মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় রেলওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাইকারীকে পালাতে সহযোগিতার অভিযোগ

গাইবান্ধায় রেলওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাইকারীকে পালাতে সহযোগিতার অভিযোগ

‎গাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশনে ছিনতাইকালে হাতেনাতে আটক ছিনতাইকারী রুপম কে টকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রেলওয়ে পুলিশের এ এস আই আসাদের  বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাধারণ যাত্রীদের তীব্র ক্ষোভ ও তোপের মুখে শেষ পর্যন্ত ওই ছিনতাইকারীকে পুনরায় আটক করতে বাধ্য হয় পুলিশ।

‎​স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও যাত্রীদের সূত্রে জানা গেছে, স্টেশন এলাকায় এক যাত্রীর মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে জনতা এক ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে আটক করে রেলওয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় না নিয়ে রেলওয়ে পুলিশের সদস্য আসাদ গোপনে টাকার বিনিময়ে রফাদফা করে ওই ছিনতাইকারীকে কৌশলে ছেড়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালান।

‎​বিষয়টি উপস্থিত জনতা ও যাত্রীদের নজরে এলে স্টেশন চত্বরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কর্তব্যরত পুলিশের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফেটে পড়ে সাধারণ মানুষ। মুহূর্তের মধ্যেই বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশ সদস্য এ এস আই আসাদকে ঘিরে ধরে এবং তীব্র প্রতিবাদ জানায়। একপর্যায়ে জনতার প্রচণ্ড তোপ ও রোষানলের মুখে পড়ে ছেড়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করে ছিনতাইকারীকে পুনরায় নিজেদের হেফাজতে নিতে বাধ্য হয় রেলওয়ে পুলিশ।

‎​স্টেশনে উপস্থিত সাধারণ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রেলওয়ে স্টেশনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাদের, তারাই যদি টাকার বিনিময়ে পেশাদার অপরাধীদের রক্ষা করে, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? রক্ষকই যখন ভক্ষকের ভূমিকায় নামে, তখন স্টেশন অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

‎এবিষয়ে এএসআই আসাদের ০১৯০৫৭২২০৯৮ এই নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে ফোন দেবেন এমন ব্যস্ততা দেখিয়ে কেটে দেন।

‎পরে গাইবান্ধা রেলওয়ে ফাড়ি ইনচার্জ সাহেব গনির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি স্বাক্ষি দিতে সিরাজগঞ্জে এসেছি তবে ষ্টেশনে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়টি শুনেছি। তবে এ এস আই আসাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে সেটি দু:খ জনক। তিনি আরো জানান এমন ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে আসামি কে বোনারপাড়া রেলওয়ে  ফাড়ি থানায় হস্তান্তর করতে বলেছি।

‎ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয়  নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে জানান,  গাইবান্ধা রেলওয়ে ষ্টেশনে ছিনতাই সহ যত প্রকার অপরাধ সংঘটিত হয় সকল অপরাধের মদদ দাতা এই এ এস আই আসাদ।

‎​সচেতন মহলের দাবি, গাইবান্ধা রেল ষ্টেশন কে অপরাধ মুক্ত করতে এই ঘটনার সাথে জড়িত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও কঠোর তদন্ত করে অবিলম্বে বদলী সহ দৃষ্টান্তমূলক বিভাগাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশনে ছিনতাইকালে হাতেনাতে আটক ছিনতাইকারী রুপম কে টকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রেলওয়ে পুলিশের এ এস আই আসাদের  বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাধারণ যাত্রীদের তীব্র ক্ষোভ ও তোপের মুখে শেষ পর্যন্ত ওই ছিনতাইকারীকে পুনরায় আটক করতে বাধ্য হয় পুলিশ।

‎​স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও যাত্রীদের সূত্রে জানা গেছে, স্টেশন এলাকায় এক যাত্রীর মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে জনতা এক ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে আটক করে রেলওয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় না নিয়ে রেলওয়ে পুলিশের সদস্য আসাদ গোপনে টাকার বিনিময়ে রফাদফা করে ওই ছিনতাইকারীকে কৌশলে ছেড়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালান।

‎​বিষয়টি উপস্থিত জনতা ও যাত্রীদের নজরে এলে স্টেশন চত্বরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কর্তব্যরত পুলিশের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফেটে পড়ে সাধারণ মানুষ। মুহূর্তের মধ্যেই বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশ সদস্য এ এস আই আসাদকে ঘিরে ধরে এবং তীব্র প্রতিবাদ জানায়। একপর্যায়ে জনতার প্রচণ্ড তোপ ও রোষানলের মুখে পড়ে ছেড়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করে ছিনতাইকারীকে পুনরায় নিজেদের হেফাজতে নিতে বাধ্য হয় রেলওয়ে পুলিশ।

‎​স্টেশনে উপস্থিত সাধারণ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রেলওয়ে স্টেশনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাদের, তারাই যদি টাকার বিনিময়ে পেশাদার অপরাধীদের রক্ষা করে, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? রক্ষকই যখন ভক্ষকের ভূমিকায় নামে, তখন স্টেশন অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

‎এবিষয়ে এএসআই আসাদের ০১৯০৫৭২২০৯৮ এই নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে ফোন দেবেন এমন ব্যস্ততা দেখিয়ে কেটে দেন।

‎পরে গাইবান্ধা রেলওয়ে ফাড়ি ইনচার্জ সাহেব গনির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি স্বাক্ষি দিতে সিরাজগঞ্জে এসেছি তবে ষ্টেশনে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়টি শুনেছি। তবে এ এস আই আসাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে সেটি দু:খ জনক। তিনি আরো জানান এমন ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে আসামি কে বোনারপাড়া রেলওয়ে  ফাড়ি থানায় হস্তান্তর করতে বলেছি।

‎ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয়  নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে জানান,  গাইবান্ধা রেলওয়ে ষ্টেশনে ছিনতাই সহ যত প্রকার অপরাধ সংঘটিত হয় সকল অপরাধের মদদ দাতা এই এ এস আই আসাদ।

‎​সচেতন মহলের দাবি, গাইবান্ধা রেল ষ্টেশন কে অপরাধ মুক্ত করতে এই ঘটনার সাথে জড়িত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও কঠোর তদন্ত করে অবিলম্বে বদলী সহ দৃষ্টান্তমূলক বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা অতি জরুরি।গীয় ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা অতি জরুরি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Farhan Shekh

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় রেলওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাইকারীকে পালাতে সহযোগিতার অভিযোগ

গাইবান্ধায় রেলওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাইকারীকে পালাতে সহযোগিতার অভিযোগ

Update Time : ০৩:০৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধায় রেলওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাইকারীকে পালাতে সহযোগিতার অভিযোগ

‎গাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশনে ছিনতাইকালে হাতেনাতে আটক ছিনতাইকারী রুপম কে টকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রেলওয়ে পুলিশের এ এস আই আসাদের  বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাধারণ যাত্রীদের তীব্র ক্ষোভ ও তোপের মুখে শেষ পর্যন্ত ওই ছিনতাইকারীকে পুনরায় আটক করতে বাধ্য হয় পুলিশ।

‎​স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও যাত্রীদের সূত্রে জানা গেছে, স্টেশন এলাকায় এক যাত্রীর মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে জনতা এক ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে আটক করে রেলওয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় না নিয়ে রেলওয়ে পুলিশের সদস্য আসাদ গোপনে টাকার বিনিময়ে রফাদফা করে ওই ছিনতাইকারীকে কৌশলে ছেড়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালান।

‎​বিষয়টি উপস্থিত জনতা ও যাত্রীদের নজরে এলে স্টেশন চত্বরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কর্তব্যরত পুলিশের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফেটে পড়ে সাধারণ মানুষ। মুহূর্তের মধ্যেই বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশ সদস্য এ এস আই আসাদকে ঘিরে ধরে এবং তীব্র প্রতিবাদ জানায়। একপর্যায়ে জনতার প্রচণ্ড তোপ ও রোষানলের মুখে পড়ে ছেড়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করে ছিনতাইকারীকে পুনরায় নিজেদের হেফাজতে নিতে বাধ্য হয় রেলওয়ে পুলিশ।

‎​স্টেশনে উপস্থিত সাধারণ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রেলওয়ে স্টেশনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাদের, তারাই যদি টাকার বিনিময়ে পেশাদার অপরাধীদের রক্ষা করে, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? রক্ষকই যখন ভক্ষকের ভূমিকায় নামে, তখন স্টেশন অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

‎এবিষয়ে এএসআই আসাদের ০১৯০৫৭২২০৯৮ এই নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে ফোন দেবেন এমন ব্যস্ততা দেখিয়ে কেটে দেন।

‎পরে গাইবান্ধা রেলওয়ে ফাড়ি ইনচার্জ সাহেব গনির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি স্বাক্ষি দিতে সিরাজগঞ্জে এসেছি তবে ষ্টেশনে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়টি শুনেছি। তবে এ এস আই আসাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে সেটি দু:খ জনক। তিনি আরো জানান এমন ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে আসামি কে বোনারপাড়া রেলওয়ে  ফাড়ি থানায় হস্তান্তর করতে বলেছি।

‎ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয়  নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে জানান,  গাইবান্ধা রেলওয়ে ষ্টেশনে ছিনতাই সহ যত প্রকার অপরাধ সংঘটিত হয় সকল অপরাধের মদদ দাতা এই এ এস আই আসাদ।

‎​সচেতন মহলের দাবি, গাইবান্ধা রেল ষ্টেশন কে অপরাধ মুক্ত করতে এই ঘটনার সাথে জড়িত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও কঠোর তদন্ত করে অবিলম্বে বদলী সহ দৃষ্টান্তমূলক বিভাগাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশনে ছিনতাইকালে হাতেনাতে আটক ছিনতাইকারী রুপম কে টকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রেলওয়ে পুলিশের এ এস আই আসাদের  বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাধারণ যাত্রীদের তীব্র ক্ষোভ ও তোপের মুখে শেষ পর্যন্ত ওই ছিনতাইকারীকে পুনরায় আটক করতে বাধ্য হয় পুলিশ।

‎​স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও যাত্রীদের সূত্রে জানা গেছে, স্টেশন এলাকায় এক যাত্রীর মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে জনতা এক ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে আটক করে রেলওয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় না নিয়ে রেলওয়ে পুলিশের সদস্য আসাদ গোপনে টাকার বিনিময়ে রফাদফা করে ওই ছিনতাইকারীকে কৌশলে ছেড়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালান।

‎​বিষয়টি উপস্থিত জনতা ও যাত্রীদের নজরে এলে স্টেশন চত্বরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কর্তব্যরত পুলিশের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফেটে পড়ে সাধারণ মানুষ। মুহূর্তের মধ্যেই বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশ সদস্য এ এস আই আসাদকে ঘিরে ধরে এবং তীব্র প্রতিবাদ জানায়। একপর্যায়ে জনতার প্রচণ্ড তোপ ও রোষানলের মুখে পড়ে ছেড়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করে ছিনতাইকারীকে পুনরায় নিজেদের হেফাজতে নিতে বাধ্য হয় রেলওয়ে পুলিশ।

‎​স্টেশনে উপস্থিত সাধারণ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রেলওয়ে স্টেশনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাদের, তারাই যদি টাকার বিনিময়ে পেশাদার অপরাধীদের রক্ষা করে, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? রক্ষকই যখন ভক্ষকের ভূমিকায় নামে, তখন স্টেশন অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

‎এবিষয়ে এএসআই আসাদের ০১৯০৫৭২২০৯৮ এই নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে ফোন দেবেন এমন ব্যস্ততা দেখিয়ে কেটে দেন।

‎পরে গাইবান্ধা রেলওয়ে ফাড়ি ইনচার্জ সাহেব গনির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি স্বাক্ষি দিতে সিরাজগঞ্জে এসেছি তবে ষ্টেশনে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়টি শুনেছি। তবে এ এস আই আসাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে সেটি দু:খ জনক। তিনি আরো জানান এমন ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে আসামি কে বোনারপাড়া রেলওয়ে  ফাড়ি থানায় হস্তান্তর করতে বলেছি।

‎ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয়  নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে জানান,  গাইবান্ধা রেলওয়ে ষ্টেশনে ছিনতাই সহ যত প্রকার অপরাধ সংঘটিত হয় সকল অপরাধের মদদ দাতা এই এ এস আই আসাদ।

‎​সচেতন মহলের দাবি, গাইবান্ধা রেল ষ্টেশন কে অপরাধ মুক্ত করতে এই ঘটনার সাথে জড়িত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও কঠোর তদন্ত করে অবিলম্বে বদলী সহ দৃষ্টান্তমূলক বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা অতি জরুরি।গীয় ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা অতি জরুরি।