয়া হবে‌।

    ইতোমধ্যে যেকোনো ইভেন্টের জন্য অস্থায়ী দৈনিক অ্যাক্সেস কার্ড নিজ নিজ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা হবে। সরকার অসুবিধার জন্য দুঃখিত এবং সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করছে বলেও জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

    এদিকে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার বলেছেন, কিছু লোক সরকারকে কঠোর হতে বলে আবার সামান্যতম কঠোর হলে গেল গেল রব তোলে। এই দ্বিচারিতা বন্ধ হওয়া জরুরি। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সীমিত করা নিয়ে যথারীতি এই দ্বিচারিতা আবার শুরু হয়েছে। প্রবেশাধিকার সীমিত করার এই সিদ্ধান্তটি খুবই সাময়িক। সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের নিজস্ব আইডিতে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।

    আজাদ মজুমদার বলেন, একটা বিষয় এখানে পরিষ্কার করা দরকার, কোনো সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে বাতিল করা হয়নি। কেবল সচিবালয়ের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার সীমিত করা হয়েছে। তা-ও খুবই অল্প সময়ের জন্য। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অস্থায়ী পাশ ইস্যু করা হবে। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিগগিরই বিদ্যমান সব প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ডই পর্যালোচনা করা হবে এবং নতুন অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড ইস্যু করার জন্য সমস্ত স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের কাছে আবেদন চাওয়া হবে।

    তিনি আরও বলেন, এটা এখন ওপেন সিক্রেট, বাংলাদেশ সচিবালয়কে দালালদের হাটবাজার বানিয়ে ফেলা হয়েছিলো। সরকারের সর্বশেষ এই সিদ্ধান্তে দালাল ছাড়া কারো শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা মনে করি, এটা সাংবাদিকদের কাজ আরো সহজ করবে। এখন সাময়িক অসুবিধা হলেও চূড়ান্ত বিচারে এটা সবাইকে সহযোগিতা করবে। এজন্যই সবার সহযোগতিা চাওয়া হচ্ছে।

    সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে রাষ্ট্রের একটা বিপর্যয় হয়েছে এটা মানতে কারো দ্বিধা থাকার কথা নয়। এজন্য উচ্চ পর্যায়ের কমিটিও করা হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক, সেনাবাহিনীর বিষ্ফোরক বিশেষজ্ঞ দিয়ে একসঙ্গে কোনো ঘটনার তদন্ত করা হয়নি।

    উপ-প্রেস সচিব বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার স্বচ্ছতায় বিশ্বাসী বলেই এই ধরনের কমিটি করা হয়েছে। সাংবাদিকদের দূরে রেখে তদন্ত কাজ চালানো হবে বলে যারা আবোল তাবোল বকছেন এরা মারাত্মক ভুলে আছেন। আমাদের বিশ্বাস, সাংবাদিকরাও বিষয়টি উপলব্ধি করবেন এবং চলমান পরিস্থিতিতে সরকারকে সহযোগতিা করবেন।

    এর আগে শুক্রবার সচিবালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুকূলে ইস্যুকৃত স্থায়ী প্রবেশ পাস এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ইস্যুকৃত অস্থায়ী প্রবেশ পাস ব্যতীত সব ধরনের অস্থায়ী (বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের জন্য) সচিবালয় প্রবেশ পাস বাতিল করে সরকার।

  • গায়েব হচ্ছে ভেবে দুই ট্রাক নথিপত্র আটক করলো জনতা

    গায়েব হচ্ছে ভেবে দুই ট্রাক নথিপত্র আটক করলো জনতা

    বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের পুরোনো নথিপত্র নিয়ে যাওয়া দুটি ট্রাক আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের কাগাশুরা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে ট্রাক দুটি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

    চরবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা জিয়াউল ইসলাম সাবু বলেন, সচিবালয়ে আগুন দিয়ে নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মাঝে সন্দেহ হয় সেই ধরনের কোনও ঘটনা কিনা। এ কারণে তারা ট্রাক দুটি আটকে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে সংশ্লিষ্ট দফতর প্রধানকে বিষয়টি জানায়। এরপর ঘটনাস্থলে এসে নির্বাহী প্রকৌশলী সবাইকে বলেন, এগুলো বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের পুরোনো কাগজ এবং আসবাবপত্র। পুড়িয়ে ফেলার জন্য পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য হওয়ার পর ট্রাক দুটি ছেড়ে দেয় স্থানীয় জনতা।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, প্রায় এক যুগের পুরোনো দাফতরিক নথিপত্র এগুলো। যার কার্যকারিতা শেষ হয়ে গেছে বিধায় পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর ভাড়া করা দুটি ট্রাকে এসব নথিপত্র ও আসবাবপত্র ভর্তি করে তা নগরের ময়লা খোলার ভাগাড়ে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলার জন্য অফিসের দুই কর্মকর্তা ও এক কর্মচারীকে নির্দেশ দেওয়া হয়।তিনি বলেন, অফিসের দুই কর্মকর্তার কেউ বরিশালের ময়লার ভাগাড় চেনেন না। অফিস কর্মচারী এবং ট্রাক চালক নিজেদের সিদ্ধান্তে সেগুলো কাগাশুরা এলাকার বাজারের পেছনে নিয়ে যান। আমার ধারণা, এসব কাগজ না পুড়িয়ে বাজারে বিক্রি করতে চেয়েছেন তারা। এ সময় এক বান্ডিল কাগজ ট্রাক থেকে রাস্তায় পড়ে যায়। স্থানীয় জনতা তা তুলে দেখে সরকারি নথিপত্র ভেবে ট্রাক দুটি আটকে দেয়। তাদের ধারণা ছিল, সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। আসলে তেমন কিছুই নয়, এগুলো আমাদের অফিসের পুরোনো নথিপত্র। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আমাদের খবর দেয়। আমরা এসে বিষয়টি বুঝিয়ে বললে স্থানীয় জনতা ও পুলিশ সেগুলো ফেরত দেয়।

  • গাইবান্ধায় জাসাস এর ৪৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    গাইবান্ধায় জাসাস এর ৪৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস এর ৪৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায়  পালন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে সদর ও পৌর জাসাসের আয়োজনে আজ শুক্রবার বিকেলে শহরের জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পৌর জাসাসের আহব্বায়ক মাহামুদ হাসান রিয়াদের সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলার সিনিয়র সহ সভাপতি সাগর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন শহর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম রুবেল। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাসাস সদর উপজেলার সভাপতি দেওয়ান মানিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈকত আহমেদ শাওন, সদর উপজেলা জাসাসের সহ সভাপতি মিলন মিয়া, রকি ইসলাম, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, ফয়সাল আহমেদ সজীব, সাংগঠনিক সম্পাদক হায়দার আলী ফারাজী, জাসাসের পৌর সদস্য সচিব মুজাহিদুল ইসলাম মিথান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হালিম আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক স্বপন আহমেদ। এ ছাড়াও জাসাসের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীগন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে কেক কাটা হয় এবং শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্নার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

  • বগুড়ায় দুই ট্রাকের সংঘর্ষ, নিহত ২

    বগুড়ায় দুই ট্রাকের সংঘর্ষ, নিহত ২

    বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার চৌমুহনী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে আরেকটি ট্রাকের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে দিকে বগুড়া-নওগাঁ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার ধানসড়া গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে তছলিম উদ্দিন (৪৫) ও নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার মঙ্গলতারা গ্রামের সাইফুদ্দিনের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৪০)। জানা গেছে, সকালে চৌমুহনী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাককে নওগাঁগামী একটি ট্রাক ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় ট্রাকে থাকা গরুর রাখাল তছলিম উদ্দিন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অপর রাখাল আশরাফুলকে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, নিহতদের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কোনো অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • জামায়াত রাষ্ট্র চালানোর দায়িত্ব পেলে সব বৈষম্যের অবসান ঘটবে: আমির

    জামায়াত রাষ্ট্র চালানোর দায়িত্ব পেলে সব বৈষম্যের অবসান ঘটবে: আমির

    জামায়াত রাষ্ট্র চালানোর দায়িত্ব পেলে সব বৈষম্যের অবসান ঘটানো হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধা ইসলামিয়া মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় সার্বিক উন্নয়নে গাইবান্ধা বৈষম্যের শিকার হয়েছে। দেশের অনেক জেলার সঙ্গে গোপালগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, কারিগরি মহাবিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। কিন্তু এসবের কিছুই নেই গাইবান্ধা জেলায়। গোপালগঞ্জ বাংলাদেশের একটি জেলা। আমরা সব জেলার সঙ্গে এ জেলার উন্নয়নের পক্ষে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে গাইবান্ধা বঞ্চিত হবে কেন? গাইবান্ধা কি বাংলাদেশের অংশ নয়, গাইবান্ধার মানুষ কি একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ ও চব্বিশের স্বাধীনতা-সংগ্রামে অংশ নেননি, গাইবান্ধা জেলা কি দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেনি?

    এসব বৈষম্যের অবসান চেয়ে তিনি বলেন, আমি এ সরকারের কাছে দাবি রাখছি, জেলা ভিত্তিক উন্নয়নের তালিকা থেকে গাইবান্ধা জেলা যেন বঞ্চিত না হয়।তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহ যদি জামায়াতে ইমলামীর হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেন, তাহলে এমন সব বৈষম্যের অবসান ঘটানো হবে। আর যদি অন্য কারো হাতে রাষ্ট্র ক্ষমতা দান করেন, তাহলে গাইবান্ধাবাসীর পক্ষে দাবি রেখে যাব ইনশাআল্লাহ।

    জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল করিম সরকারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মমতাজ উদ্দিন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল ও শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশসহ অনেকে।

    দীর্ঘ ২২ বছর পর এ মাঠে সমাবেশ করল জামায়াত। ২০০২ সালে জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদী এ মাঠে তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে বক্তব্য দিয়েছিলেন। এরপর এ মাঠে আর কোনো সমাবেশ করতে পারেনি জামায়াত। কর্মী সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমানকে একনজর দেখতে ও তার কথা শুনতে মানুষের ঢল নামে।

  • আত্মগোপনে’ থাকা আ.লীগ নেতা বিজিত চৌধুরী গ্রেপ্তার

    আত্মগোপনে’ থাকা আ.লীগ নেতা বিজিত চৌধুরী গ্রেপ্তার

    অভ্যুত্থানকালে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার মামলায় আত্মগোপনে থাকা সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বিজিত চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধার দিকে নগরের কাষ্টঘর এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বাংলানিউজকে বলেন, গ্রেপ্তার বিজিত চৌধুরী নগরের কাষ্টঘর এলাকার একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা বিজিত চৌধুরীর বিরুদ্ধে ১০টি মামলা রয়েছে। বুধবার তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।

    গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে। সেদিন প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে চলে যান আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা। তার দলের বেশিরভাগ নেতা-কর্মীও আত্মগোপনে চলে যান। এর ধারাবাহিকতায় বিজিত চৌধুরীও আত্মগোপনে ছিলেন।

    আন্দোলন চলাকালে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট কোতয়ালীসহ বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে।